প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তারাবি নামাজের গুরুত্ব ও ফযিলত

ইসমাঈল আযহার: রমযান মাসের বিশেষ একটি আমল হচ্ছে রাতে ঈশার নামাযের পর বিতরের পূর্বে তারাবীহ্র নামায আদায় করা। নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য তা সুন্নতে মুআক্কাদাহ।

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন রমযান মাসে দিনে রোযাকে ফরজ করেছেন। আর তার হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘোষণার মাধ্যমে তারাবির মতো মূল্যবান এ উপহার দান করেছেন। বস্তুত তারাবি রমযান মাসের এমন একটি বিশেষ ইবাদত, যা রমযান ছাড়া অন্য কোনও মাসে আদায় করা সম্ভব না। রমযান মাসের অন্যান্য আমল রমযান ছাড়াও আদায় করা যায়। যেমন রমযান মাস ছাড়াও রোযা রাখা যায়, ইতিকাফ করা যায়। কিন্তু রমযান ছাড়া অন্য সময় তারাবি আদায় করা যায় না। এমনকি চাঁদ ওঠার পর তারাবি নামাযের মাধ্যমেই রমযানের মূল আমল শুরু হয়। অতএব রমযান মাসে তারাবীহ্র নামায অত্যন্ত তাৎপর্যময় একটি ইবাদত।

তারাবিতে কোরআনের সাথে মানুষের বিশেষ সম্পর্ক স্থাপিত হয় এবং এর মাধ্যমে বান্দার গুনাহ মাফ হয়। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

مَنْ قَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدّمَ مِنْ ذَنْبِهِ.

যে ব্যক্তি ঈমান ও ইহতিসাব তথা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ও সওয়াবের প্রত্যাশা নিয়ে কিয়ামে রমযান আদায় করবে তার বিগত গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।  সহীহ বুখারী,

অতএব তারাবীহর ব্যাপারে যত্নবান হওয়া চাই। আর খতম তারাবি পড়তে পারলে তো আরও ভাল। তবে তাড়াহুড়া করে তারবি নয়; তারাবি হতে হবে কোরআনের হকের প্রতি যথাযথ লক্ষ রেখে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত