প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] স্বাস্থ্যবিধি ও ’আইএলও’ দেয়া গাইড লাইন অনুযায়ী কারখানা চালান : ওয়ার্কার্স পার্টি

সমীরণ রায় : [২] পিয়ার রিভিউতে গণস্বাস্থ্যের কিটের উপযোগিতা প্রমাণিত হলে সরকার জনস্বার্থে অনুমতি দিতে পারে।

[৩] বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর এক বিবৃতিতে বলা হয়, ২৫ এপ্রিল ব্যবসায়ীদের সংগঠন ’এফবিসিসিআই’ কর্তৃক চলমান সরকারি ছুটিতে কারখানা চালু করার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে গার্মেন্ট মালিকদের সমিতি তাদের কারখানা খোলার ঘোষণা দেয়। গত ২৬ এপ্রিল থেকে সীমিত পরিসরে প্রাথমিকভাবে সংগনিরোধ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে কারখানা চালানো ঘোষণার সঙ্গে বাস্তবতার কোন মিল নেই।

[৪] বিবৃতিতে বলা হয়, বিজিএমইএ’র বিজ্ঞপ্তিতে যেখানে বলা হলো কারখানার আশপাশে অবস্থানরত শ্রমিক ছাড়া দূর-দূরান্তে অবস্থিত শ্রমিকদের কাজে যোগ দেয়ার প্রয়োজন নেই। অথচ কারখানার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ মোবাইলসহ নানা মাধ্যমে শ্রমিকদের কাজে যোগদানে নির্দেশ করেছেন এবং কাজে যোগ দিতে ব্যর্থ হলে মুজুরি কর্তন ও ছাঁটাইয়ের ভয় দেখিয়েছেন। ফলে গত ৪ঠা এপ্রিলের মতো করোনা সংক্রমণ বিস্তার হয়ে জনস্বাস্থ্যকে ঝুঁকিতে ফেলবে। একই সঙ্গে চলমান সরকারি ছুটিতে কোন কারখানা লে-
অফ, শ্রমিক ছাঁটাই না করার সরকারের যে ঘোষণা, তা নজরদারি করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানানো হয়।

[৫] এতে বলা হয়, গণস্বাস্থ্যকেন্দ্র কর্তৃক উদ্ভাবিত করোনা শনাক্তকরণ কিট ব্যবহার ও সরবরাহ নিয়ে ডা. জাফরুল্লার গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের সঙ্গে যে জটিলতা সৃষ্ট হয়েছে তা নিরসনে সরকার ও গণস্বাস্থ্য কতৃপক্ষ উভয়কে এর বৈধ বৈজ্ঞানিক বিধি রক্ষার্থে যে ৭টি প্রতিষ্ঠান এর সংগে সংশ্লিষ্ট তাদের যে কোন একটির মাধ্যমে ‘পিয়ার রিভিউ’ পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে ‘বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালইয়ের কোন বৈজ্ঞানিক প্যানেলের সহযোগিতা নেয়া যেতে পারে।

[৬] সোমবার এক বিবৃতিতে পার্টির পলিটব্যুরো সদস্যরা এসব কথা বলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত