শিরোনাম
◈ চট্টগ্রামে শনিবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত ◈ নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে আইএমএফের শর্ত কতটা চ্যালেঞ্জের? ◈ ডিসেম্বরে দেশে ফিরব, দলের নেতাদের সঙ্গে আদালতে আত্মসমর্পণ করব: রয়টার্সকে হাসিনা ◈ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় বড় উদ্যোগ: ৪১৮ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হবে ১০১ শয্যার, নতুন ১৩ উপজেলায় হাসপাতাল ◈ উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে অভিযুক্ত ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম’ সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে ◈ টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে পাঁচ নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে, কয়েক জেলায় বন্যা শঙ্কা ◈ জাপানের দিকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ‘বাভি’, চরম সতর্কতা, ফ্লাইট বাতিল ও নিরাপদে সরানো হচ্ছে মানুষ ◈ নতুন দুই নদী বন্দর ঘোষণা করেছে সরকার, প্রজ্ঞাপন জারি ◈ একটা অভিযোগও মিথ্যা প্রমাণ হলে এই পোশাক খুলে ফেলব, থানায় ঢুকে এভাবে কেউ নির্যাতন করে, আমরা কার কাছে যাব: ওসি মাসুদ

প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ২৩ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

করোনাকালে বিএনপি যা করতে পারতো, কিন্তু করেনি

দীপু তৌহিদুল : ১. বিএনপি নেতারা বেগম খালেদা জিয়াকে সামনে রেখে ত্রাণের জন্য দেশ ও বিদেশে ফান্ড রেইজ প্রচেষ্টা নিতে পারতো, বেগম জিয়া চাইলেই কমপক্ষে একশ কোটি টাকা দেশ-বিদেশ থেকে ত্রাণের জন্য তুলতে পারতো। কিন্তু সেটা করারও কোনো উদ্যোগ তারা নেয়নি। ২. বিএনপির আর্থিক শক্তিশালী নেতারা নিজ নিজ এলাকার দুর্বল মানুষদের আর্থিক সহায়তা দিতে পারতেন, সেটা তারা করেননি। বিএনপি বলতে পারবে না গ্রাসরুট পর্যায়ে তাদের কোনো নেতাকর্মী নেই, যদি অস্বীকার করে তাহলে পাল্টা প্রশ্নটা হবে গাদা গাদা এতো কমিটিগুলো তাহলে কীসের? ৩. বিএনপি বিভাগীয় নেতাদের নিয়ে নিজেদের আলাদা কমিটি গঠন করে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতে পারতো। সেই কমিটি গোটা দেশের করোনার খবর দেওয়ার পাশাপাশি নিজ নিজ বিভাগের জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করতে পারতো।
৪. মহামারিতে জনগণের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বিএনপির বুদ্ধিদাতা সুশীলরা কাজ করতে পারতেন। বিএনপিপন্থী সুশীল সমাজ ভালো কথা আর সুপথ দেখিয়ে মানুষের ভীতি দূর করার প্রচেষ্টা নিলে কী সমস্যা ছিলো? ৫. প্রেস কনফারেন্সগুলোতে সরকারের দিকে কাদা না ছুড়ে গঠনমূলক পরামর্শ দিয়ে যেতে পারতেন, এটা সরকার গ্রহণ না করলেও জনগণ দেখতো তারা কী বলেছে। ৬. বিএনপি নেতারা করোনা আক্রান্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সাহস যোগাতে পারতো। বিএনপি নেতারা এসব পরিবারকে চিকিৎসক সমন্বয়ে কমিটি করে আলাদা পরামর্শ সেল গঠন করে সাহায্য করতে পারতো।
৭. বিএনপি তৃণমূল পর্যায়ে কর্মী ও সমর্থকদের করোনা আইন মেনে চলায় জনগণকে উৎসাহ যোগাতে পারতো। যারা করোনার সাবধান বাণী প্রচার করতে পারে। তারা কীসের জন্য জনগণকে ঘরে থাকতে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে লেকচার দেবে না? ৮. মহামারির সময়টা কোনো দলাদলির নয় বিধায় বিএনপি নিজের উদ্যোগে খাদ্য তৈরি করে গরিব মানুষের ঘরে পৌঁছে দেওয়ার একটা প্রচেষ্টা নিতেই পারতো। ৯. বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক অঙ্গ সংগঠন রয়েছে। সেই দলের নেতাদের দিয়ে এলাকাভিত্তিক করোনা থেকে সাধারণ মানুষকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ভালো দিকগুলো বোঝাতে পারতো। ১০. বিএনপির বয়স্ক নেতারা তাদের দলের তরুণ ও কর্ম উদ্যোগী নেতাদের সামনে দিয়ে নিজেদের পিছিয়ে নিতে পারতেন। এই বয়স্ক নেতারা নিজেরাও মাঠে নামবেন না আবার তরুণ নেতাদের সামনে বাধার দেওয়াল হয়ে থাকবেন, এটা কুরুচির কাজ যারে দেশপ্রেম বলে না। মোদ্দা কথা বিএনপি বাস্তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমালোচনা করা ছাড়া আর কোনো কাজ করেনি। অংশবিশেষ। পুরো লেখাটি পড়–ন লেখকের ফেসবুকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়