শিরোনাম
◈ আমাদের নেতা মানবিক, কোনো বৈষম্য হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশি আশ্রয়প্রার্থীদের নিয়ে যুক্তরাজ্যের উদ্বেগ, তালিকায় শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ ◈ আইন থেকে শিক্ষা—প্রধানমন্ত্রীর কাছে হেফাজতের ৯ দাবি ◈ ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ১৯৯১-এর পর দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয়বার ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, বাড়ল প্রায় ৪ লাখ ভোটার ◈ হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,০৬৩ ◈ সালমান শাহ হত্যা মামলা: বিমানবন্দর থেকে ডন গ্রেফতার ◈ বিদেশ ভ্রমণে ডলার জোগাড়ের ঝামেলা কমল, নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের ◈ বিভ্রান্তকারী ও বিশৃঙ্খলাকারীদের বিষয়ে সর্তক থাকার আহবান জানিয়েছেন তারেক রহমান ◈ তারেক রহমান-মোদি আলোচনায় বসলে বহু সমস্যার সমাধান সম্ভব: ভারতীয় হাইকমিশনার

প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ২৩ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

করোনাকালে বিএনপি যা করতে পারতো, কিন্তু করেনি

দীপু তৌহিদুল : ১. বিএনপি নেতারা বেগম খালেদা জিয়াকে সামনে রেখে ত্রাণের জন্য দেশ ও বিদেশে ফান্ড রেইজ প্রচেষ্টা নিতে পারতো, বেগম জিয়া চাইলেই কমপক্ষে একশ কোটি টাকা দেশ-বিদেশ থেকে ত্রাণের জন্য তুলতে পারতো। কিন্তু সেটা করারও কোনো উদ্যোগ তারা নেয়নি। ২. বিএনপির আর্থিক শক্তিশালী নেতারা নিজ নিজ এলাকার দুর্বল মানুষদের আর্থিক সহায়তা দিতে পারতেন, সেটা তারা করেননি। বিএনপি বলতে পারবে না গ্রাসরুট পর্যায়ে তাদের কোনো নেতাকর্মী নেই, যদি অস্বীকার করে তাহলে পাল্টা প্রশ্নটা হবে গাদা গাদা এতো কমিটিগুলো তাহলে কীসের? ৩. বিএনপি বিভাগীয় নেতাদের নিয়ে নিজেদের আলাদা কমিটি গঠন করে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতে পারতো। সেই কমিটি গোটা দেশের করোনার খবর দেওয়ার পাশাপাশি নিজ নিজ বিভাগের জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করতে পারতো।
৪. মহামারিতে জনগণের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বিএনপির বুদ্ধিদাতা সুশীলরা কাজ করতে পারতেন। বিএনপিপন্থী সুশীল সমাজ ভালো কথা আর সুপথ দেখিয়ে মানুষের ভীতি দূর করার প্রচেষ্টা নিলে কী সমস্যা ছিলো? ৫. প্রেস কনফারেন্সগুলোতে সরকারের দিকে কাদা না ছুড়ে গঠনমূলক পরামর্শ দিয়ে যেতে পারতেন, এটা সরকার গ্রহণ না করলেও জনগণ দেখতো তারা কী বলেছে। ৬. বিএনপি নেতারা করোনা আক্রান্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সাহস যোগাতে পারতো। বিএনপি নেতারা এসব পরিবারকে চিকিৎসক সমন্বয়ে কমিটি করে আলাদা পরামর্শ সেল গঠন করে সাহায্য করতে পারতো।
৭. বিএনপি তৃণমূল পর্যায়ে কর্মী ও সমর্থকদের করোনা আইন মেনে চলায় জনগণকে উৎসাহ যোগাতে পারতো। যারা করোনার সাবধান বাণী প্রচার করতে পারে। তারা কীসের জন্য জনগণকে ঘরে থাকতে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে লেকচার দেবে না? ৮. মহামারির সময়টা কোনো দলাদলির নয় বিধায় বিএনপি নিজের উদ্যোগে খাদ্য তৈরি করে গরিব মানুষের ঘরে পৌঁছে দেওয়ার একটা প্রচেষ্টা নিতেই পারতো। ৯. বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক অঙ্গ সংগঠন রয়েছে। সেই দলের নেতাদের দিয়ে এলাকাভিত্তিক করোনা থেকে সাধারণ মানুষকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ভালো দিকগুলো বোঝাতে পারতো। ১০. বিএনপির বয়স্ক নেতারা তাদের দলের তরুণ ও কর্ম উদ্যোগী নেতাদের সামনে দিয়ে নিজেদের পিছিয়ে নিতে পারতেন। এই বয়স্ক নেতারা নিজেরাও মাঠে নামবেন না আবার তরুণ নেতাদের সামনে বাধার দেওয়াল হয়ে থাকবেন, এটা কুরুচির কাজ যারে দেশপ্রেম বলে না। মোদ্দা কথা বিএনপি বাস্তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমালোচনা করা ছাড়া আর কোনো কাজ করেনি। অংশবিশেষ। পুরো লেখাটি পড়–ন লেখকের ফেসবুকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়