শিরোনাম
◈ মৌলভীবাজারে ওয়াজ মাহফিলে ৪ কমলা ৫০ হাজার টাকা, আধা কেজি খেজুর ১৫ হাজারে বিক্রি ◈ কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী জান্নাতের মরদেহ উদ্ধার, পাশে পড়ে ছিল সিএনজি; মিলেছে ধস্তাধস্তির চিহ্ন ◈ নাটোরে জার্মান পর্যটকের ব্যাগ নিয়ে উধাও সেই যুবককে দেখা গেল সিসিটিভি ফুটেজে (ভিডিও) ◈ জাতীয় ক্রীড়া প‌রিষ‌দের ক্রীড়া পরিচালকের বিরুদ্ধে সংগঠককে পেটানোর অভিযোগ, থানায় মামলা ◈ বাংলাদেশ-নেপালের মতো ভারতে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি ◈ বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষক, গবেষণায় দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয় ◈ ঢাকায় অটোরিকশা-ই-বাইক চলাচলে নতুন নিয়ম, ৮ জোনে আলাদা রং ও নির্দিষ্ট সংখ্যা ◈ কিডনি-লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টে নতুন সুযোগ, নিকটাত্মীয়ের বাইরে ‘ইমোশনাল ডোনার’ নিয়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইনে যা আছে ◈ ১০২ ডিগ্রি জ্বরের স্ত্রীর কাছে পরোটা-মাংসের আবদার, সমালোচনার মুখে যা বললেন মুকিত জাকারিয়া ◈ বিদেশগামীদের ডলার কেনার সীমা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক, মানি চেঞ্জারে মিলবে ৩ হাজার মার্কিন ডলার

প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ২৩ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

করোনাকালে বিএনপি যা করতে পারতো, কিন্তু করেনি

দীপু তৌহিদুল : ১. বিএনপি নেতারা বেগম খালেদা জিয়াকে সামনে রেখে ত্রাণের জন্য দেশ ও বিদেশে ফান্ড রেইজ প্রচেষ্টা নিতে পারতো, বেগম জিয়া চাইলেই কমপক্ষে একশ কোটি টাকা দেশ-বিদেশ থেকে ত্রাণের জন্য তুলতে পারতো। কিন্তু সেটা করারও কোনো উদ্যোগ তারা নেয়নি। ২. বিএনপির আর্থিক শক্তিশালী নেতারা নিজ নিজ এলাকার দুর্বল মানুষদের আর্থিক সহায়তা দিতে পারতেন, সেটা তারা করেননি। বিএনপি বলতে পারবে না গ্রাসরুট পর্যায়ে তাদের কোনো নেতাকর্মী নেই, যদি অস্বীকার করে তাহলে পাল্টা প্রশ্নটা হবে গাদা গাদা এতো কমিটিগুলো তাহলে কীসের? ৩. বিএনপি বিভাগীয় নেতাদের নিয়ে নিজেদের আলাদা কমিটি গঠন করে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতে পারতো। সেই কমিটি গোটা দেশের করোনার খবর দেওয়ার পাশাপাশি নিজ নিজ বিভাগের জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করতে পারতো।
৪. মহামারিতে জনগণের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বিএনপির বুদ্ধিদাতা সুশীলরা কাজ করতে পারতেন। বিএনপিপন্থী সুশীল সমাজ ভালো কথা আর সুপথ দেখিয়ে মানুষের ভীতি দূর করার প্রচেষ্টা নিলে কী সমস্যা ছিলো? ৫. প্রেস কনফারেন্সগুলোতে সরকারের দিকে কাদা না ছুড়ে গঠনমূলক পরামর্শ দিয়ে যেতে পারতেন, এটা সরকার গ্রহণ না করলেও জনগণ দেখতো তারা কী বলেছে। ৬. বিএনপি নেতারা করোনা আক্রান্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সাহস যোগাতে পারতো। বিএনপি নেতারা এসব পরিবারকে চিকিৎসক সমন্বয়ে কমিটি করে আলাদা পরামর্শ সেল গঠন করে সাহায্য করতে পারতো।
৭. বিএনপি তৃণমূল পর্যায়ে কর্মী ও সমর্থকদের করোনা আইন মেনে চলায় জনগণকে উৎসাহ যোগাতে পারতো। যারা করোনার সাবধান বাণী প্রচার করতে পারে। তারা কীসের জন্য জনগণকে ঘরে থাকতে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে লেকচার দেবে না? ৮. মহামারির সময়টা কোনো দলাদলির নয় বিধায় বিএনপি নিজের উদ্যোগে খাদ্য তৈরি করে গরিব মানুষের ঘরে পৌঁছে দেওয়ার একটা প্রচেষ্টা নিতেই পারতো। ৯. বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক অঙ্গ সংগঠন রয়েছে। সেই দলের নেতাদের দিয়ে এলাকাভিত্তিক করোনা থেকে সাধারণ মানুষকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ভালো দিকগুলো বোঝাতে পারতো। ১০. বিএনপির বয়স্ক নেতারা তাদের দলের তরুণ ও কর্ম উদ্যোগী নেতাদের সামনে দিয়ে নিজেদের পিছিয়ে নিতে পারতেন। এই বয়স্ক নেতারা নিজেরাও মাঠে নামবেন না আবার তরুণ নেতাদের সামনে বাধার দেওয়াল হয়ে থাকবেন, এটা কুরুচির কাজ যারে দেশপ্রেম বলে না। মোদ্দা কথা বিএনপি বাস্তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমালোচনা করা ছাড়া আর কোনো কাজ করেনি। অংশবিশেষ। পুরো লেখাটি পড়–ন লেখকের ফেসবুকে

  • সর্বশেষ