প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনাভাইরাস: নিউ ইয়র্কে সাবেক সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলামের মৃত্যু

বিডিনিউজ ২৪:[২]  যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং আওয়ামী লীগের মৌলভীবাজার-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মারা গেছেন।

[৩] স্থানীয় সময় শনিবার নিউ ইয়র্ক সিটির কুইন্সের এলমহার্স্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭৭ বছর বয়সী এ সংসদ সদস্যের মৃত্যু হয় বলে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে।

[৪] সাবেক এ সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি এম এ সালাম, নিউ ইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি আব্দুল কাদের মিয়াসহ অনেকেই।

[৫] এলমহার্স্ট হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়, একইদিন সন্ধ্যায় কুইন্স হাসপাতালে করোনাভাইরাসে মারা গেছেন আরেক বাংলাদেশি প্রকৌশলী নারী তাহমিনা ইসলাম খান (৩০)।

[৬] জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলা সদরের সন্তান তাজুল ইসলাম খানের কন্যা তাহমিনা ২০১৮ সালের ১৯ ডিসেম্বর অভিবাসী ভিসায় নিউ ইয়র্কে আসার আগে রাজধানী ঢাকার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক পাস করেছিলেন।

[৭] এদিকে, ৫ এপ্রিল রোববার নিউ ইয়র্ক সিটির কুইন্স এবং ব্রুকলিনে কামাল আহমেদ (৬৬), রাফায়েল (৪৫), বাবুল (৬০), আতাউর রহমান (৫৬) নামক ৩ বাংলাদেশীর মৃত্যুর সংবাদ দিয়েছেন স্বজনেরা।

[৮] এ নিয়ে নিউইয়র্ক অঞ্চলে কমপক্ষে ৭৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেল ১৪ মার্চ থেকে।
এদিকে, নিউইয়র্ক সিটি মেয়র বিল ডি ব্লাসিয়োর করোনাভাইরাস-সমন্বয়কারী অফিস থেকে ৫ এপ্রিল রোববার সন্ধ্যায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানানো হয়, এবছর একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা-বিজ্ঞানী নূরন্নবীর পুত্র আদনান এবং পুত্রবধূ নিকল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরও সুস্থ হয়েছেন।

একইভাবে সপ্তাহ দুয়েক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত থাকার পর হাসপাতাল ত্যাগে সক্ষম হয়েছেন বিএনপিনেতা খালেক আকন্দ এবং তার পুত্র। খালেক আকন্দ ছিলেন ব্রুকলিনের ব্রুকডেল হাসপাতালে।

এদিকে, ১৯ মার্চ থেকে লকডাউনে থাকা নিউ ইয়র্কসহ সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসীরাও অসহায়বোধ করছেন। মার্কিন কংগ্রেসে পাশ হওয়া দুই দশমিক দুই ট্রিলিয়ন ডলারের করোনাভাইরাস-প্রণোদনা বিলের পরিপ্রেক্ষিতে বেকার হয়ে পড়া লোকজন কিছুটা স্বস্তিবোধ করলেও গৃহবন্দিত্বের যন্ত্রণা মোটেও কমেনি। স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা অনলাইনে ক্লাস অব্যাহত রাখলেও মে এবং জুন মাসে যারা গ্র্যাজুয়েশনের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, তারাও প্রচণ্ডভাবে হতাশ হয়ে পড়েছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত