প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

টাকা, নাকি হৃদয় নেই?

ডা. আসিফ নজরুল : আমার বাসায় বিভিন্ন কাজে সহায়তার জন্য ড্রাইভারসহ মানুষ ছিলো চারজন। এর মধ্যে তিনজনকে মার্চ মাসের বেতন দিয়ে ছুটি দিয়েছি ২০ মার্চের দিকে। এপ্রিলে যদি তারা না আসতে পারেন পুরো বেতন ফ্লেক্সি করে দেবো এপ্রিল শেষ হওয়ার আগে। বহু মানুষ এটা করছে, এটাই করা উচিত। আমরা পারলে গার্মেন্টেসের মালিকরা এটা করতে পারলেন না কেন? বিশেষ করে বড় বড় মালিকরা? নানাভাবে তারা হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। জরুরি পরিস্থিতিতে তাদের শ্রমিকদের ২-৩ মাসের বেতন দেওয়ার মতো সামর্থ্য তাদের আছে। তাহলে কেন তারা মার্চ মাসের বেতন না দিয়ে বসে আছেন এতোদিন ধরে? গার্মেন্টেসের মালিকদের অমানবিকতার নিন্দা জানাই।
করোনার সরঞ্জাম বিদেশে পাঠানোর জন্য তারা যেভাবে শ্রমিকদের শত শত কিলোমিটারজুড়ে রাজপথে বেওয়ারিশভাবে ঘোরালেন, যেভাবে করোনা ঝুঁকিতে ঠেলে দিলেন এবং যেভাবে তাদের জীবিকা নিরাপত্তা ঝুলিয়ে রেখেছেন তা আবারও তাদের নির্মমতার পরিচয় ফুটিয়ে তুললো। ছোটবেলায় পড়তাম বিহাইন্ড এভরি ফরচুন দেয়ার ইজ এ ক্রাইম। তাদের ক্রাইম তো কোনোদিনও শেষ হবে বলে মনে হয় না। গার্মেন্টস মালিকদের নিন্দা জানানো সবার উচিত। উচিত তাদের বেনিয়া মনোবৃত্তির বিরুদ্ধে সংগঠিতভাবে রুখে দাঁড়ানো। উচিত সরকারের নিন্দা জানানো। সরকারের নীতি শৈথিল্যের সুযোগ তারা নিয়েছে। করোনাকালে এ শৈথিল্য, (ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত) নিন্দনীয় ও চরম অগ্রহণযোগ্য। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত