প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] শেষ হচ্ছে ভিসার মেয়াদ, বাংলাদেশিসহ ৪ হাজার জনকে খুঁজছে মালয়েশিয়ার পুলিশ

শেখ সেকেন্দার , মালয়েশিয়া প্রতিনিধি :[২] মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের লকডাউন ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে বহু প্রবাসীদের। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে না পারলে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবেন এসব প্রবাসীরা। অন্যদিকে মালয়েশিয়ার রাজধানীতে সম্প্রতি শেষ হওয়া তাবলীগ ইজতেমায় অংশগ্রহণ কারী বাংলাদেশিসহ প্রায় ৪ হাজার জনকে খুঁজছে সেদেশের পুলিশ।

[৩] মালয়েশিয়ায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির পিছনে তাবলীগ জামাতে অংশগ্ৰহন কারিরা বেশি বলে ধারণা করছেন সেদেশের সরকার। ঐ তাবলীগ জামাতে অংশগ্রহন কারীদের মাধ্যমেই মালয়েশিয়ায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ৪ দিন ব্যাপি ঐ ইসতেমায় ৩০টি দেশ থেকে ১৬ হাজার বিদেশীরা অংশগ্রহণ করে।

[৪] মালয়েশিয়ার সিনিয়র মন্ত্রী(সিকিউরিটি) দাতুক সেরি ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব জানান, সম্প্রতি শেষ হওয়া সেরি পেতালিংয়ের একটি মসজিদে তাবলীগ জামায়াতের অংশ গ্রহণ কারীদের বিস্তারিত আমরা সংগ্রহ করেছি। পুলিশ প্রশাসন তাদেরকে খুঁজতে শুরু করেছে।

[৫] মন্ত্রী আরো বলেন, আমরা ৩ হাজার ৮ শত জনের একটি তালিকা তৈরি করেছি। ঐ তালিকায় মালয়েশিয়ান নাগরিকরা ছাড়াও রয়েছে রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং অন্যান্য দেশের নাগরিক। তবে তার মধ্যে কতজন বাংলাদেশী আছে তা প্রকাশ করা হয়নি। যাদের মধ্যে অনেকের মালয়েশিয়ায় চলাচলের বৈধতা নেই। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে আমরা বিদেশি অভিবাসীদের জন্য চিকিৎসা ব্যাবস্তায় বৈধ অবৈধর সুযোগ দিয়েছি। যাদের বৈধতা নেই, তাদের ভয়ের কোন কারণ নেই। তারা কোন বাধা ছাড়াই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে পারবে।

[৬] এসময় তিনি আরো বলেন, আমরা তাবলীগ জামাতে অংশ গ্ৰহনকারিদের স্বইচ্ছায় পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করতে অনুরোধ করছি, তা না হলে পুলিশ তাদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান শুরু করবে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ৬০% ইজতেমায় অংশগ্রহণকারী। এছাড়াও নিহতদের মধ্যে ৮ জন ইজতেমায় অংশগ্রহণকারী নাগরিকরা। এদিকে চলমান লকডাউনে আইন অমান্যকারী ২৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

[৭] মালয়েশিয়ার কমিউনিটি নেতারা বলেন, এখনি মালয়েশিয়ার সরকারের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা না করলে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে বাংলাদেশিদের জন্য। এদিকে মালয়েশিয়ায় এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬২৪ জনে। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন ১৮৩ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ১৫ জন। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত