প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে লক্ষ্য করা গেছে অসহায়ত্ব আর উদ্বেগ !

রাজু চৌধুরী: [২] করোনা ভাইরাস নিয়ে চারিদিকে আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠা আর এর মধ্যেই চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন প্রায় সাড়ে ৫ হাজার ভোট গ্রহনকারী কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এবং দেশে চারিদিকে জনসমাগম না হওয়ার নির্দেশনার মধ্যেও শুরু হয়েছে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।শুক্রবার (২০ মার্চ) থেকে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের ছয়দিনের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে গড়ে এক হাজারেরও বেশি লোকের সমাগম হয়েছে। রিটার্নিং অফিসারে কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, অতিরিক্ত ৫ শতাংশসহ মোট ১৬ হাজার ১৬৩ জন ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ হবে। তিন ধাপে এই প্রশিক্ষণ চলবে ২৫ মার্চ পর্যন্ত। দুইদিন করে প্রশিক্ষণের প্রতি ধাপে সাড়ে ৫ হাজার করে কর্মকর্তা অংশ নেবেন। প্রথমদিনে দক্ষিণ পাহাড়তলী, জালালাবাদ, পাঁচলাইশ, চান্দগাঁও, মোহরা, পূর্ব ষোলশহর, উত্তর পাহাড়তলী, উত্তর কাট্টলী, পাহাড়তলী, পাঠানটুলি, পূর্ব মাদারবাড়ি ও গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ডের ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ হচ্ছে। জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত অতিরিক্ত ৫ শতাংশ বাদে মোট ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তা ১৫ হাজার ৩৯৩ জন। এর মধ্যে প্রিজাইডিং অফিসার ৭৩৫ জন, ৫ শতাংশ অতিরিক্তসহ ৭৭২ জন। সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার ৪ হাজার ৮৮৬ জন, ৫ শতাংশ অতিরিক্তসহ ৫ হাজার ১৩০ জন, পোলিং অফিসার ৯ হাজার ৭৭২ জন, ৫ শতাংশ অতিরিক্তসহ ১০ হাজার ২৬১ জন। এদিকে প্রথম ধাপে উপস্থিত কর্মকর্তাদের মধ্যে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে আতঙ্ক লক্ষ্য করা গেছে। প্রশিক্ষণে উপস্থিত হওয়া প্রশিক্ষণার্থী ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তারা এবং প্রশিক্ষক নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের মধ্যেও সবার চেহারায় ফুটে ওঠে অসহায়ত্ব আর উদ্বেগ। নগরীর কুলগাঁও সিটি কর্পোরেশন স্কুল এন্ড কলেজ, সিডিএ পাবলিক স্কুল, খাজা আজমেরি উচ্চ বিদ্যালয় এবং পাহাড়তলী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ এই চারটি ভোটকেন্দ্রে প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।শুক্রবার সকালে গিয়ে দেখা গেছে, প্রশিক্ষণার্থী অধিকাংশেরই নেই প্রতিরোধমূলক কিছু। মূলত ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহার ও ভোটগ্রহণ পদ্ধতি হাতেকলমে শেখাচ্ছেন প্রশিক্ষকরা। একেকটি ইভিএম ঘিরে ১০-১৫ জনের জটলা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রশিক্ষণের আয়োজন নিয়ে অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, সরকারের নির্দেশ তো না মেনে পারি না। তবে আমরা এতগুলো মানুষকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলা সত্যি উদ্বেগজনক। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষক এবং প্রশিক্ষণার্থী কারও জন্যই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবেলার প্রাথমিক প্রতিরোধমূলক কোনো ব্যবস্থাও নেওয়া হয়নি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত