প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের বাগানে পপি চাষ, কর্তৃপক্ষ বললেন, তারা কিছু জানে না

রাবি প্রতিনিধি : [২] বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের ১১টি আবাসিক হলের পাঁচটিতেই পপি গাছ রয়েছে। হলগুলোর বিভিন্ন ফুল গাছের সঙ্গে এগুলোও রয়েছে। অন্য গাছের আড়ালে থাকায় ভালোভাবে লক্ষ্য না করলে বোঝার উপায় নেই। এরই মধ্যে অধিকাংশ পপি গাছে লাল-সাদা রঙের ফুল এসেছে। আবার কিছু গাছে ফলও ধরেছে।

[৩] বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রথম ও দ্বিতীয় ব্লকের মাঝের বাগানে ৩০-৪০টি, মাদার বখ্শ হলে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বøকের মাঝের বাগানে ৮-১০টি, শহীদ শামসুজ্জোহা হলের বাগানে শ খানেক, সৈয়দ আমীর আলী হলের বাগানে ২০টি এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ভেতরের বাগানে ছয়-সাতটি পপির গাছ রয়েছে। এ ছাড়া শাহ মখদুম হল ও শহীদ শামসুজ্জোহা হলের বাগানে একটি করে গাঁজার গাছও পাওয়া গেছে।

[৪] হলগুলোতে দায়িত্বরত মালিদের দাবি, সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য বাগানে অনেক আগে পপি গাছ লাগানো হয়েছিল। পরে সেগুলো তুলে ফেলা হয়। ওই বীজ থেকেই বর্তমান গাছগুলো হয়েছে। নতুন করে গাছ লাগানো হয়নি।

[৫] জিয়াউর রহমান হলের মালি মো. সানাউল্লাহ বলেন, বাগানে বিভিন্ন জাতের ফুলগাছ রয়েছে। এ বছরও অনেক ফুলগাছ নতুন করে লাগানো হয়েছে। পপি গাছ লাগানো হয়নি। এসব গাছ অনেক আগে লাগানো হয়েছিল। হল প্রশাসনের নির্দেশে সে সময় পপি গাছগুলো তুলে ফেলা হয়।

[৬] মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাজশাহী কার্যালয়ের উপপরিচালক লুৎফর রহমান বলেন, দুই প্রজাতির পপি গাছ রয়েছে। এর একটি থেকে রস সংগ্রহ করা যায়, আরেকটি থেকে যায় না। তবে উভয় ধরনের পপি চাষই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

[৭] বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, ‘পপি নিষিদ্ধ কিনা আমার জানা নেই। আমি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করব। নিষিদ্ধ হলে ক্যাম্পাসে চাষের সুযোগই নেই।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত