শিরোনাম
◈ শহরে নয়, এবার গ্রামমুখী হতে হবে শিক্ষকদের: শিক্ষামন্ত্রী ◈ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন: চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, সরগরম এফডিসি ◈ সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দেশে বছরে নতুন ক্যান্সার রোগী প্রায় ১ লাখ ৬৭ হাজার, ৪৮৫টি এক্স-রে ও ৩৯৫টি আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন অকেজো ◈ ইরান যুদ্ধ সংক্রান্ত 'জরুরি প্রয়োজনে' কংগ্রেসের কাছে ৮ হাজার ৭০০ কোটি ডলার চাইলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প  ◈ রাতের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ◈ ‘না গিলতে পারছি, না ফেলতে পারছি’ : অর্থমন্ত্রী ◈ তারেক রহমানের চীন সফরে বড় অগ্রগতি, সই হলো ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক ◈ ক্যাশলেস অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ, ১ জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর ◈ চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শুরু, ১৫ সমঝোতা স্মারকে সই করবে বাংলাদেশ ◈ চীনা কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে তাদের ভ্যালুচেইন সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ১৬ মার্চ, ২০২০, ০৬:৪৪ সকাল
আপডেট : ১৬ মার্চ, ২০২০, ০৬:৪৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোয়ারেন্টাইনে শিথিলতা আত্মঘাতী

ইকবাল আনোয়ার: যদি রোগাক্রান্ত কোনো দেশ থেকে কেউ করোনা নিয়ে আসে, তবে : ক. থার্মাল টেস্টে যেমন নিশ্চিত হওয়া যাবে না। খ. তার কাছে ‘রোগ নেই সার্টিফিকেটে’ থাকলেও তা দিয়ে লাভ হবে না (অনেক দেশ খামোখাই এর উপর জোর দিয়েছে)। বাঁচার একমাত্র উপায় হলো অন্তত ১৪ দিন, কেননা আক্রান্ত ব্যক্তির এ সময়ের মধ্যে রোগ দেখা দেবে (রোগ দেখা দিলে তার কোয়ারেন্টাইনকাল কোভিড-১৯ নিগেটিভ হওয়া পর্যন্ত বাড়বে, এ নেগেটিভ মানে তিনি সুস্থ হয়েছেন এবং তার দেহে জীবাণু অর্থাৎ এন্টিজেন আর নেই এখন, এর বদলে জীবাণুবিরোধী প্রোটিন অর্থাৎ এন্টিবডি তার রক্তে তৈরি হয়ে গেছে। কতোদিনের মধ্যে রোগ প্রকাশ পাবে তার একটা নিকটতম ও দূরতম সীমা আছে, গবেষণায় ২- ১৪ দিন পাওয়া গেছে বলে আমরা তো কমপক্ষে ১৪ দিন ধরবোই। কিন্তু ভাইরাসের স্বরূপ এখনো বোঝা যায়নি। এটা তার ধর্ম পরিবর্তন করছে। তার ইনকোভেশনকালও এখন পরিবর্তন হতে পারে ( থাক সে তর্ক)। ১৪ দিনই ঠিক করা হয়েছে বিশ্বে।

কোয়ারেন্টাইনকালে আগত ব্যক্তিকে বাসস্থান, খাদ্য ও চিকিৎসার সুযোগসহ ন্যূনতম হলেও রুচিসম্মত স্থানে (জনবহুল স্থান থেকে দূরে) রাখতে হবে। যেন সে থাকতে চায়। রোগ থেকে বাঁচার এটাই উপায়। কোয়ারেন্টাইনে শিথিলতা দেখালে তা হবে আত্মঘাতী। স্মরণ রাখা দরকার আজ পৃথিবীময় এ রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটার পেছনে ছিলো মাত্র একজন মানুষের কাশি বা হাঁচি বা তার থেকে নির্গত রস অন্য সুস্থ একজনের দেহে চোখ মুখ বা নাক দিয়ে প্রবেশের মাধ্যমে। এটা ‘অল অর নান’ এর মতো। একজন থেকে গেলেই আবার ছড়াবে। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়