প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কোয়ারেন্টাইনে শিথিলতা আত্মঘাতী

ইকবাল আনোয়ার: যদি রোগাক্রান্ত কোনো দেশ থেকে কেউ করোনা নিয়ে আসে, তবে : ক. থার্মাল টেস্টে যেমন নিশ্চিত হওয়া যাবে না। খ. তার কাছে ‘রোগ নেই সার্টিফিকেটে’ থাকলেও তা দিয়ে লাভ হবে না (অনেক দেশ খামোখাই এর উপর জোর দিয়েছে)। বাঁচার একমাত্র উপায় হলো অন্তত ১৪ দিন, কেননা আক্রান্ত ব্যক্তির এ সময়ের মধ্যে রোগ দেখা দেবে (রোগ দেখা দিলে তার কোয়ারেন্টাইনকাল কোভিড-১৯ নিগেটিভ হওয়া পর্যন্ত বাড়বে, এ নেগেটিভ মানে তিনি সুস্থ হয়েছেন এবং তার দেহে জীবাণু অর্থাৎ এন্টিজেন আর নেই এখন, এর বদলে জীবাণুবিরোধী প্রোটিন অর্থাৎ এন্টিবডি তার রক্তে তৈরি হয়ে গেছে। কতোদিনের মধ্যে রোগ প্রকাশ পাবে তার একটা নিকটতম ও দূরতম সীমা আছে, গবেষণায় ২- ১৪ দিন পাওয়া গেছে বলে আমরা তো কমপক্ষে ১৪ দিন ধরবোই। কিন্তু ভাইরাসের স্বরূপ এখনো বোঝা যায়নি। এটা তার ধর্ম পরিবর্তন করছে। তার ইনকোভেশনকালও এখন পরিবর্তন হতে পারে ( থাক সে তর্ক)। ১৪ দিনই ঠিক করা হয়েছে বিশ্বে।

কোয়ারেন্টাইনকালে আগত ব্যক্তিকে বাসস্থান, খাদ্য ও চিকিৎসার সুযোগসহ ন্যূনতম হলেও রুচিসম্মত স্থানে (জনবহুল স্থান থেকে দূরে) রাখতে হবে। যেন সে থাকতে চায়। রোগ থেকে বাঁচার এটাই উপায়। কোয়ারেন্টাইনে শিথিলতা দেখালে তা হবে আত্মঘাতী। স্মরণ রাখা দরকার আজ পৃথিবীময় এ রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটার পেছনে ছিলো মাত্র একজন মানুষের কাশি বা হাঁচি বা তার থেকে নির্গত রস অন্য সুস্থ একজনের দেহে চোখ মুখ বা নাক দিয়ে প্রবেশের মাধ্যমে। এটা ‘অল অর নান’ এর মতো। একজন থেকে গেলেই আবার ছড়াবে। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত