শিরোনাম
◈ ক্রিকবাজের দাবি: আপাতত বাংলাদেশের অনুরোধে সাড়া দেয়নি আইসিসি ◈ রাজধানীতে আরেক হত্যাকাণ্ড: কদমতলীতে ভাঙারি ব্যবসায়ী নিহত ◈ ঢাকা-১৭ এ তারেক রহমানের প্রার্থিতা: ভোটের মাঠে নতুন হিসাব ◈ পুশইন, হাদি হত্যা ও ভিসা সংকটে টানাপোড়েন: বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক কোথায় গিয়ে দাঁড়াল ◈ কোনো বাপের বেটা নেই আমাকে থামাতে পারে: রুমিন ফারহানা (ভিডিও) ◈ ভারতে বসে হাদি হত্যার নির্দেশ: অভিযোগপত্রে উঠে এলো কার কী ভূমিকা ◈ আবাসন ঋণের সর্বোচ্চ সীমা পুনর্নির্ধারণ করল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ ভারত বা‌দে যেখানেই খেলা হোক, প্রস্তুত বাংলাদেশ দল ◈ পোস্টাল ব্যালটে ১৫ লাখ ভোটার, বদলে যেতে পারে নির্বাচনের সমীকরণ ◈ বিদেশি পর্যবেক্ষকদের খরচ বহনের ‘বৈষম্যমূলক’ সিদ্ধান্ত বাতিল চায় টিআইবি

প্রকাশিত : ১৩ মার্চ, ২০২০, ০৪:৫৩ সকাল
আপডেট : ১৩ মার্চ, ২০২০, ০৪:৫৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন, ‘কোথাও মহামারী দেখা দিলে এবং সেখানে তোমরা থাকলে, সেই জায়গা থেকে চলে এসো না

লুৎফর রহমান হিমেল : চীন করোনা আক্রান্ত মহামারী এলাকায় জনচলাচল বন্ধ করে দিয়ে ‘লকডাউন’ করে চিকিৎসা ব্যবস্থায় জোর দিয়েছিলো। এখন তারা অনেকটাই বিপদ কাটিয়ে উঠেছে। উহানসহ কয়েকটি এলাকার মিল-ফ্যাক্টরি খোলারও খবর মিলছে। মহামারীতে এই যে জনচলাচল বন্ধ করে দেওয়ার প্রক্রিয়া, এটি বিজ্ঞানসম্মত একটি পদক্ষেপ। নানা ধর্মেও এর স্বপক্ষে প্রমাণ পাওয়া যায়। ধর্ম তো মানুষের জন্যই। ইসলাম ধর্মেও এই মহামারী নিয়ে নির্দেশনা দেওয়া আছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) মহামারীর সংক্রমণ রোধে আক্রান্ত অঞ্চলে যাতায়াত নিষিদ্ধ করেছেন। মুমিন ঈমান ও ইখলাসের সঙ্গে ধৈর্য ধারণ করার কথা বলেছেন। মহানবী (সা.) এ ব্যাপারে বলেন, ‘কোথাও মহামারী দেখা দিলে এবং সেখানে তোমরা অবস্থানরত থাকলে সে জায়গা থেকে চলে এসো না। অন্যদিকে কোনো এলাকায় এটা দেখা দিলে এবং সেখানে তোমরা অবস্থান না করলে সে জায়গায় যেও না’। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ১০৬৫)
অর্থাৎ মহামারী দেখা দিলে ওই এলাকায় না-যাওয়া, কিংবা উপদ্রুত এলাকা থেকে বাইরে বের হয়ে আসা সঠিক কাজ নয়। পরিস্থিতির উত্তরণ না ঘটা পর্যন্ত যার যার অবস্থানে স্থির থাকা উচিত। এতে ক্ষয়ক্ষতি কমানো যাবে। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়