শিরোনাম
◈ ন‌ভেম্ব‌রে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ  ◈ আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা পুনঃতদন্ত করতে নতুন করে কমিশন গঠন করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকার ৪ ধরনের শিক্ষার্থীকে ভাতা দেবে: কারা পাবেন, কীভাবে আবেদন করবেন? ◈ সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে প্রবেশের নির্দেশ, বিনা অনুমতিতে বাইরে নয়: আইন মন্ত্রণালয় ◈ ১২ মার্চ সকাল ১১ টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ◈ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ পাচ্ছেন যাঁরা ◈ ঢাকা দক্ষিণ থেকে সিটি নির্বাচন করব : ইশরাক হোসেন ◈ সংস্কার, বাণিজ্য ও অভিবাসন: ইইউর সঙ্গে নতুন সম্পর্কের সুযোগ বাংলাদেশের ◈ বাংলাদেশ তার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে, অন্য দেশের হস্তক্ষেপ চাই না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৩ মার্চ, ২০২০, ০৪:৫৩ সকাল
আপডেট : ১৩ মার্চ, ২০২০, ০৪:৫৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন, ‘কোথাও মহামারী দেখা দিলে এবং সেখানে তোমরা থাকলে, সেই জায়গা থেকে চলে এসো না

লুৎফর রহমান হিমেল : চীন করোনা আক্রান্ত মহামারী এলাকায় জনচলাচল বন্ধ করে দিয়ে ‘লকডাউন’ করে চিকিৎসা ব্যবস্থায় জোর দিয়েছিলো। এখন তারা অনেকটাই বিপদ কাটিয়ে উঠেছে। উহানসহ কয়েকটি এলাকার মিল-ফ্যাক্টরি খোলারও খবর মিলছে। মহামারীতে এই যে জনচলাচল বন্ধ করে দেওয়ার প্রক্রিয়া, এটি বিজ্ঞানসম্মত একটি পদক্ষেপ। নানা ধর্মেও এর স্বপক্ষে প্রমাণ পাওয়া যায়। ধর্ম তো মানুষের জন্যই। ইসলাম ধর্মেও এই মহামারী নিয়ে নির্দেশনা দেওয়া আছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) মহামারীর সংক্রমণ রোধে আক্রান্ত অঞ্চলে যাতায়াত নিষিদ্ধ করেছেন। মুমিন ঈমান ও ইখলাসের সঙ্গে ধৈর্য ধারণ করার কথা বলেছেন। মহানবী (সা.) এ ব্যাপারে বলেন, ‘কোথাও মহামারী দেখা দিলে এবং সেখানে তোমরা অবস্থানরত থাকলে সে জায়গা থেকে চলে এসো না। অন্যদিকে কোনো এলাকায় এটা দেখা দিলে এবং সেখানে তোমরা অবস্থান না করলে সে জায়গায় যেও না’। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ১০৬৫)
অর্থাৎ মহামারী দেখা দিলে ওই এলাকায় না-যাওয়া, কিংবা উপদ্রুত এলাকা থেকে বাইরে বের হয়ে আসা সঠিক কাজ নয়। পরিস্থিতির উত্তরণ না ঘটা পর্যন্ত যার যার অবস্থানে স্থির থাকা উচিত। এতে ক্ষয়ক্ষতি কমানো যাবে। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়