প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]ব্রিটিশ নাগরিকদের আতঙ্কিত হয়ে অস্বাভাবিক কেনাকাটা না করতে বরিস জনসনের অনুরোধ

[২] শপিংমলের স্টোরগুলোর তাক একের পর এক খালি করে ফেলছেন আতঙ্কিত ক্রেতারা। ব্রিটেনের ওষুধের দোকানে প্যারাসিটামল পর্যন্ত নেই। খাবারের দোকানগুলোর অবস্থা আরো খারাপ, ক্রেতা আছে পণ্য নেই। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন তাই হাতজোড় করে ব্রিটিশ নাগরিকদের বলেছেন স্বাভাবিক কেনাকাটা করতে। এও বলেছেন আতঙ্কের কিছু নেই যতই পরিস্থিতি নাজুক হোক না কেনো। ডেইলিমেইল/সিএনএন/দি সান/আইটিভি

[৩] আইটিভিকে এক সাক্ষাতকারে বরিস বলেন, ব্রিটেনে ব্যবসার সমর্থনে করোনাভাইরাস সংকটেও যা যা প্রয়োজন তা করা হবে। কিন্তু আতঙ্ক পেয়ে বসেছে দেশটির সাধারণ মানুষের মাঝে। হাত ধোঁয়ার সাবান, জেল, টয়লেট পেপার, টিনজাত খাবার, চাল, পাস্তা পর্যন্ত টেসকো, আসডা, মরিসননের স্টোরের তাক থেকে উধাও।

[৪] উৎপাদকরা তাদের পণ্য উৎপাদন কয়েকগুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। সুপারমার্কেটগুলোতে বাড়তি হোম সার্ভিস দেয়ার চাপও বাড়ছে। ওকাডো ক্রেতাদের বলেই দিয়েছে অর্ডার পাওয়ার তিনদিন পর তাদের পক্ষে পণ্য সরবরাহ করা সম্ভব হবে। বুটস এন্ড সুপারড্রাক, ওয়েটরোজ’এর মত নামিদামি স্টোরগুলো ক্রেতাদের সামলাতে মাত্র একবার ক্রয়াদেশ নিতে রাজি হচ্ছে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত