শিরোনাম
◈ জনগণকে সঙ্গে নিয়েই দেশ এগিয়ে নিতে চাই: তারেক রহমান ◈ মিয়ানমার সংলগ্ন সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই শিশু মারা গেছে ◈ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তরুণ ভোট, নৌকা সমর্থকসহ যেসব 'ফ্যাক্টর' হিসাব পাল্টে দিতে পারে ◈ সূর্যের তীব্র ক্ষোভে বিপদের আশঙ্কা, ভারতে বড় ধরনের রেডিও ব্ল্যাকআউটের সতর্কবার্তা ইসরোর ◈ নির্বাচন উপলক্ষে দুই দিন বন্ধ থাকবে দেশের সব বাণিজ্যবিতান ও শপিংমল ◈ যুক্তরাস্ট্র ও অ‌স্ট্রেলিয়াসহ বি‌ভিন্ন দে‌শে যেতে বাংলাদেশিদের 'ভিসা সংকট' কাটছে না কেন?  ◈ কারাগারে মারা গেলেন সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী এমপি রমেশ চন্দ্র সেন ◈ ভার‌তের চেতন শর্মা বল‌লেন, বাংলাদেশের নির্বাচনের পর সিদ্ধান্ত বদলাবে পাকিস্তান ◈ ভোটের মাঠে বাকযুদ্ধ, দিশেহারা ভোটাররা ◈ ই‌ত্তিহা‌দের বিরু‌দ্ধে জয় পে‌লো আল নাসর, এবা‌রো খেল‌লেন না রোনালদো

প্রকাশিত : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৬:৩৬ সকাল
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৬:৩৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পলিটিক্যাল ইসলামের দৌরাত্ম্যে দেশে ইসলাম ধর্মের চর্চা, লালন-পালন ঈমান, আমল, ক্ষতিগ্রস্ত-বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে

 

মুনশি জাকির হোসেন : পলিটিক্যাল ইসলামের দৌরাত্ম্যে দেশে ইসলাম ধর্মের চর্চা, লালন-পালন, ঈমান, আমল, ক্ষতিগ্রস্ত-বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে, হচ্ছে এবং হবে। ২১ ফেব্রুয়ারি পালনে বাণিজ্যিকীকরণে বাংলা ভাষার ক্রম অধঃপতন হচ্ছে। এমনকি অফিস-আদালত-সরকারি দপ্তরেও বাংলা ভাষাকে এক অচ্ছুৎ-নিচু জাতের ভাষা মনে করা হয়। রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার, সর্বত্র ইংরেজি নামে সাইনবোর্ড/নাম ফলকের আধিপত্য বিরাজমান। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নাম, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর নাম কেন ইংরেজিতে করা হলো? সবচেয়ে খারাপ-জঘন্য দিক হলো স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষাকে নিচু জাতের ভাষা জ্ঞান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে কেউ বাংলা ভাষায় গবেষণা সম্পন্ন করেছে এটি কেউ বলতে পারবে না
২. হাজী শরীয়ত উল্লাহ ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে রাজনৈতিক ফতোয়া দিয়েছিলেন, পরাধীন মুসলমানদের জন্য ঈদের নামাজ ফরজ না। চলমান বাংলাদেশে, স্বাধীন দেশের ৫ দশকে এসে, ভাষা আন্দোলনের ৭ দশকে এসে ২১ ফেব্রুয়ার/ভাষা দিবস পালন এখন কার্যত অর্থহীন। আমরা কতোটা স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। যেখানে মাতৃভাষা/রাষ্ট্রভাষার প্রশ্নে নিজ দেশের সংবিধান এবং সংসদের আইন অকার্যকর/অচল। যে দেশের উচ্চ আদালতে রাষ্ট্র ভাষাকে ঘৃণা করা হয়, যে দেশের আমলা তৈরির কারখানায় জনগনের ভাষাকে নিচু জাতের ভাষা জ্ঞান করা হয় সেই দেশে তথা কথিত এই ভাষা দিবস পালন একটি নির্লজ্জ, অসহায় আত্মসমর্পণের বিষয়বস্তু। হটকারী বাঙালের আরেক অত্মশ্লাঘা হলো ২১ ফেব্রুয়ারি নাকি এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

বাতির নিচে যেমন অন্ধকার থাকে তেমনি এই জাতি/এই রাষ্ট্র/এই সরকার সম্মিলিতভাবে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে নিজ দেশের আইন, আদালত, অফিস, শিক্ষালয়ে নিজ ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে। এ সব সম্মিলিত ব্যর্থতার জন্য সম্মিলিতভাবে জনগণের নিকট শর্তহীন ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত। যেমনটি গত বছর প্রধান বিচারপতি করেছিলেন। এতো বড় একটি সাংস্কৃতিক সংকটকে কেউ সংকট মনে করছে না। না করছে ছাত্র সংগঠনগুলো, না করছে রাজনৈতিক দলগুলো। আর আরবান এলিট, বুর্জোয়া শ্রেণি তো দূরের বস্তু। অন্যদিকে কাঠ মোল্লার দল প্রতি তিন-পাঁচ ওয়াক্ত এই ভাষা দিবস, ভাষার বিরুদ্ধে বিষোদগারের হুলিয়া জারি রেখেছে। বিভিন্ন কারণে দেশটা ভ- চাষের উর্বর ভূমি। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়