শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের সফর অনিশ্চিত, কোন পথে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক? ◈ বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেনে বড় লাফ ◈ ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির বিজ্ঞাপন হ্যাকারদের, ডলার দাবি ◈ হাদি হত্যাকাণ্ড: পরিকল্পনা থেকে দেশত্যাগ, তদন্তে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ অতিরিক্ত আইজিপি হলেন পাঁচ কর্মকর্তা ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ চিনিতে লোকসান গুনেও অ্যালকোহলে ১৬৫ কোটি টাকা মুনাফা কেরুর ◈ গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকারদের জন্য নতুন অধিদপ্তর গঠনের সিদ্ধান্ত ◈ দুই বছর পর খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কম খরচে ২৫ এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর নতুন উদ্যোগ ◈ ব্রাজিল ফুটবল দল বাংলাদেশের বিরু‌দ্ধে খেলতে চায়

প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৮:৪১ সকাল
আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৮:৪১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্বস্তিতে ফিরেছে সবজির বাজার, মাছ-মাংসের দাম অপরিবর্তিত

রাজু আলাউদ্দিন : শীতের প্রধান সবজি ফুলকপি-বাঁধাকপি আর শিম। শীতকালীন এই সবজিগুলো দিয়ে কাঁচাবাজার ভরপুর থাকে। দাম চলে আসে একেবারে হাতের নাগালে।

রাজধানীর কল্যাণপুর কাঁচাবাজারে প্রতিটি ফুলকপি-বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। আর প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। অথচ প্রতিবছর এই সময় সিম বিক্রি ২০ থেকে ২৫ টাকায়। আর ফুলকপি-বাঁধাকপি পাওয়া যেত ১০ থেকে ১৫ টাকায়।

শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মিরপুর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, আগারগাঁও, তালতলা, কল্যাণপুর ও কারওয়ান বাজার ঘুরে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিকে বাজারে প্রতিটি তরতাজা দেশি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। এছাড়া গাজর ও শসা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। নতুন আলু ২০ টাকা, মুলা ৩০ টাকা, শালগম ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা পেঁপে ৩০ টাকা, টমেটো ৩০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা ও সিমের বিচি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে অন্যান্য পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকলেও আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। আগে প্রতি কেজি চীনা পেঁয়াজ ৭০ টাকা এবং পাকিস্তান ও মিয়ানমারের পেঁয়াজ ১০০ টাকা ছিল। সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়ে চীনা পেঁয়াজ ১০০ টাকা ও আমদানি করা অন্য পেঁয়াজ ১১০ টাকা হয়েছে। দেশি পেঁয়াজ মানভেদে ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে আদা ও রসুনের দাম যেমন ঊর্ধ্বগতি ছিল তা এখনো কমেনি। চায়না থেকে আমদানি করা প্রতি কেজি রসুনের দাম ১৯০ টাকা, দেশি রসুন ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চায়না থকে আমদানিকৃত প্রতি কেজি আদা ১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তবে চায়নার আদা-রসুনের দাম বাড়তি রয়েছে। দেশি রসুন বাজারে আসতে শুরু করেছে। এতে রসুনের দাম কিছুটা কমতে পারে।

মাংসের বাজারে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতো মাংসের দাম একই রকম রয়েছে, বর্তমান বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫৫০ টাকা, খাসির মাংস ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১২০ টাকা, কক ১৮০ টাকা, সোনালি ২১০ টাকা, দেশি মুরগি ৪৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি তেলাপিয়া মাছ ১৮০ টাকা, কৈ মাছ ২০০ টাকা, শিং মাছ ৫০০ টাকা, টেংরা মাছ ৬০০ টাকা, সরপুঁটি ২০০ টাকা, রুই মাছ ২৫০ টাকা, ছোট মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা মাছ ৫০০ টাকা, পাঙ্গাশ মাছ ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

  • সর্বশেষ