শিরোনাম
◈ নেপালের হিমবাহ ধস হিরোশিমার পারমাণবিক বিস্ফোরণের চেয়েও বেশি শক্তিশালী ছিল : রিপোর্ট ◈ ঝুলন্ত সেতু দেখতে এসে হতাশ, রাঙামাটি ছাড়ছেন পর্যটকরা ◈ আগস্টে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৩.১৪ শতাংশ ◈ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, বহু সেনা নিহতের দাবি আইআরজিসির ◈ খুলনায় মাঝ নদীতে ফেরির ধাক্কায় ট্রলারডুবি, উদ্ধার ৩৫ ◈ ভারতের ওপর নির্ভরতায় হুমকির মুখে বাংলাদেশের ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব ◈ সেপ্টেম্বরে বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ! ◈ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে সরকারের বিশেষ প্রণোদনা, ২০২৭ সালের মধ্যে স্থাপনে মিলবে সুবিধা ◈ ৪২ বছর পর নতুন বেসামরিক বিমান চলাচল বিধিমালা, বিনিয়োগ ও যাত্রীসেবায় জোর ◈ সম্পদের বিবরণ প্রকাশের শর্তে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের আহ্বান টিআইবির

প্রকাশিত : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০১:৫১ রাত
আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০১:৫১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের ৮৪তম জন্মদিন আজ

ডেস্ক রিপোর্ট : নানাভাবেই তার পরিচয় দেওয়া যায়। জাতীয় অধ্যাপক, দেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদ, লেখক ও গবেষক, ভাষাসংগ্রামী, মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারী, সংবিধানের অনুবাদক, দেশের সব প্রগতিশীল আন্দোলনের অগ্রবর্তী মানুষ ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। জন্মের ৮৩ বছর পূর্ণ করলেন জাতির বিবেকসম মানুষটি। আজ তার ৮৪তম জন্মদিন। দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস

অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের পুরো নাম আবু তৈয়ব মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান। তার জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, অবিভক্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাটে। তার পিতা হোমিও চিকিৎসক আবু তাহের মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম ও মা গৃহিণী সৈয়দা খাতুন। লেখালেখির অভ্যাস ছিল তার মায়ের। পিতামহ শেখ আবদুর রহিম ছিলেন লেখক ও সাংবাদিক। আনিসুজ্জামানরা ছিলেন পাঁচ ভাই-বোন। তার বড় বোনও নিয়মিত কবিতা লিখতেন। শিক্ষাদীক্ষা ও শিল্প-সংস্কৃতি চর্চার ঐতিহ্য ছিল তাদের পরিবারের।

তিনি চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষক। মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে গিয়ে বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবে কাজ করেন। ২০১৮ সালের জুনে দেশের তিনজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদকে পাঁচ বছরের জন্য জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেন সরকার। এর মধ্যে একজন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। বর্তমানে বাংলা একাডেমির সভাপতিরও দায়িত্ব পালন করছেন।

আনিসুজ্জামান অধ্যাপনাকে পেশা হিসেবে বেছে নিলেও লেখালেখি এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে তার নিবিড় সক্রিয়তাও রয়েছে। তার রচিত ও সম্পাদিত বিভিন্ন গ্রন্থ এ দেশের শিল্প-সংস্কৃতি ও ইতিহাসের বিবেচনায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

শিক্ষা ক্ষেত্রে, শিল্প-সাহিত্য ক্ষেত্রে, সাংগঠনিক ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আনিসুজ্জামান একুশে পদক, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, অলক্ত পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, বেগম জেবুন্নেসা ও কাজী মাহবুবউল্লাহ ট্রাস্ট পুরস্কার (১৯৯০), দেওয়ান গোলাম মোর্তাজা স্মৃতিপদক (১৯৯৩), অশোককুমার স্মৃতি আনন্দ পুরস্কার (১৯৯৪) পেয়েছেন। এ ছাড়াও তিনি পেয়েছেন ভারতীয় রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘পদ্মভূষণ’ ও রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডি. লিট সম্মাননা পেয়েছেন।

  • সর্বশেষ