প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মাস্কের বাজার হঠাৎ চড়া (ভিডিও)

নিউজ ডেস্ক : বায়ুবাহিত ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্ক ব্যবহার অনেক আগেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সম্প্রতি চীনে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের প্রভাবে বিশ্বব্যপী এই মাস্ক ব্যবহার লক্ষ্যণীয় মাত্রায় বেড়েছে। চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানুষ বায়ু দূষণের হাত থেকে বাঁচতে এবং বায়ুবাহিত ভাইরাস প্রতিরোধে পূর্বের তুলনায় বেশি মাস্ক ব্যবহার করছে। আর এতে গত দুই মাসে মাস্কের দাম বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি।

সম্প্রতি করোনাভাইরাস আতঙ্কে বাংলাদেশেও মাস্কের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এতে বাজারে সঙ্কট তৈরির পাশাপাশি কয়েকগুণ বেশি দামে পণ্যটি বিক্রি হচ্ছে।

সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, ফার্মগেট এবং মিরপুর এলাকার বড়-ছোট ফার্মেসি এবং ডিপার্টমেন্ট স্টোরে সার্জিকাল মাস্ক পাওয়া যায়নি। কাপড় এবং সিনথেটিক মাস্ক থাকলেও তার দাম আগের চেয়ে দ্বিগুণ বা তারও বেশি হাকেন বিক্রেতারা। তবুও ক্রেতাদের বেশি দাম দিয়েই মাস্ক কিনতে দেখা যায়।

ধানমন্ডি ১৫ নম্বরে ইসলাম ফার্মেসির এক বিক্রয় প্রতিনিধি জানান, মাসখানেক আগে ৩ লেয়ারের ‘ডিসপসেবল ফেস মাস্ক’ (সার্জিকাল মাস্ক) শেষ হয়ে গেছে। প্রথমে ৫ টাকা করে বিক্রি করলেও বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রভাবে হঠাৎ ঢাকাতেও মাস্কের দাম বেড়ে যায়। গত কয়েকদিনে এই মাস্ক সরবরাহ করাই সম্ভব হচ্ছে না। পাইকারি কিনতে গেলেও পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে দেশি এবং শ্রীলংকা থেকে আমদানি কাপড়ের তৈরি মাস্ক বিক্রি করা হচ্ছে। দেশি মাস্ক ২০-৩০ টাকা এবং শ্রীলংকান মাস্ক ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

ফার্মগেটের মা মেডিসিন কর্নারের একজন বিক্রয় প্রতিনিধি জানান, অনেক আগেই সার্জিকাল মাস্ক শেষ হয়ে গেছে। অনেকেই আসছেন মাস্ক কিনতে। তবে দাম বেড়ে যাওয়ায় এখন এই মাস্ক সরবরাহ করা হচ্ছে না।

মোহম্মাদপুর টাউনহল মার্কেটের সামনে ফুটপাথে বসা হকার আব্দুল মান্নান বলেন, শীতে ঢাকার বায়ুদূষণ বেড়ে যাওয়ায় এবং চীনে করোনাভাইরাসের কারণে মাস্ক বিক্রি বেড়ে গেছে। কাপড়ের মাস্ক; যেটি আগে ১০-১৫ টাকায় বিক্রি হতো সেটি এখন ৩০ টাকায় বিক্রি করছি আর সিনথেটিক মাস্ক; যেটি ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হতো সেটি এখন ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কেন হঠাৎ বেশি দামে মাস্ক বিক্রি করছেন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, পাইকারিতে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই বেশি দামে বিক্রি না করে উপায় নেই। দাম আরও বাড়তে পারে বলেও জানান তিনি।

ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নির্মলেন্দু ঘোষ বলেন, সাবধানের জন্য বেশি দাম দিয়ে হলেও মাস্ক কিনতে হচ্ছে। ফার্মেসিতে ভালো মাস্ক পাওয়া যাচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে ফুটপাথ থেকে কাপড়ের অথবা সিনথেটিক মাস্ক কিনতে হচ্ছে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত