শিরোনাম
◈ আলোচনায় অগ্রগতির দাবি: ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের ◈ ২২ দেশের ঐক্যেও হরমুজে ইরানের দাপট কেন কমানো কঠিন ◈ ভারতের বিমানবাহিনীর যেসব তথ্য হাতিয়ে নিল পাকিস্তান ◈ সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান ঘাঁটিতে ইরানের হামলার দাবি ◈ পেট্রোল পাম্প বন্ধের আশঙ্কা নেই, তবে সরবরাহ সংকটে চাপ বাড়ছে ◈ ঈদের ছুটি শেষে মঙ্গলবার খুলছে অফিস, ফিরছে কর্মব্যস্ততা ◈ ইরান যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের ৬ কঠোর শর্ত, পর্দার আড়ালে শান্তি আলোচনার প্রস্তুতি ◈ সামনে কঠিন সময়, দ্রব্যমূল্য বাড়ার আশঙ্কা—সততার পথে এগোনোর আহ্বান মির্জা ফখরুলের ◈ মুক্তিযুদ্ধ-জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে গবেষণায় ৫ থেকে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদান: নির্দেশিকা জারি ◈ আ‌র্সেনাল‌কে হা‌রি‌য়ে চার বছর পর ইএফএল কাপ জিতল ম‌্যান‌চেস্টার সি‌টি

প্রকাশিত : ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৪:০৫ সকাল
আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৪:০৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শান্তিপূর্ণ ভাবে সিএএ-র বিরোধিতা করলে দেশদ্রোহী বলা যায় না অভিমত দিল ভারতের হাইকোর্ট

রাশিদ রিয়াজ : মুম্বাই হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, 'নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে কেউ কোনও প্রশ্ন তুলতে পারবে না, এমন তো হতে পারে না। যারা শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রতিবাদ করছেন, তাঁদের স্বার্থরক্ষাও আদালতের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।'

আদালত আরও বলে, 'আমাদের ভুললে চলবে না যে অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমেই এই দেশ স্বাধীনতা অর্জন করে।'

হাইকোর্টের মতে এটা দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি যে এখনও এই দেশের মানুষকে তাদের নিজেদের সরকারের বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ করতে হয়।
কেউ শান্তিপূর্ণ ভাবে কোনও আইনের বিরোধিতা করলেই তাঁকে বিশ্বাসঘাতক বা দেশদ্রোহী বলা যায় না। জানিয়ে দিল বম্বে হাইকোর্টের অওরঙ্গাবাদ বেঞ্চ। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের অবস্থান বিক্ষোভে পুলিশি হস্তক্ষেপ খারিজ হয়ে যায়ওয়াকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মামলা করা হয়। তার প্রেক্ষিতেই এই মতামত জানান হাইকোর্ট।

মুম্বাই হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, 'নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে কেউ কোনও প্রশ্ন তুলতে পারবে না, এমন তো হতে পারে না। যারা শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রতিবাদ করছেন, তাঁদের স্বার্থরক্ষাও আদালতের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এই আদালত জানিয়ে দিতে চায় যে কেউ কোনও আইনের বিরোধিতা করলেই তাকে দেশদ্রোহী বা বিশ্বাসঘাতক বলা যায় না।' আদালত আরও বলে, 'আমাদের ভুললে চলবে না যে অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমেই এই দেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। আমরা ভাগ্যবান যে এই এখনও পর্যন্ত এই দেশের বেশিরভাগ মানুষ অহিংস আন্দোলনে বিশ্বাসী।'

মুম্বাই হাইকোর্টের মতে এটা দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি যে এখনও এই দেশের মানুষকে তাদের নিজেদের সরকারের বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ করতে হয়। এই ক্ষেত্রে আদালত কার ন্যূনতম অধিকার হরণ করা হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়