শিরোনাম
◈ যে কারণে শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে সরানো হলো নুরকে ◈ সংকট নেই বলছে সরকার, পাম্পে কেন তেলের হাহাকার? ◈ হাইপারসনিক মিসাইল নিয়ে তিন দেশে নতুন হামলা ইরানের, ২২০ মার্কিন সেনা হতাহতের দাবি ◈ মার্চে জ্বালানি সংকট হবে না: আসছে ২.৮০ লাখ টন ডিজেল, পেট্রোল-অকটেনও পর্যাপ্ত ◈ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে ভারত: ইফতার অনুষ্ঠানে প্রণয় ভার্মা ◈ ট্রাম্পের হুমকির জবাবে নতুন মার্কিন স্থাপনা খুঁজছে ইরান ◈ যুদ্ধ উত্তেজনার মাঝেই কাতারের এলএনজি ট্যাংকার বাংলাদেশের পথে: ব্লুমবার্গ ◈ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে দুবাই থেকে এমিরেটসের সব ফ্লাইট স্থগিত ◈ “বেশি বাড়াবাড়ি করলে দিল্লির সরকার ফেলে দেব”: মমতা ◈ আসিফ নজরুলের দুর্নীতি?

প্রকাশিত : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০২:১৭ রাত
আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০২:১৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ধর্ম নিয়ে কেন রেষারেষি থাকবে, বললেন প্রধানমন্ত্রী

আবুল বাশার নূরু: বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারীর সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে সংসদ নেতা শেখ হাসিনা একথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা যদি বিশ্বাস করি শেষ বিচার করবেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন, কে বেহেশত যাবে, কে দোজখে যাবে তা তো আল্লাহ নির্ধারণ করবেন। সেই বিচারটা এখন বান্দা কেন করবে। কে মুসলমান, কে মুসলমান না, কে ধর্ম পালন করে, কে ধর্ম পালন করে না সেও তো আল্লাহ বিচার করবেন। যে যা করবে তার ফল তাকেই ভোগ করতে হবে। কারও ফল তো অন্য কেউ ভোগ করে দেবে না। এ অবস্থায় কেন এই রেষারেষিটা থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্মের মধ্যে ভাগ করা, কে ভালো, কে ভালো না আমি জানি না। আমাদের নবী করিমও (সা.) একথা বলেননি। অথবা ইসলাম ধর্মও একথা বলেনি। আমি মনে করি আমাদের ইসলাম ধর্মে যারা বিশ্বাসী তারা যদি ইসলাম ধর্মকেই বিশ্বাস করে এবং নবী করিম (সা.) এর বাণী সেটাও যদি ধারণ করে, সেটাও যদি মেনে চলে তাহলে তো এই বিচারের পথে কেউ যেতে পারে না। আমি ভালো মুসলমান না উনি ভালো মুসলমান এটা বলার দায়িত্ব তো আল্লাহ কাউকে দেননি। এই বিচার করার অধিকারও কাউকে দেননি। আল্লাহ তো বারবার বলেছেন, কুরআনেও বলা আছে শেষ বিচার আল্লাহ রাব্বুল আলামিন করবেন। সেই ধৈর্যটা থাকবে না কেন। এখানে আমি বলবো যারা সত্যিকার অর্থে ইসলাম বিশ্বাস করে তারা প্রত্যেকেই যার যার ধর্ম সেই সেই পালন করবে।

তিনি বলেন, কারও ধর্মে আঘাত দিয়ে কথা না বলা, মুসলমান হয়ে মুসলমানকে আঘাত এটা যেন না করে। একই সঙ্গে অন্য ধর্মালম্বীদেরও (এটাও ইসলামের শিক্ষা) আঘাত করা যাবে না। আঘাত করা উচিত না। সুরা কাফে স্পষ্ট বলা আছে। যার যার ধর্ম তার তার কাছে। যার যার ধর্ম সেই সেই পালন করবে। সেই বিশ্বাস নিয়ে চললে এই দ্বন্ধটা থাকে না।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়