প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ফায়ার ফাইটারদের দক্ষতা বাড়াতে নীর্মিত হচ্ছে আন্তজার্তিক মানের বঙ্গবন্ধু ফায়ার একাডেমি

সুজন কৈরী: প্রধানমন্ত্রীর নীতিগত অনুমোদনের পর মুন্সীগঞ্জের গজাড়িয়ায় একাডেমির জন্য ইতিমধ্যে ৯৯ একর জমি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। দেয়া হয়েছে পরিবেশ ছাড়পত্রও।

সিঙ্গাপুর সিভিল ডিফেন্স একাডেমি বা উন্নত অন্য দেশগুলোর একাডেমির চেয়েও বঙ্গবন্ধু ফায়ার একাডেমিকে উন্নত করার চিন্তা ভাবনা করছে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ। এজন্য অধিদফতরের উর্ধতন কর্মকর্তা উন্নত দেশের ফায়ার একাডেমিগুলো পরিদর্শনে যাবেন।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা বলছেন, দেশে অগ্নিকান্ডের ঘটনা বেড়েই চলেছে। ফলে জীবনহানি, অগ্নিদগ্ধ হয়ে বেঁচে থাকা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বাড়ছে আশঙ্কাজনকভাবে। সেইসঙ্গে বাড়ছে ফায়ার ফাইটারদের পেশাগত চ্যালেঞ্জও। অগ্নিকান্ডের পর উদ্ধার অভিযানে যাওয়ার পর একটি ক্রিটিক্যাল সিচুয়েশনে পড়েন ফায়ার ফাইটাররা। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন দরকার। আন্তজার্তিক মানের একাডেমি না থাকায় ট্রেনিং ফেনিলিটিজগুলো একাবারে নেই বললেই চলে। যা আছে তা খুবই দুর্বল। বর্তমানে ফাইটারদের যেসব প্রশিক্ষণ রয়েছে তাতে উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়। এজন্যই একাডেমি নির্মানের প্রক্রিয়া চলছে। এটি হলে আন্তজার্তিক মানের সিমুলেটরগুলো থাকবে। একাডেমিতে প্রশিক্ষণ গ্রহণের ফলে ফায়ার ফাইটারদের দক্ষতা বাড়বে।

বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে প্রশিক্ষণের জন্য গ্যালারি রয়েছে। যা ফায়ার সার্ভিসের নেই। এছাড়া একটি বিধ্বস্ত ভবনে প্রবেশ করে উদ্ধার অভযান চালানোর প্রশিক্ষণ নেয়ার সুযোগও নেই। এসব বিভিন্ন জটিল পরিস্থিতিতে উদ্ধার অভিযান চালানোর প্রশিক্ষণে প্রয়োজনীয় সিমুলেটরগুলো বঙ্গবন্ধু ফায়ার একাডেমিতে থাকবে। এতে প্রশিক্ষণ নেয়ার মাধ্যমে ফায়ার ফাইটাররা উদ্ধার অভিযানের জন্য নিজেদের যোগ্য ও দক্ষ করে তুলতে পারবে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিফতরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, একাডেমির জন্য ইতিমধ্যে জমি নির্ধারণ হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে প্রশাসনিক অনুমোদন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র পাওয়া গেছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী অত্যাধুনিক একটি প্রশিক্ষণ একাডেমি করা হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত