শিরোনাম
◈ শোলাকিয়ায় ঈদ: ছয় লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে অনন্য মিলনমেলা ◈ এবারের ঈদে চাঁদাবাজি কমেছে, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে: আইনমন্ত্রী ◈ জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করলেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ◈ ঈদের নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করতে ‘যমুনায়’ জনস্রোত ◈ যেভাবে সঠিক নিয়মে পড়বেন ঈদের নামাজ ◈ যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র রপ্তানি স্থগিত করল সুইজারল্যান্ড ◈ ইরানবিরোধী অভিযানে মার্কিন বাহিনীকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিল যুক্তরাজ্য ◈ তুরস্ক বা ওমানে কোনো হামলা চালায়নি ইরান, এগুলো শত্রুদের সাজানো ঘটনা: মোজতবা খামেনি ◈ পবিত্র আল-আকসায় ঈদের নামাজে আসা মুসল্লিদের ওপর ইসরাইলের হামলা

প্রকাশিত : ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৭:৩৯ সকাল
আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৭:৩৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অনিয়ম-দুর্নীতির বেড়াজালে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

তিমির চক্রবর্ত্তী : অনিয়ম-দুর্নীতি, প্রভাব বিস্তার ও ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের মূখে দাঁড়িয়ে। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, অথচ দেশের সেই বিদ্যাপিঠগুলোতে ব্যাপকভাবে জেঁকে বসেছে অনিয়ম-দুর্নীতি । সূত্র : যুগান্তর

শিক্ষা বোর্ড ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রণীত বেসরকারি স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি (এসএমসি) ও গভর্নিং বডি (জিবি) পরিচালনার বিধিমালায় সভাপতিসহ পরিচালনা পর্ষদকে একচ্ছত্র ক্ষমতা দেয়ায় কারণে তারা কোনো কিছুর তোয়াক্কা করেন না।

দেশের বেশকিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সাথে কথা বলে এমন তথ্য উঠে এসেছে । এমনকি নিজেদের হীন স্বার্থের বিরুদ্ধে কথা বললেও অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকসহ শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি, চাকরিচ্যুত করা এবং বিভিন্ন নামে-বেনামে অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করার মতো ঘটনা ঘটানো হয়। অন্যদিকে কিছু কিছু ক্ষেত্রে অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষক বা অন্য শিক্ষকরা পরিচালনা পর্ষদের প্রভাবশালীদের যোগসাজশে অনিয়ম-দুর্নীতি, শিক্ষার্থীদের হয়রানি, যৌন নিপীড়নের মতো জঘন্য অপরাধ করতেও দ্বিধাবোধ করে না।

বিপরীতে পরীক্ষার ফি ও বিভিন্ন আয়ের টাকা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের আড়ালে দুর্নীতি করা হয় পারস্পরিক স্বার্থ বিবেচনায় রেখে। এসব কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন বিঘ্নিত হলেও তার পরোয়া করা হয় না।

বর্তমানে অনেকদিন একই সরকার ক্ষমতায় থাকার কারণে ক্ষমতাসীন দলপন্থী বিভিন্ন গ্রুপ অলাভজনক এসব পদকে নিজেদের আখের গুছিয়ে নেয়ার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে। এর কারণ পরিচালনা কমিটিগুলোর আর্থিক দিকেই বেশি নজর থাকে। যেমন-ভর্তি, পরীক্ষার ফি, রেজিষ্টেশন, শিক্ষক নিয়োগে মোটা অংঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়। অনেক কমিটির প্রধান ও সদস্যের তেমন শিক্ষাগত যোগ্যতাও থাকে না। ফলে তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীর কল্যাণের বিষয়গুলো ভালোভাবে বোঝেনও না। শিক্ষকদেরও যথাযথ সম্মান দিতে জানেন না। এমন কমিটিপ্রধান ও মেম্বারদের সঙ্গে শিক্ষকদের কাজ করা অনেক সময় বিব্রতকর হয়ে পড়ে।

একটা সময় ছিল যখন বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীদের পুরো বেতনের অর্ধেক দিত সরকার। কিন্তু এখন পুরো বেতনই সরকারি কোষাগার থেকে যায়। তারপরও কমিটির দৌরাত্ম্যের কাছে মাঠ প্রশাসন তো বটেই, খোদ শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অসহায় হয়ে থাকতে হয়। শিক্ষানুরাগী ও শিক্ষার্থীবান্ধব কেউ কমিটিতে না এলে এগুলো ঘটতেই থাকবে তা বোঝা যায়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়