প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শেরপুর ব্রক্ষপূত্র নদীর পার এখন ভূমিদস্যুদের দখলে , মাঝি ও জেলেদের মানবেতর জীবন

তপু সরকার হারুন: শেরপুর ব্রক্ষপূত্র নদীর পারের জেলেদের মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায় । বেকার হয়ে পড়েছে ব্রক্ষপূত্র নদীর পারের জেলেরা। এক সময় তারা নৌকায় বা ডিঙ্গি দিয়ে মাছ শ্বিকার করতো এবং শেরপুরের এ-পার থেকে ওপারে মানুষ পারাপার করতো । সারা দিন পর ২০০থেকে ৩০০ টাকা উর্পাজন করতো তা দিয়েই সংসার চালাতো । কালের বিবর্তনে প্রায় ১৭/১৮ ধরে শেরপুর ব্রক্ষপুত্র নদীতে ব্রিজ হয়ে যায় ।
তাদের উর্পাজনের অবলম্ভনই ছিল নৌকা বাওয়া ও মাছ শ্বিকার করা ও তার উপরই নির্ভরশীল ছিল তারা । এখন আয় না থাকায়, না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে তারা ।সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে জেলেরা ।এদিকে নদীর ২ পাশে ভূমিদস্যুদের অবৈধ্য দখলদারিত্বে গড়ে তুলেছেন বাসা বাড়ী ,দোকানপাট ,বাজার ও মার্কেটে ভরাট হয়ে খালে পরিনত হয়েছে ব্রক্ষপূত্র নদী । এছাড়াও সরকারী অনুমতি ছাড়া বালু মহলের নামে অবৈধ ভাবে ড্রেজার বসিয়ে প্রতিদিন শত, শত ট্রাক বালু উওোলন করছেন করা হচ্ছে । বুধবার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ব্রিজের ৩০০ গজ হবে কিনা , সেখান ডাবল ড্রেজার বসিয়ে লক্ষ লক্ষ সেপ্টি বালু উওোলন করছে ।

দীর্ঘমেয়াদ কাল থেকেই এ-অবৈধ্ বালু উওোলনের কারনে ব্রিজের নিচে পিলার থেকে মাটি সরে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন এলাকাবাসী । এদিকে নদীতে পানি শুকিয়ে চর পড়ে যাওয়াতে জেলেরা আরো চরম কষ্টে দিনাতিপাত করছে বলে ও এলাকা বাসী বলেন । জেলেরা সাধারনত কার্তিক মাস থেকে চৈত্র, বৈশাখ মাসে বিছানা জাল পেতে মাছ শিকার করলেও এখন দুসপ্রাপ্য হয়ে পড়েছে ।

বর্ষার মৌসুম ছাড়া মাছ শিকার বন্ধকালীন তাদের ৫/৬ মাস ভিজিডি ও ভিজিএফের আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন বলেও অভিজ্ঞ মহল মনে করেন ।৬ জানুয়ারী বুধবার মানিক মিয়া (৭০ ) এক জেলে ব্রিজের দক্ষিন পাশে আরো দু,জন কে নিয়ে ,৪০০ হাত লম্ভা এবং৬০০ ফুট বেয়া বিছানা জাল সেলাই করছেন । তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞস করতেই তিনি বলেন, এখন অনেক জায়গা ছিড়ে ফুলে গেছে , সেলাই করছি । আপনি কত বছর যাবৎ এ নদীতে মাছ ধরেন , তিনি বলেন আমার দাদা এবং বাবার আমল থেকেই আমরা এ-পেশায় নিয়োজিত ।  জামালপুর শেরপুর মিলে প্রায় ২শত থেকে ৩শত জেলে রয়েছে । কারো নিবন্ধন রয়েছে কারো নেই ।
অবৈধ বালু ও মাটি উওোলনের বিষয়ে চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা নায়েব শহীদুল ইসলামর সাথে কথা হলে তিনি জানান, আগামী ২/১দিনের মধ্যে এসিল্যান্ড স্যার কে বিষয়টি জানাবো এবং সেখানে রিতিমত মোবাইল কোর্ড চলছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত