শিরোনাম
◈ সংবিধানে বড় রদবদলের পথে সরকার, আজ বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক ◈ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ◈ খোলাবাজার থেকে ব্যাংক—সবখানেই বাড়ছে ডলারের দাম ◈ আম-কাঁঠাল থেকে কোটি টাকার সম্ভাবনা: ফুড প্রসেসিংয়ে বদলে যাচ্ছে কৃষির চিত্র, বাড়ছে উদ্যোক্তা ও রপ্তানির সম্ভাবনা ◈ ব্যানার বিতর্কে বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষ, তিন ঘণ্টা উত্তপ্ত ক্যাম্পাস (ভিডিও) ◈ দেশে নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ◈ চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত ৩ উপজেলা সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশিদের নতুন সতর্কবার্তা দিল মার্কিন দূতাবাস ◈ ‘অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে’ ◈ সম্পত্তি দান করলেও জীবদ্দশায় ভোগদখলের অধিকার থাকবে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৩:২১ রাত
আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৩:২১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডিল অব দ্যা সেঞ্চুরির সমালোচনা করে ফ্রান্স বলল,জোর করে একপেশে পরিকল্পনা চাপিয়ে দিয়ে কোনো লাভ হবে না

রাশিদ রিয়াজ : ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-ইভস লে দ্রিয়ান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে উত্থাপিত ‘ডিল অব দ্যা সেঞ্চুরি’র সমালোচনা করে বলেছেন, প্যারিস এখনো এ ব্যাপারে অনেক প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পায়নি। তিনি গতকাল (রোববার) এক বক্তব্যে এই একপেশে পরিকল্পনার প্রস্তুতকারকদের উদ্দেশ করে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জোর করে একপেশে পরিকল্পনা চাপিয়ে দিয়ে কোনো লাভ হবে না।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ফিলিস্তিনিরা বিষয়টি নিয়ে জাতিসংঘে আলোচনা করার যে আহ্বান জানিয়েছে তার প্রতি প্যারিস্যের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনা করার দাবি জানানো হলে তার প্রতি ইতিবাচক সাড়া দেব ফ্রান্স।

এর আগে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন গত ৩০ জানুয়ারি বলেছিলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে ফিলিস্তিন ও ইসরাইল উভয় পক্ষকে সন্তুষ্ট রাখতে হবে। যেকোনো এক পক্ষকে সন্তুষ্ট করার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যাবে না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যকার দ্বন্দ্ব-সংঘাত নিরসনের নাম করে ‘ডিল অব দ্যা সেঞ্চুরি’ পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। তবে এতে ফিলিস্তিনের আল-কুদস বা জেরুজালেম শহরকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের অবিভক্ত রাজধানী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মার্কিন-ইহুদিবাদী এই পরিকল্পনায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত ফিলিস্তিনি শরণার্থীদেরকে তাদের মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়া, জর্দান নদীর পশ্চিম তীরের মাত্র ৭০ ভাগ ভূমি ও গাজা উপত্যকা নিয়ে একটি দুর্বল ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হয়েছে।ফিলিস্তিনি স্বশাসন কর্তৃপক্ষ এবং প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো অর্থাৎ সকল ফিলিস্তিনি জনগণ ট্রাম্পের এ পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছেন। পার্সটুডে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়