শিরোনাম
◈ রাশিয়া-ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত: বাংলাদেশের বিকল্প শ্রমবাজারের অপেক্ষা ◈ যুক্তরাষ্ট্রে ‘ভয়ংকর অপরাধে’ গ্রেপ্তার ১০ বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ ◈ ‘প্রত্যেক নাগরিককে ২৫০০ টাকা বৈশাখী ভাতা’ নিয়ে যা জানা গেল ◈ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, আইনশৃঙ্খলা মেনে চলার নির্দেশ ◈ ভূমধ্যসাগরে দিক হারিয়ে ৬ দিন ভেসে থাকার পর ২১ বাংলাদেশিসহ ২৬ জন উদ্ধার, মৃত্যু অন্তত ২২ ◈ ড‌য়ে‌চে‌ভে‌লের প্রতি‌বেদন- আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই, বলছে সরকার ◈ সাফ চ‌্যা‌ম্পিয়ন‌শিপ, শ‌ক্তিশালী ভারতের সঙ্গে ড্র করলো বাংলাদেশ ◈ ভারত-বাংলাদেশ পাইপলাইনে আবারও ৭ হাজার টন ডিজেল আমদানি শুরু ◈ ‘না ফেরার দেশে চলে গেলেন শামীম ওসমান’-পোস্টকার্ডের বিষয়ে যা জানা গেল ◈ জলবায়ু পরিবর্তনে তিন দশকে সবচেয়ে বড় ক্ষতির দায় যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশিত : ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৫:০১ সকাল
আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৫:০১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

২০২০-২১ অর্থবছরে ভারতের জিডিপির হার বৃদ্ধি পাবে ৬ থেকে সাড়ে ৬ শতাংশ

সাইফুর রহমান : আর্থিক সমীক্ষার প্রতিবেদন উল্লেখ করে এই তথ্য জানালেন দেশটির অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। শনিবার ভারতীয় পার্লামেন্ট কেন্দ্রীয় বাজেট প্রস্তাব পেশের ঠিক আগের দিনই এই তথ্য জানিয়েছে আর্থিক সমীক্ষা। আগামী ১ এপ্রিল থেকে ভারতে শুরু হবে নতুন অর্থবছর। যদিও জিডিপি বাড়লেই আর্থিক মন্দা কতটা ঘুছবে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা। ইকোনমিক টাইমস. নিউজ১৮, আনন্দবাজার

গত বছরের জুলাইয়ে ভারত সরকার দাবি করেছিলো, চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৭ শতাংশ। কিন্তু এ বারের সমীক্ষার পূর্বাভাস, তা ৫ শতাংশের বেশি হবে না। যা গত ১১ বছরে সর্বনিম্ন। জানুয়ারির শুরুর দিকে একই পূর্বাভাস ছিলো কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান মন্ত্রণালয়েরও। চলতি অর্থবছরে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার নিয়ে মাসখানেক আগে আর্থিক সমীক্ষার মতো একই ইঙ্গিত দিয়েছিলো বিশ্বব্যাঙ্ক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।

আগামী অর্থবছরে দেশটির আর্থিক প্রবৃদ্ধির হার ঠিক কোন পথে হবে তারও একটা রুপরেখা দেয়া হয়েছে আর্থিক সমীক্ষায়। এতে বলা হয়েছে, অগ্রাধিকার দেয়া হবে সম্পদ সৃষ্টির ওপর। আর তার জন্য নতুন ১০টি উপায়ের কথাও বলা হয়েছে সমীক্ষায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অর্থনৈতিক মন্দা কেন্দ্রীয় সরকারকে গত বছরে তার সংস্কারের পরিকল্পনায় কাটছাঁট করতে বাধ্য করেছে। আগামী দিনেও একই পথে থাকতে হবে তাদের। সাধারণ মানুষের করের বোঝা কিছুটা কমাতে গিয়েই সংস্কারের পরিকল্পনাগুলো আপাতত আরও কিছুদিন বন্ধ রাখতে হবে। এছাড়া নির্মাণ শ্রমিকদেরও দিতে হবে কিছু বাড়তি সুবিধা। পাশাপাশি ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য কমাতে হবে কর্পোরেট করের হার।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়