শিরোনাম
◈ যে কারণে শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে সরানো হলো নুরকে ◈ সংকট নেই বলছে সরকার, পাম্পে কেন তেলের হাহাকার? ◈ হাইপারসনিক মিসাইল নিয়ে তিন দেশে নতুন হামলা ইরানের, ২২০ মার্কিন সেনা হতাহতের দাবি ◈ মার্চে জ্বালানি সংকট হবে না: আসছে ২.৮০ লাখ টন ডিজেল, পেট্রোল-অকটেনও পর্যাপ্ত ◈ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে ভারত: ইফতার অনুষ্ঠানে প্রণয় ভার্মা ◈ ট্রাম্পের হুমকির জবাবে নতুন মার্কিন স্থাপনা খুঁজছে ইরান ◈ যুদ্ধ উত্তেজনার মাঝেই কাতারের এলএনজি ট্যাংকার বাংলাদেশের পথে: ব্লুমবার্গ ◈ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে দুবাই থেকে এমিরেটসের সব ফ্লাইট স্থগিত ◈ “বেশি বাড়াবাড়ি করলে দিল্লির সরকার ফেলে দেব”: মমতা ◈ আসিফ নজরুলের দুর্নীতি?

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০২০, ০১:৫৯ রাত
আপডেট : ২৮ জানুয়ারী, ২০২০, ০১:৫৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশে, পাকিস্তান, আফগানিস্তানের হিন্দুদের ভারতের নাগরিকত্ব পেতে দিতে হবে ধর্মের প্রমাণ!

রাশিদ রিয়াজ : ভারতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন অনুসারে প্রতিবেশী তিন দেশ থেকে আসা শরণার্থীদের ভারতের নাগরিকত্ব দিতে বিধি তৈরির কাজ প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সূত্রের খবর, খসড়া বিধিতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সঙ্গে আবেদনকারীর ধর্মের প্রমাণ দাখিলের সংস্থান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া তিনি যে ২০১৪ সালের ৩১ জানুয়ারি বা তার আগে এ দেশে এসেছেন, সেই প্রমাণও দিতে হবে আবেদনকারীকে।

পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে আসা অ-মুসলিম শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে ধর্মের প্রমাণ দিতে হতে পারে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পদস্থ এক কর্তা সংবাদসংস্থাকে এই কথা জানিয়েছেন।  সংশোধিত নাগরিক  অনুযায়ী ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষেরা আর বেআইনি শরণার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন না, তাঁরা হবেন ভারতীয় নাগরিক। সংসদের উভয় কক্ষে এই সংক্রান্ত বিল পাশ হওয়ার পরে ১২ ডিসেম্বর তাতে স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। যার ফলে সেটি আইনে পরিণত হয়। গত ১০ জানুয়ারি 'গেজেট অফ ইন্ডিয়া'তে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মধ্য দিয়ে ইতোমধ্যে দেশজুড়ে এই আইন কার্যকর হয়েছে।

সংশোধিত নাগরিক আইনের আওতায় নাগরিকত্বের আবেদনের জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পক্ষে আসাম। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে তাদের আবেদন, শরণার্থীরা আবেদনের ক্ষেত্রে যাতে অনন্ত সময় না পান। এ জন্য সর্বোচ্চ ৩ মাস সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হোক।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়