শিরোনাম
◈ প্রাথমিকভাবে আট উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড, কমিটি গঠন ◈ ডিসি সারোয়ারকে শোকজ ◈ ৪৪তম বিসিএসের নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগ, তালিকা প্রকাশ ◈ অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কা গ্রুপে অপরা‌জিত থে‌কে জিম্বাবুয়ে সুপার এইটে ◈ রোজার প্রথম দিনেই মুরগির দাম চড়া, কেজিতে বাড়লো ২০ থেকে ১০০ টাকা ◈ ৫০ নারী প্রতিনিধিত্ব নিয়োগ নিয়ে দুই জোটে চলছে হিসাব-নিকাশ ◈ জনগণের ট্যাক্সে চলি, তাই জবাবদিহি নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ◈ বগুড়া থেকে হিরো আলম গ্রেপ্তার ◈ তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি: প্রতিরক্ষা চুক্তি ও বাণিজ্যে জোর ◈ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা নিয়ে বিএনপিতেও 'বিস্ময়'

প্রকাশিত : ২৬ জানুয়ারী, ২০২০, ০৩:২১ রাত
আপডেট : ২৬ জানুয়ারী, ২০২০, ০৩:২১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্বামী-স্ত্রী নির্বাচনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

আবদুল অদুদ : মানুষের পুতঃপবিত্র জীবন যাপনে বিবাহ একটি গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী অনুষ্ঠান।আমাদের সামাজিক জীবনেও বিবাহ অনেক প্রয়োজনীয় । আদর্শ পরিবার গঠনে স্বামীর (পাত্রের) জন্য স্ত্রী (পাত্রী) নির্বাচন যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি নারীর (পাত্রীর) জন্য স্বামী (পাত্র) নির্বাচনও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সমাজে এক তরফাভাবে পাত্রী নির্বাচন করা হয়। পাত্রীর গুণাগুণ বিচার-বিশ্লেষণ করা হয় না। হোক তা ইসলামি পরিবার বা আধুনিক পরিবার। কিন্তু পাত্রীর পক্ষ থেকে পাত্রের গুণাগুণের বিষয়টি বিচার-বিশ্লেষণে তেমন প্রাধান্য পায় না।

দেড় হাজার বছর পূর্বেই ইসলাম পাত্রের জন্য পাত্রী নির্বাচনে যেমন নির্দেশনা প্রদান করেছে, ঠিক তেমনি পাত্রীর জন্য পাত্র নির্বাচনেরও দিক-নির্দেশনা প্রদান করেছে। পাত্র নির্বাচনে নারী যে বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিবে, প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে বিষয়ে সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা প্রদান করেছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নারীর জন্য গ্রহণযোগ্য স্বামী নির্বাচনের জন্য সুস্পষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করে বলেন, ‘যখন তোমাদের নিকট এমন কোনো ব্যক্তির বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসা হয়, যার চরিত্র ও দ্বীনদারিতে তোমরা (পাত্রী) সন্তুষ্ট হবে, তবে তোমরা তার বিয়ের ব্যবস্থা করে দাও। যদি তোমরা তা না করো, তবে তা পৃথিবীর মধ্যে বিপর্যয় ডেকে আনবে এবং ব্যাপক বিশৃঙ্খলার কারণ হবে। (তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ)
যোগ্য স্বামীর মানদণ্ড তিনটি- যথা: দ্বীনদারি; চরিত্রবান ও আকলসম্পন্ন।হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী যখন কোনো ব্যক্তির মাঝে এই তিনটি বিষয় দেখা/পাওয়া যাবে, তখন পাত্রী ওই ব্যক্তিকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করবে। দুনিয়ায় সৌভাগ্যময় পবিত্র ও উত্তম জীবন-যাপনে এবং পরকালের উত্তম পরিণতি উল্লেখিত মানদণ্ডের মধ্যে নিহিত রয়েছে।

কোনো ব্যক্তির মাঝে যদি দ্বীনের বুঝ না থাকে, সৎ চরিত্রবান না হয়, বুদ্ধি-বিবেক সম্পন্ন না হয়, তবে ওই ব্যক্তি তার দ্বীনদার স্ত্রীর প্রতি সুবিচার করতে পারবে না। যখনই স্ত্রীর প্রতি সুবিচার করতে পারবে না তখন দাম্পত্য জীবনে অশান্তি ও বিপর্যয় নেমে আসাই স্বাভাবিক। একইভাবে স্ত্রীর মধ্যে দ্বীনদারী না থাকলে পারিবারিক জীবনে অশান্তি লেগে থাকে।আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা দুনিয়ায় সব নারীকে স্বামী নির্বাচনে এবং সব পুরুষকে স্ত্রী নির্বাচনে হাদিসের নির্দেশনা মেনে চলার তাওফিক দান করুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়