প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা হলে দলীয়করণের একটা আশঙ্কা রয়েছে, বললেন জাবি শিক্ষক মির্জা তাসলিমা সুলতানা

মিনহাজুল আবেদীন: বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর ভর্তি পরীক্ষা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত নিয়ম ও সময়ে। তবে বিষয় ভেদে এই পরীক্ষা নেয়ার পদ্ধতি এবং সময় থাকবে ভিন্ন। একজন শিক্ষার্থী তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে চাইলে, তাকে তিন রকমের প্রস্তুতি এবং সময় ব্যয় করতে হয়, অনেক সময় একই তারিখে পড়ে যায় একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের একটি ছেড়ে অন্যটিতে পরীক্ষা দিতে হয়।

এসব জটিলতা দুর করার জন্য সময় এবং অর্থ ব্যয় কমানোর কথা চিন্তা করে, বাংলাদেশের সবকটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে এ ধরণের সিন্ধান্ত নেয়া হয়, ২০-২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সমন্বিত পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা হবে। এ অভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর উদ্বেগ জানিয়েছেন কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

শুক্রবার বিবিসি বাংলার এক সাক্ষাৎকারে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তৌহিদুল হক বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতির যে ঐতিহ্য রয়েছে সেটা মেনেই পরীক্ষা নেয়া উচিত হবে। কারণ আমাদের এখানকার শিক্ষার্থীদের যে ধরণের বৈশিষ্ট্য আমরা চাই, বা কোন ধরণের শিক্ষার্থীদের আমরা নির্বাচন করবো ভর্তি পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে এবং তাদেরকে কীভাবে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে তৈরি করবো, সেটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে চিন্তা করতে হবে।

এদিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মির্জা তাসলিমা সুলতানা বলেন, সমন্বিত পরীক্ষা হলে দলীয়করণের একটা শঙ্কা রয়েছে। আর সেটা হলে পরে আমরা যে মানের মেধাবী শিক্ষার্থী চাই তারা আসবে না।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, মোহাম্মদ কবির হোসেন এই সিন্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আমরা অনেক আগেই পদক্ষেপ নিয়েছি এই সমন্বিত পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়ার জন্য। কিন্তু সেই সময় অন্য বিশ্ববিদ্যালয় গুলো বুঝে উঠতে পারেনি। এই পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশে একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন হবে যে, সমন্বিত পরীক্ষা নিয়েও মেধা তালিকার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া যায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, এই পদ্ধতি নিয়ে এখন দীর্ঘ আলোচনা এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ রয়েছে। অনেকগুলো বিষয় আছে। যেগুলো আমলে নিয়ে আমাদের এগোতে হবে।

এদিকে মঞ্জুরি কমিশনের একজন সদস্য মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদেরকে যাতে, আর এ ধরনের হয়রানি পোহাতে না হয়। সেজন্যে এ সিন্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্পাদনা: রাশিদ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত