শিরোনাম
◈ রিয়াদ থেকে দাম্মাম বিমানবন্দর ও আরামকো, সৌদি আরবে ধারাবাহিক হামলার দাবি হুথিদের ◈ তিতাসে ৫৯২ কোটি টাকায় নতুন দুই গ্যাসকূপ খননের পরিকল্পনা, দৈনিক মিলবে ৩ কোটি ঘনফুট গ্যাস ◈ মিয়ানমারের মাদক সাম্রাজ্যের ভয়ংকর থাবায় বাংলাদেশ ◈ অমিত শাহর যে আদেশের কারণে গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারছে না মুম্বাই পুলিশ! ◈ ৯ বছর পর কুয়াকাটায় পর্যটন কার্নিভাল : পূজা আর কার্নিভাল ঘিরে সৈকতে পর্যটকদের ঢল ◈ অভিষেক ম্যাচেই আলিস আল ইসলা‌মের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ ◈ সুন্দরবনের ৫ প্রজাতির মাছ ও ২ প্রজাতির চিংড়ির ডিএনএ সিকোয়েন্স যাচ্ছে আন্তর্জাতিক জিন ব্যাংকে ◈ সাজেকে গুলিবর্ষণের ঘটনায় আটকে পড়া ৩ হাজার পর্যটক উদ্ধার: আইএসপিআর ◈ আইনের শাসন সূচকে দুই ধাপ এগিয়েও আফ্রিকার বহু দেশের পেছনে বাংলাদেশ ◈ ক্ষুধা মোকাবিলায় বাংলাদেশের অগ্রগতি, অবনতি ভারত-পাকিস্তানের: ২০২৬ সালের বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০২০, ০২:৩৯ রাত
আপডেট : ২৫ জানুয়ারী, ২০২০, ০২:৩৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অমিত শাহর বক্তব্য মিথ্যা, ভারতের প্রতিবেশি হিসেবে বাংলাদেশের বেশি সংখ্যালঘুরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন

আসিফুজ্জামান পৃথিল : তুলনামূলক পরিসংখ্যান নিয়ে অমিত শাহ বলেছিলেন, বাংলাদেশের সংসদে সংখ্যালঘুদের জন্য কোনও সংরক্ষিত আসন নেই। তবে সংসদ নির্বাচনে নিয়মিতই সংখ্যালঘুরা অংশ নেন। এবং প্রতিযোগীতামূলক নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন। বিবিসি

২০১৮ সালের নির্বাচনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৭৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৮ জন নির্বাচিত হয়েছিলেন।

এর আগের সংসদেও সম সংখ্যক সংখ্যালঘু এমপি ছিলেন। জাতীয় সংসদের ৩০০টি আসনে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে এমপি নির্বাচিত হন।

ভারতের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভায় মোট আসন ৫৪৫টি। এরমধ্যে সরাসরি ভোট হয় ৫৪৩টিতে।

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে মোট ২৭ জন মুসলিম এমপি নির্বাচিত হন।

বাংলাদেশে মোট নির্বাচিত সাংসদদের ৬ শতাংশ হিন্দু এমপি। পক্ষান্তরে ভারতে মুসলিম এমপি ৫ শতাংশ।

ভারতের মোট জনসংখ্যার ১১ শতাংশ মুসলিম। আর বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার সাড়ে ৮ শতাংশ হিন্দু।

২০১৪ সালে আফগানিস্থানে আশরাফ ঘনির সরকার হিন্দু ও শিখদের জন্য পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে একটি আসন সংরক্ষণ করে।এর বাইরে দেশটিতে আসনের সংখ্যা ২৫০টি।

সেদেশে মনোনয়ন নিতে কমপক্ষে ৫ হাজার ভোটারের সমর্থন লাগে। কিন্তু সেদেশে হিন্দু ও শিখদের সংখ্যা মাত্র ১ থেকে দেড় হাজার। তাই তাদের জন্য নির্বাচনে অংশ নেয়াই কঠিন।

পাকিস্তানে দশটি সংরক্ষিত আসন দলগুলোর মধ্যে আসন অনুপাতে ভাগ হয়। দলগুলো নিজেরা প্রার্থী মনোনয়ন দিয়ে তাদের পার্লামেন্টে পাঠায়।

আরেকটি উপায় হলো সংখ্যালঘু যে কেউ সরাসরি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। সেখানে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ আছে।

২০১৮ সালের নির্বাচনে মহেশ মালানি, হরিরাম কিশোয়ারি লাল ও জ্ঞান চাদ আসরানি সরাসরি আসনে নির্বাচন করেছিলেন পার্লামন্টে ও প্রাদেশিক পরিষদে এবং তারা জয় পেয়েছিলেন।

তুলনামূলক বিচার করলে দেখো যায় পার্লামেন্টে প্রতিবেশি যেকোনও দেশের তুলনায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অংশগ্রহণ বেশি।

  • সর্বশেষ