শিরোনাম
◈ ২০২৬ সালে ভ্রমণের জন্য সেরা ২০ আন্তর্জাতিক গন্তব্য ◈ ১২ জানুয়ারি ঢাকায় আসছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ◈ গণভোটের প্রচারে সরকারের উদ্যোগ: জনগণকে জানাতে সকল বিভাগে বড় আয়োজন ◈ মোস্তাফিজের শেষ ওভারের ম্যাজিকে ঢাকাকে হারিয়ে রংপুরের শ্বাসরুদ্ধকর জয় ◈ মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ১৮৪২, বাতিল ৭২৩ ◈ দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত পরিবর্তনে কূটনৈতিক উদ্যোগে মার খাচ্ছে ভারত ◈ গুমের পেছনে মূলত ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য, চূড়ান্ত প্রতিবেদনে কমিশন ◈ দিল্লিতে বসে থাকা ‘বোন’ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠান: মোদিকে আসাদুদ্দিন ওয়াইসি ◈ ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা, এবার ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া ◈ নির্বাচন সামনে রেখে দেশজুড়ে যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী, ২০২০, ০১:২০ রাত
আপডেট : ১৮ জানুয়ারী, ২০২০, ০১:২০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাজার কোটি ডলারের চুক্তি করতে হঠাৎ মিয়ানমারে শি জিন পিং, রোহিঙ্গাদের পরিত্যক্ত গ্রামে হবে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল

আসিফুজ্জামান পৃথিল: চীনের এই প্রেসিডেন্টের সফরে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ সংক্রান্ত অনেকগুলো অবকাঠামো চুক্তি হবার কথা রয়েছে। ইরাবতি

এরমধ্যে রয়েছে রাখাইনের সিতওয়েতে গভীর সমুদ্রবন্দর, এলপিজি টার্মিনাল, রেললিঙ্ক প্রকল্পসহ অনেকগুলো অবকাঠামো ও বাণিজ্যিক প্রকল্প। চুক্তির ফলে গভীর সমুদ্র বন্দর ও পূর্ব থেকে পশ্চিমে দ্রুতগামী ট্রেন চলাচলের মাধ্যমে মিয়ানমারের চেহারা বদলে যেতে পারে।

তবে সমালোচকরা এ সফরকে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের কারণে অং সান সু চির বদলে যাওয়া ভাবাধারার বিপরীতে প্রতীকী সহযোগিতা হিসেবে দেখছেন।

এদিকে শি এর এই সফরকে স্বাগত জানিয়েছে চীনের সীমান্ত ঘেষা রাজ্যগুলোর বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এই সফরকে ঘিরে ওয়া ও শান বাহিনীর শীর্ষ প্রধানেরা নেপিইদো আসতে পারেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে।

বলা হচ্ছে ২ দিনের এই সফরে রাখাইনে কেয়াপহু বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার চুক্তি হতে পারে। এটি নিয়ে তুমুল সমালোচনা হচ্ছে। কারণ ২ বছর আগে এটি রোহিঙ্গাদের এলাকা ছিলো। তাদের আবাসস্থলে এখন গড়ে তোলা হচ্ছে এই অঞ্চল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়