শিরোনাম
◈ ইনোভেশন কনসাল্টিংয়ের জরিপ: ৪৭% মানুষের মতে তারেক রহমানই ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘ শান্তি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত বাংলাদেশ ◈ সংবিধান সংস্কার পরিষদ কী, সরকারের ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে বিতর্ক কেন? ◈ হুমকি, হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতায় নির্বাচনী প্রচারণা থেকে বিরতি নিচ্ছেন মেঘনা আলম ◈ রাজধানী থেকে অপহৃত ৩ বছরের শিশুকে ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধার, মূল হোতা গ্রেপ্তার ◈ ঘুম থেকে উঠে মানুষ আল্লাহর নাম নেয়, একজন আছে জেগেই আমার নাম নেন : মির্জা আব্বাস ◈ নির্বাচনে নিষিদ্ধ, হাসিনা পলাতক, আওয়ামী লীগ কি টিকবে?: আল জাজিরার বিশ্লেষণ ◈ আল্লাহ সুযোগ দিলে দেশ ও মানুষের সেবায় নিয়োজিত হতে চাই—তারেক রহমান ◈ ম‌্যান‌চেস্টার সি‌টির কোচ পেপ গা‌র্দিওলা ফিলিস্তিন ইস্যুতে বিশ্ব নেতাদের ‘কাপুরুষ’ বললেন  ◈ আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ–কয়লার দাম নিয়ে বিরোধ: ব্রিটিশ আইনি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ বাংলাদেশের

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী, ২০২০, ০১:২০ রাত
আপডেট : ১৮ জানুয়ারী, ২০২০, ০১:২০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাজার কোটি ডলারের চুক্তি করতে হঠাৎ মিয়ানমারে শি জিন পিং, রোহিঙ্গাদের পরিত্যক্ত গ্রামে হবে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল

আসিফুজ্জামান পৃথিল: চীনের এই প্রেসিডেন্টের সফরে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ সংক্রান্ত অনেকগুলো অবকাঠামো চুক্তি হবার কথা রয়েছে। ইরাবতি

এরমধ্যে রয়েছে রাখাইনের সিতওয়েতে গভীর সমুদ্রবন্দর, এলপিজি টার্মিনাল, রেললিঙ্ক প্রকল্পসহ অনেকগুলো অবকাঠামো ও বাণিজ্যিক প্রকল্প। চুক্তির ফলে গভীর সমুদ্র বন্দর ও পূর্ব থেকে পশ্চিমে দ্রুতগামী ট্রেন চলাচলের মাধ্যমে মিয়ানমারের চেহারা বদলে যেতে পারে।

তবে সমালোচকরা এ সফরকে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের কারণে অং সান সু চির বদলে যাওয়া ভাবাধারার বিপরীতে প্রতীকী সহযোগিতা হিসেবে দেখছেন।

এদিকে শি এর এই সফরকে স্বাগত জানিয়েছে চীনের সীমান্ত ঘেষা রাজ্যগুলোর বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এই সফরকে ঘিরে ওয়া ও শান বাহিনীর শীর্ষ প্রধানেরা নেপিইদো আসতে পারেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে।

বলা হচ্ছে ২ দিনের এই সফরে রাখাইনে কেয়াপহু বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার চুক্তি হতে পারে। এটি নিয়ে তুমুল সমালোচনা হচ্ছে। কারণ ২ বছর আগে এটি রোহিঙ্গাদের এলাকা ছিলো। তাদের আবাসস্থলে এখন গড়ে তোলা হচ্ছে এই অঞ্চল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়