শিরোনাম
◈ ‘আমরা থানা পুড়িয়েছি, এসআইকে জ্বালিয়ে দিয়েছি’ : বৈষম্যবিরোধী নেতা ◈ টিকে থাকলেও থমকে গেল গতি—২০২৫ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতির বাস্তব চিত্র ◈ সৌদি আরবে বাংলাদেশি কর্মী প্রেরণে নতুন রেকর্ড ◈ অধ্যাদেশ জারি: অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ব্যাংক গ্যারান্টি এক কোটি টাকা ◈ এ মাসের মধ্যেই হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের মুখোশ উন্মোচন করা হবে: নৌ উপদেষ্টা ◈ বাংলা‌দে‌শের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দ‌লে নেই শান্ত ◈ হলফনামায় চমক: জোনায়েদ সাকির চেয়ে স্ত্রীর সম্পদ অনেক বেশি ◈ নি‌জের মাঠেই হোঁচট খে‌লো লিভারপুল ◈ বাছাইয়ের প্রথম দিনে বিএনপি-জামায়াতসহ হেভিওয়েট যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হলো ◈ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিলে কী পাবেন, ‘না’ দিলে কী পাবেন না

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী, ২০২০, ০১:২০ রাত
আপডেট : ১৮ জানুয়ারী, ২০২০, ০১:২০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাজার কোটি ডলারের চুক্তি করতে হঠাৎ মিয়ানমারে শি জিন পিং, রোহিঙ্গাদের পরিত্যক্ত গ্রামে হবে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল

আসিফুজ্জামান পৃথিল: চীনের এই প্রেসিডেন্টের সফরে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ সংক্রান্ত অনেকগুলো অবকাঠামো চুক্তি হবার কথা রয়েছে। ইরাবতি

এরমধ্যে রয়েছে রাখাইনের সিতওয়েতে গভীর সমুদ্রবন্দর, এলপিজি টার্মিনাল, রেললিঙ্ক প্রকল্পসহ অনেকগুলো অবকাঠামো ও বাণিজ্যিক প্রকল্প। চুক্তির ফলে গভীর সমুদ্র বন্দর ও পূর্ব থেকে পশ্চিমে দ্রুতগামী ট্রেন চলাচলের মাধ্যমে মিয়ানমারের চেহারা বদলে যেতে পারে।

তবে সমালোচকরা এ সফরকে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের কারণে অং সান সু চির বদলে যাওয়া ভাবাধারার বিপরীতে প্রতীকী সহযোগিতা হিসেবে দেখছেন।

এদিকে শি এর এই সফরকে স্বাগত জানিয়েছে চীনের সীমান্ত ঘেষা রাজ্যগুলোর বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এই সফরকে ঘিরে ওয়া ও শান বাহিনীর শীর্ষ প্রধানেরা নেপিইদো আসতে পারেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে।

বলা হচ্ছে ২ দিনের এই সফরে রাখাইনে কেয়াপহু বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার চুক্তি হতে পারে। এটি নিয়ে তুমুল সমালোচনা হচ্ছে। কারণ ২ বছর আগে এটি রোহিঙ্গাদের এলাকা ছিলো। তাদের আবাসস্থলে এখন গড়ে তোলা হচ্ছে এই অঞ্চল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়