শিরোনাম
◈ গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার, ৬৯টি কূপ খনন করবে বাপেক্স ◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে" ◈ ভারত ও বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বশক্তিতে পরিণত হতে পারে: দিনেশ ত্রিবেদী ◈ ধৃষ্টতা সকল সীমা ছাড়িয়েছ’; অভিনেত্রী শাওনকে নিয়ে তাজুল ইসলামের ক্ষোভ

প্রকাশিত : ১২ জানুয়ারী, ২০২০, ০৫:১১ সকাল
আপডেট : ১২ জানুয়ারী, ২০২০, ০৫:১১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব

মহসীন কবির : টঙ্গীর তুরাগতীরে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের মোনাজাত রোববার বেলা ১১টায় শুরু হয়ে ১১টা ৪৫ মিনিটে শেষ হয়। মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন লাখো মুসল্লি। মোনাজাত পরিচালনা করেন কাকরাইল জামে মসজিদের খতিব ও তাবলীগ জামাতের কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য হাফেজ মাওলানা জুবায়ের আহমেদ। চ্যালেন২৪ ও ডিবিসি টিভি

কনকনে শীত ও হিমেল বাতাসে শনিবার ইজতেমায় যোগ দেন মুসল্লিরা। ঠাণ্ডায় অসুস্থ হয়ে পড়েন অনেকেই। ময়দানে পানি স্বল্পতা ও ময়লার স্তূপের জন্যও দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে মুসল্লিদের। বার্ধক্য ও অসুস্থতাজনিত কারণে এ পর্যন্ত ১২ মুসল্লি মারা গেছেন। ১৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব।

ইজতেমার রেওয়াজ অনুযায়ী, দ্বিতীয় দিন শনিবার অনুষ্ঠিত হয় যৌতুকবিহীন বিয়ে। মাঝে কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর শনিবার আবারও এ ঐতিহ্যে ফিরল ইজতেমা। এদিন বয়ানমঞ্চে ১০০ জোড়া যৌতুকবিহীন বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এসব বিয়ে পড়ান মাওলানা জোহায়েরুল হাসান।

ইজতেমা ময়দানে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। এর পরও শনিবার বহু মুসল্লিকে ময়দানের উদ্দেশে আসতে দেখা গেছে। তবে ভেতরে ঠাঁই না পেয়ে তাদের অবস্থান নিতে হয়েছে বিভিন্ন সড়ক ও আশপাশের এলাকার মাঠে। কয়েক লাখ মুসল্লির সমাগমে শিল্পনগরী টঙ্গী পরিণত হয়েছে ধর্মীয় নগরীতে। বাদ ফজর ভারতের মাওলানা আবদুর রহমানের বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। এ বয়ান বাংলায় তরজমা করেন বাংলাদেশের মাওলানা আবদুল মতিন।

বাদ জোহর বয়ান করেন ভারতের মাওলানা ইসমাইল গোদরা। তা বাংলায় ভাষান্তর করেন মাওলানা মো. নূর-উর-রহমান। বাদ আসর বয়ান করেন ভারতের মাওলানা জোহায়েরুল হাসান। বাদ মাগরিব বয়ান করেন ভারতের মাওলানা ইব্রাহীম দেওলা। আজ বাদ ফজর বয়ান করেন মাওলানা জিয়াউল হক। আখেরি মোনাজাতের আগে বিশেষ সমাপনী বয়ান করবেন মাওলানা ইব্রাহীম দেওলা। মাওলানা আবদুর রহমান ইমান ও আমল, জাহান্নাম-জান্নাত এবং দাওয়াতের মেহনতের ওপর বয়ান করেন।

তিনি বলেন, ঘর তৈরি করতে গেলে যে পরিমাণ মেহনত প্রয়োজন, আমরা সে পরিমাণ মেহনত করলে একটি ঘর তৈরি হয়। ঠিক একইভাবে দাওয়াতের কাজে যে পরিমাণ মেহনত করা প্রয়োজন, সে পরিমাণ মেহনত করলে আল্লাহ-জাল্লাহ-শানহু আমাদের দাওয়াতকে কবুল করবেন।

আর দাওয়াত কবুল হলে আমাদের দোয়া কবুল হবে। দোয়া কবুল হলে আমাদের জীবন পরিবর্তন হয়ে যাবে। তাবলিগের এ শীর্ষ মুরব্বি বলেন, উম্মতকে যে জিম্মাদারি দেয়া হয়েছে তা সাহাবায়ে আজমাইন বুঝতেন। তাই তারা দুনিয়ার আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে পড়তেন। সাহাবায়ে আজমাইনগণ তাদের জান ও মাল দাওয়াতের কাজে ব্যবহার করতেন।

তাই আল্লাহ-জাল্লাহ-শানহু প্রতি কদমে তাদের সাহায্য করতেন। আল্লাহ তাদের দাওয়াতের মাধ্যমে দেশের পর দেশ জয় করে দিয়েছেন। যেদিকে তারা মেহনত করেছেন আল্লাহতায়ালা সেদিকে হেদায়েত পৌঁছে দিয়েছেন।

মাওলানা আবদুর রহমান আরও বলেন, দুনিয়া ও আখেরাতে মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো ইমান ও আমল। আল্লাহর কাছে ইসলাম ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণযোগ্য নয়। একেকজন মানুষকে ইসলামে দাখিল করা ও নাফরমানি থেকে বাঁচানো- এটিও আমাদের ওপর বড় জিম্মাদারি।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়