প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মানবপাচার রোধে বিদেশ গমনেচ্ছুদের দক্ষ করে তোলা হবে

নিউজ ডেস্ক : রেমিটেন্স বাড়ানোর পাশাপাশি জনশক্তি রপ্তানির নামে অবৈধভাবে মানবপাচার প্রতিরোধে প্রতি বছর দেশের প্রতিটি উপজেলা থেকে ১ হাজার করে জনশক্তি রপ্তানির পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বিদেশ যেতে ইচ্ছুক প্রত্যেককেই নানা কাজে দক্ষ করে তোলা হবে। যার অংশ হিসেবে উপজেলা পর্যায়ে তৈরি করা হচ্ছে স্বতন্ত্র প্রশিক্ষণ একাডেমি। চলতি বছর চট্টগ্রামেই শুরু হচ্ছে ৬টি প্রশিক্ষণ একাডেমির কাজ। সময় টিভি

সম্প্রতি চীনের একটি অটোমোবাইল প্রতিষ্ঠানে ১ হাজার শ্রমিক সরবরাহের অনুমতি পেয়েছে চট্টগ্রামের একটি প্রতিষ্ঠান। তবে শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রথম শর্ত রাখা হয়েছে দক্ষতা কিন্তু গত ৪ মাসেও প্রতিষ্ঠানটি কোনো দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে পারেনি। অথচ গত বছর শ্রমিকরা বিভিন্ন দেশ থেকে রেমিটেন্স পাঠিয়েছে এক হাজার ৮০০ কোটি ডলার।

বায়রার সদস্য এমদাদ উল্লাহ বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চায়না এসব দেশে লোক যাচ্ছে। আর এসব দেশে দক্ষ জনশক্তি ছাড়া পাঠানো যায় না।

২০১৯ সালে শুধু চট্টগ্রাম থেকেই ৩৪ হাজার ৭৫৬ জন শ্রমিক বিদেশে গেছে। যার বেশির ভাগই অদক্ষ শ্রমিক। যে কারণে তারা সেখানে শ্রমের যথাযথ মজুরি পাচ্ছেন না। সেই সঙ্গে জনশক্তি রপ্তানির নামে বিদেশে নানাপথে মানবপাচারের ঘটনা ঘটছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন বলেন, চট্টগ্রামে ১৫টি উপজেলার মধ্যে ৬টি উপজেলায় টেকনিক্যাল স্থাপনের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি উপজেলাগুলোতেও কাজ হাতে নেয়া হবে।

সবশেষ অপ্রচলিত ১২টি দেশে যাওয়া সারাদেশ থেকে সাড়ে ৪ হাজারই দক্ষ শ্রমিক। ২০২১ সাল থেকে প্রতি বছর প্রতিটি উপজেলা থেকে ১ হাজার করে দক্ষ শ্রমিক পাঠানো হবে বিভিন্ন দেশে। তাই প্রতিটি উপজেলায় গড়ে তোলা হবে টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনিস্টিটিউট।

চট্টগ্রাম প্রবাসী কর্মসংস্থা ও জনশক্তি অফিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল আলম মজুমদার বলেন, আমাদের ম্যান পাওয়ারগুলোর যদি দক্ষতা থাকে তাহলে চায়নার মতো সারাবিশ্বে আমাদের লোকজন থাকবে। এজন্য আমরা আমাদের উপজেলাগুলো ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করেছি।

চট্টগ্রামের ১৬টি উপজেলার মধ্যে প্রথম পর্যায়ে রাউজান ও সন্দ্বীপে ট্রেনিং ইনিস্টিটিউট তৈরির কাজ শুরু হচ্ছে। অনুলিখন : হ্যাপি আক্তার

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত