প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মোদির পক্ষে-বিপক্ষে দুই দিকেই থাকেন অক্ষয়-টুইঙ্কেল

বিনোদন ডেস্ক : অক্ষয় কুমার অভিনীত সিনেমায় হালে প্রধান হয়ে উঠছে সরকারি প্রোপাগান্ডা। সর্বশেষ লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাক্ষাৎকার নেন তিনি। সব মিলিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠে ওই সময়। দেশ রূপান্তর

সেই সাক্ষাৎকারের ভিডিও ইনস্টাগ্রামে শেয়ার অক্ষয়ের স্ত্রী টুইঙ্কেল খান্না লিখেছিলেন, ‘এই ব্যাপারটাকে আমি সদর্থকভাবে দেখতে চাই। প্রধানমন্ত্রী যে শুধু আমার অস্তিত্ব সম্পর্কে জানেন তা নয়। আমার লেখাও পড়েছেন…’ ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক নায়িকার লেখা নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন মোদি।

এই ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন নয়। কয়েক বছরে কাজে-কথায় অক্ষয় ও টুইঙ্কেলের মতাদর্শের ফারাক স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে, এই বৈপরীত্য তাদের সম্পর্কে নতুন আলোড়ন তৈরি করেনি। নাকি দুই ব্র্যান্ড ইমেজ মিলে ভারসাম্য তৈরি করছে?

আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, বলিউডে ব্র্যান্ড ইমেজের ওপরে অনেক হিসাবনিকাশ নির্ভর করে। তাই সাধারণত স্বামী-স্ত্রীর কণ্ঠে বিপরীত সুর খুব একটা শোনা যায় না। তার ওপরে দুজনেই জনপ্রিয় মুখ। লেখিকা, কলামিস্ট হিসেবে নিজেকে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন টুইঙ্কেল। আর বছর বছর হিট দিয়ে যাচ্ছেন অক্ষয়। তবে অক্ষয়ের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে যত বেশি প্রশ্নচিহ্ন, তার চেয়ে বেশি প্রশ্ন নিজের লেখায় তোলেন মিসেস ফানিবোনস।

ভারত জুড়ে নাগরিক তালিকা (এনআরসি) এবং সংশোধিত নাগরিক আইন (সিএএ)-এর প্রতিবাদে গলা মিলিয়েছেন টুইঙ্কেল। সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্ট করেছেন অবস্থান। ধর্ম, জাতপাত, বর্ণ, বিশ্বাসের ভিত্তিতে বিভেদ তৈরি করার চেষ্টা যে গণতন্ত্রের পরিপন্থী, তা বারে বারে বলেছেন তিনি।

সম্প্রতি জেএনইউর ছাত্রদের ওপরে নির্যাতনের প্রতিবাদেও ‘মেলা’ ছবির এই নায়িকা লেখেন, ‘‘এ দেশে এখন ছাত্রদের চেয়ে গরুর নিরাপত্তা বেশি। তবে সহিংসতার সাহায্যে মানুষকে চুপ করিয়ে রাখা যাবে না। আরও বেশি প্রতিবাদ, ধরনা, মিছিল হবে, আরও বেশি মানুষ পথে নামবেন…’’

এই টুইটের পাল্টা নেটিজেনরা প্রশ্ন তুলেছেন, “আপনার স্বামী কী করছেন, সেটা কি দেখেছেন?” বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপির পতাকা হাতে অক্ষয়ের ছবিও পোস্ট করা হয়েছে ওই টুইটে।

প্রতিবাদের এই আবহেও সরকার বিরোধী কোনো রকম মন্তব্য করেননি অক্ষয়। উপরন্তু জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার ছাত্রদের পেটানোর ভিডিও লাইক করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। তখন ক্ষমা চাইলেও পরে বিক্ষোভের বিরুদ্ধেই মত দিয়েছেন।

বৈপরীত্যের এই বিরোধহীন সহাবস্থান অনেকেরই মতে হিসেব কষা রসায়ন। আবার অনেকে ভাবেন, এটা নিখাদ বোঝাপড়া। তবে এই বিষয়ে সবচেয়ে ভালো জানেন অক্ষয়-টুইঙ্কেলই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত