শিরোনাম
◈ লাগেজ চুরি ঠেকাতে লাইভ নজরদারি, কতটা স্বস্তিতে যাত্রীরা? ◈ এশিয়া কাপের জন‌্য অনূর্ধ্ব-১৯ স্কোয়াড ঘোষণা করলো বি‌সি‌বি ◈ চারদিনেই ও‌য়েস্ট ইন্ডি‌জের কা‌ছে টেস্ট হারলো বাংলাদেশ ◈ মাজার বস্তিতে যাওয়ার আগে ২৭ অক্টোবর রাতে উত্তরার নেস্ট বারে দেড় ঘণ্টা ছিলেন নারীসহ তাহফিস সাউরি(ভিডিও) ◈ তাহসিফ হত্যা মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে দীপ, বললেন ‘আমি ফুললি স্ট্রং’ ◈ ১১ দলের লংমার্চে যাননি নাহিদ, জামায়াতের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে এনসিপির? ◈ ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশিদসহ ৭ কর্মকর্তা বরখাস্ত, বাধ্যতামূলক অবসরে ১ ◈ মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল ফি ৮ হাজার টাকার বেশি নয়, অতিরিক্ত নিলেই কঠোর ব্যবস্থা ◈ ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে মিরপুরে ফের সড়ক অবরোধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ◈ ঢাকায় সাফ ফুটব‌লে অংশ নি‌তে দ্বিতীয় সারির দল ঘোষণা কর‌লো ভারত

প্রকাশিত : ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯, ০৮:৩৯ সকাল
আপডেট : ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯, ০৮:৩৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যেমনটা বিচলিত করেছিলো অভিজিতের মৃত্যু অজয় স্যারের মৃত্যু আমাকে বিচলিত করেনি!

রাসেল পারভেজ : যেমনটা বিচলিত করেছিলো অভিজিতের মৃত্যু, অজয় স্যারের মৃত্যু আমাকে বিচলিত করেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুবাদে তার কয়েকটা ক্লাস করার সুযোগ হয়েছে। অবসর নেয়ার সামান্য কিছুদিন আগে তিনি আমাদের সলিড স্টেট ফিজিক্সের ক্লাস নিয়েছিলেন। ২-৩ সপ্তাহ পরই তিনি অবসরে যান। সময় এবং পরিস্থিতি আমার সব চাওয়া সবসময় পূরণ করবে না। হয়তো তিনি পড়ালে আমার এই বিষয়ে আগ্রহও আরও অনেক বেশি হতো।

রাষ্ট্রের কাছে, রাষ্ট্র প্রধানের কাছে বিচারের দাবিতে তিনি আবেদন-নিবেদন করছেন, রাষ্ট্র তাকে ধর্ম কার্ড দেখাচ্ছে, তিনি গণমাধ্যমে নিজের মনের দুঃখ প্রকাশ করছেন কিন্তু ক্ষোভটা যথাযথ প্রকাশ করতে পারছেন না এই যে জঘন্য-অমানবিক একটা রাজনৈতিক-সামাজিক পরিবেশে তাকে গত ৫ বছর অতিবাহিত করতে হলো আমি তার এই লাঞ্ছিত জীবনযাপনের বাস্তবতা কল্পনা করে বিচলিত হয়েছি। আমাদের দায়িত্ব ছিলো হয়তো তার পাশে দাঁড়ানো, তবে আমরা যারা আশ্রয়ের জন্য অজয় স্যারের মতো মানুষের কাছে দাঁড়াই, তার আশ্রয় প্রশ্রয় খুঁজি, যে মানুষটা যখন রাষ্ট্রের কাছে ব্রাত্য হয়ে যায়, রাষ্ট্র যখন তাকে শোরগোল না তুলে অপেক্ষার জন্য নির্দেশ দেয়, যখন তাকে শুনতে হয় আপনার ছেলেটা নাস্তিক তার বিচারের জন্য আমরা সবটুকু করবো দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে যায়। আমাদের অসহায়ত্ব, অপারগতা কিংবা অনাকাঙ্খা জানি না সামষ্টিক বিবেচনায় বছরে একটা দিন বরাদ্দ রাখা, তার সঙ্গে যোগাযোগের যে দিনতা সব মিলিয়ে আমরা কতোটুকু অবদান রাখতে পারতাম? তিনি নিজের লড়াই লড়েছেন দৃঢ় থেকে। আমরা সামান্য সময়ের জন্য সে লড়াইয়ের সঙ্গী ছিলাম। অযোগ্য-দুর্বল সঙ্গী এবং তার মৃত্যুতে এখন রাষ্ট্রের মুখ লুকানোর সুযোগ হয়েছে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতি তার যে আত্মনিবেদন, তার নিজস্ব যৌবনের যে অংশটুকু তিনি দেশকে ভালোবেসে দান করেছেন, রাষ্ট্র তার কাছে সামান্য ঋণী ছিলো। সে ঋণ ঘুচে গেলো। বিচার না হলেও রাষ্ট্র অধিপতিরা আর লজ্জিতবোধ করবেন না। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ