শিরোনাম
◈ সাজেকে ১৪ দিনের অবরোধে চরম খাদ্যসংকট, পর্যটন ও পরিবহন খাতে শতকোটি টাকার ক্ষতির শঙ্কা: সমাধান করবে কে? ◈ শ্রমিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ ◈ জিগাতলায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১৮৪ ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগ ◈ গাছতলায় ফেলে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ, ৯৫ বছরের বাবাকে বাড়িতে নিলেন বড় ছেলে ◈ কিশোরগঞ্জে জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত ◈ ১২ দেশে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক, ছাড়পত্রে সরকারের কঠোর নির্দেশনা ◈ ৭ নভেম্বরের শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পায়ে হেঁটে মানিকমিয়া এভিনিউ পর্যন্ত যাবেন ◈ জানুয়া‌রি‌তে বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ? ◈ সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি ◈ ভারত থেকে সার্ভারে প্রবেশের অভিযোগ, ডিজিপের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবস্থা

প্রকাশিত : ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২:৫২ দুপুর
আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২:৫২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে জিলান মিয়ারা সব কথা বলতে পারেন না, বললেন ডা. জাহিদ

শাহানুজ্জামান টিটু : কোর্ট বলার পর খালেদা জিয়ার কিছু পরীক্ষা বাকি আছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তাহলে পাল্টা প্রশ্ন কি করা যায় না, যে এতোদিন তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগুলো করা হয়নি। আমরা যে কথা বলে আসছি ম্যাডামের সুচিকিৎসা হচ্ছে না। তাহলে এটাই প্রমাণিত হলো, কোর্ট বলার পর সাত মাস পর কর্তৃপক্ষের মনে হলো ম্যাডামের পরীক্ষা করতে হবে। তাহলে এতো দিন ধরে তার চিকিৎসা হয়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সময়ে সময়ে সংবাদ সম্মেলন করে যে তথ্য জানিয়েছে তা সঠিক নয়। যদি সত্য হয় তাহলে তো কোর্টের নির্দেশের পরপরই মেডিকেল রির্পোট জমা দেয়ার কথা। রোববার এক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির ভাইস চেয়াম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন একথা বলেন।

সাবেক এই ড্যাব নেতা বলেন, কোনো রোগীর পরীক্ষা তো ভিসি বা পরিচালক করেন না। করেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বা মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা। তারা রোগী দেখে বলতে পারেন যে এই এই সমস্যা আছে রোগীর।

ডা. জাহিদ অভিযোগ করে বলেন, কোর্টের নির্দেশে পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড করেছিলো। বোর্ড গঠনের পর আমাদের জানামতে বোর্ডের পাঁচ সদস্য একবারই খালেদা জিয়াকে দেখেছেন। এরপর থেকে তারা একদিনের জন্য তাকে দেখেননি। তারা বলতেও পারবেন না, কতদিন তার চিকিৎসার বিষয়ে লিখিতভাবে রির্পোট করেছেন। তারা সপ্তাহে কতদিন খালেদা জিয়াকে দেখতে গেছেন।

তিনি বলেন, কিন্তু হাসপাতালে নিয়ম আছে রোগী ভর্তি হওয়ার পর নিয়মিত ভাবে অর্থাৎ সকাল-সন্ধ্যা ডাক্তার রোগীর খোঁজ খবর নেন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেন। কিন্তু ম্যাডামের ক্ষেত্রে তা হয়নি। নিয়মিতভাবে ডাক্তারা তার কোনো খোঁজ খবর গত সাত মাসে কতবার নিয়েছেন? এমনও আছে উনারা ১৭দিন পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ খবর নেননি।

গত ২৩দিন তার স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হয়নি। উনি দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, রাজনৈতিক বিষয় বাদ দিয়ে ৭৫ বছরের একজন নাগরিককে এভাবে আটকে রাখা কতটা মানবিক? এভাবে একজন মানুষকে পঙ্গুত্বের দিকে ঠেলে দেয়া কতটা মানবিক হতে পারে প্রশ্ন রাখেন ডা. জাহিদ।

  • সর্বশেষ