শিরোনাম
◈ প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ: ডপলার রিসার্চের জরিপ ◈ ৪ দিন খাবার ও পানি ছাড়া সাগরে ভাসছিলেন ৩০০ মার্কিন সেনা, অতঃপর... ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এমপিদের ভোটদান নিয়ে ইসির ৯ নির্দেশনা ◈ ১৩ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন ◈ মিয়ানমারের বিবৃতি কি রোহিঙ্গা সংকট আরও জটিল করে তুলল? ◈ সাশ্রয়ী দামে স্মার্টফোন দিতে সরকারের নতুন পরিকল্পনা ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের বৈঠক ◈ নবম পে স্কেলের গেজেট কবে, যা জানা গেল ◈ ভারত স্বার্থ-শর্ত ছাড়া আমন্ত্রণ জানালে স্বাগত জানাবে বাংলাদেশ: রিজভী ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অভ্যস্ত নয় ইসি, তবে প্রক্রিয়ায় কোনো গ্যাপ থাকবে না: সিইসি

প্রকাশিত : ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২:৫২ দুপুর
আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২:৫২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে জিলান মিয়ারা সব কথা বলতে পারেন না, বললেন ডা. জাহিদ

শাহানুজ্জামান টিটু : কোর্ট বলার পর খালেদা জিয়ার কিছু পরীক্ষা বাকি আছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তাহলে পাল্টা প্রশ্ন কি করা যায় না, যে এতোদিন তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগুলো করা হয়নি। আমরা যে কথা বলে আসছি ম্যাডামের সুচিকিৎসা হচ্ছে না। তাহলে এটাই প্রমাণিত হলো, কোর্ট বলার পর সাত মাস পর কর্তৃপক্ষের মনে হলো ম্যাডামের পরীক্ষা করতে হবে। তাহলে এতো দিন ধরে তার চিকিৎসা হয়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সময়ে সময়ে সংবাদ সম্মেলন করে যে তথ্য জানিয়েছে তা সঠিক নয়। যদি সত্য হয় তাহলে তো কোর্টের নির্দেশের পরপরই মেডিকেল রির্পোট জমা দেয়ার কথা। রোববার এক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির ভাইস চেয়াম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন একথা বলেন।

সাবেক এই ড্যাব নেতা বলেন, কোনো রোগীর পরীক্ষা তো ভিসি বা পরিচালক করেন না। করেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বা মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা। তারা রোগী দেখে বলতে পারেন যে এই এই সমস্যা আছে রোগীর।

ডা. জাহিদ অভিযোগ করে বলেন, কোর্টের নির্দেশে পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড করেছিলো। বোর্ড গঠনের পর আমাদের জানামতে বোর্ডের পাঁচ সদস্য একবারই খালেদা জিয়াকে দেখেছেন। এরপর থেকে তারা একদিনের জন্য তাকে দেখেননি। তারা বলতেও পারবেন না, কতদিন তার চিকিৎসার বিষয়ে লিখিতভাবে রির্পোট করেছেন। তারা সপ্তাহে কতদিন খালেদা জিয়াকে দেখতে গেছেন।

তিনি বলেন, কিন্তু হাসপাতালে নিয়ম আছে রোগী ভর্তি হওয়ার পর নিয়মিত ভাবে অর্থাৎ সকাল-সন্ধ্যা ডাক্তার রোগীর খোঁজ খবর নেন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেন। কিন্তু ম্যাডামের ক্ষেত্রে তা হয়নি। নিয়মিতভাবে ডাক্তারা তার কোনো খোঁজ খবর গত সাত মাসে কতবার নিয়েছেন? এমনও আছে উনারা ১৭দিন পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ খবর নেননি।

গত ২৩দিন তার স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হয়নি। উনি দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, রাজনৈতিক বিষয় বাদ দিয়ে ৭৫ বছরের একজন নাগরিককে এভাবে আটকে রাখা কতটা মানবিক? এভাবে একজন মানুষকে পঙ্গুত্বের দিকে ঠেলে দেয়া কতটা মানবিক হতে পারে প্রশ্ন রাখেন ডা. জাহিদ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়