শিরোনাম
◈ ফের রণক্ষেত্র শাহবাগ, পুলিশের লাঠিচার্জে ছত্রভঙ্গ আন্দোলনকারীরা ◈ মালয়েশিয়া ছাড়ছে অবৈধ অভিবাসীরা, শীর্ষে বাংলাদেশিরা ◈ বাংলা‌দেশবী‌হিন বিশ্বকাপের পর্দা উঠ‌ছে শ‌নিবার, জমকা‌লো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা থাকছে ◈ কর্মস্থলে ডে-কেয়ার ও ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের প্রতিশ্রুতি বিএনপির ◈ যমুনার সামনে সংঘর্ষের সময় ‘গুলি ছোড়া হয়নি’, দাবি প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের ◈ উন্নত দেশের সঙ্গে প্রথম পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক চুক্তিতে বাংলাদেশ ◈ জুলাই সনদ জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: তারেক রহমান ◈ ‘উই হ্যাভ আ প্ল্যান’ যে কারণে বলেছিলেন তারেক রহমান ◈ ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিএনপির ইশতেহার ঘোষণা: নয় দফা প্রতিশ্রুতি, পাঁচ ভাগে পরিকল্পনা ◈ ইনকিলাব মঞ্চের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, জাবের-জুমা-আম্মারসহ আহত অনেকে

প্রকাশিত : ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২:১৫ দুপুর
আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২:১৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুসংস্কারের জালে কুঁড়ে ঘরেই মরেছেন এক নারী

ইয়াসিন আরাফাত : ঋতুস্রাবের সময় মহিলারা থাকেন অশুদ্ধ বা অপবিত্র । তাই বাড়ির বাইরে কুঁড়ে ঘরে রাখা হয় তাদের। নেপালের হিন্দু পরিবারগুলিতে দীর্ঘদিন ধরে মানা হয় এই রীতি। যদিও বর্তমানে এই রীতি অবৈধ তারপরেও সেই রীতি মানতে গিয়ে প্রাণ গেলো ২১ বছর বয়সী এক যুবতী নারীর। এ ঘটনায় ওই যুবতীর আত্মীয়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। বি বি সি

জানা যায়, পার্বতী বুদা রাওয়াত নামের ওই যুবতীর ঋতুস্রাব চলাকালীন তাকে রীতি অনুযায়ী রাখা হয়েছিলো কুঁড়ে ঘরে। প্রবল ঠাণ্ডার কারণে সেই ঘরে একটু উষ্ণতার জন্য আগুন জ্বালিয়েছিলেন তিনি। আর সেই ধোঁয়ায় নিশ্বাস বন্ধ হয়ে মৃত্যু হয় তার। এই মহিলার মৃত্যুর ঘটনায় তার আত্মীয়কে ৩ মাসের জেল ও ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
নেপালের গ্রামাঞ্চলে এখনো বিশ্বাস করা হয়, ঋতুস্রাবের সময় এবং সন্তান জন্ম দেয়ার পর একজন মহিলা অশুদ্ধ বা অপবিত্র থাকে। ওই সময় কোনও পুরুষকে ছোঁয়া যায় না, কিছু কিছু খাবারে হাত দেয়া যায় না, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যাওয়া যায় না। এই নিয়ে এ বছর মোট ৩জনের মৃত্যু হয়েছে।

নেপালে ২০০৫-এ এই প্রথা নিষিদ্ধ করা হয়। ২০১৭-এ এই প্রথা অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় দেশটিতে। কিন্তু তা সত্ত্বেও গ্রামাঞ্চলে এই প্রথা এখনো প্রচলিত আছে। সম্পাদনা : মাজহারুল ইসলাম

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়