শিরোনাম
◈ রাজধানীর পল্লবী থানার ভেতরে ককটেল বিস্ফোরণ, পালিয়ে গেল ২ দুর্বৃত্ত ◈ মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে চাকরি, লটারির মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৩০০ বাংলাদেশি ◈ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন নিয়ে সুখবর, মিলবে একই পে স্কেল ◈ রমজান সামনে রেখে নিত্যপণ্য আমদানিতে বড় ছাড় দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ ইসলামবিদ্বেষের মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রে ৯৭ মুসলিম প্রার্থীর ঐতিহাসিক জয়, কীভাবে এল এই সাফল্য? ◈ পিকঅ্যাক্সে হামলার শঙ্কা, ইরান ঘিরে মার্কিন তৎপরতা : ৯ নভেম্বর কেন গুরুত্বপূর্ণ? ◈ বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের নতুন কৌশল, গুরুত্ব পাচ্ছে কর্মসংস্থান ◈ চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কে বড় অবনতি, চাপে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ◈ প্রথম ধাপে দেশের ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ◈ ২০২৭ সালে গোল্ডেন ভিসার আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করবে পর্তুগাল সরকার

প্রকাশিত : ০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯, ০৩:৩৩ রাত
আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯, ০৩:৩৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দগ্ধ অবস্থায় ভারতের উন্নাওয়ের ধর্ষিতা ১ কিলোমিটার দৌড়ে, নিজেই ডাকেন অ্যাম্বুল্যান্স!

রাশিদ রিয়াজ : ​​বৃহস্পতিবার দুপুরে উত্তরপ্রদেশের রায়বরেলির আদালতে ধর্ষণ মামলার শুনানি ছিল। সাক্ষ্য দিতে আদালতেই যাচ্ছিলেন উন্নাওয়ের এই গণধর্ষিতা। সেসময় রাস্তায় তাঁর উপর অতর্কিতে হামলা হয়। যে পাঁচ জন এদিন নির্যাতিতার গায়ে আগুন দেয়, মাস কয়েক আগে তাদেরই গণলালসার শিকার হয়েছিল উন্নাওয়ের এই যুবতী।

শরীরের ৯০ ভাগই তখন পুড়ে গিয়েছে! তবু অদম্য উন্নাওয়ের নির্যাতিতা। সেই অবস্থায়, আগুনে পোড়ার জ্বলন উপেক্ষা করে ১ কিলোমিটার ছুটেছেন নির্যাতিতা। বাঁচতে তাঁকে হবেই। প্রাণপণ চিত্‍‌কার করেছেন। যদি কারও সাহায্য পান। অনেকেরই কানে গিয়েছে সেই আকুল আর্তি। কিন্তু, ওই এক কিলোমিটার পথে, এমন একজনকেও পাননি, যে এসে তাঁর পাশে দাঁড়ায়। অগত্যা নিজেই ওই অবস্থায় ফোন করে অ্যাম্বুল্যান্স ডাকেন। নিজের ফোন নয়, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের কারও একজনের ফোন চেয়ে নেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উত্তরপ্রদেশের রায়বরেলির আদালতে ধর্ষণ মামলার শুনানি ছিল। সাক্ষ্য দিতে আদালতেই যাচ্ছিলেন উন্নাওয়ের এই গণধর্ষিতা। সেসময় রাস্তায় তাঁর উপর অতর্কিতে হামলা হয়। যে পাঁচ জন এদিন নির্যাতিতার গায়ে আগুন দেয়, মাস কয়েক আগে তাদেরই গণলালসার শিকার হয়েছিল উন্নাওয়ের এই যুবতী। সম্প্রতি জামিনে ছাড়া পেয়েছিল অভিযুক্তরা।

স্বভাবতই এদিনের ঘটনার পর সমাজের সর্বস্তরে প্রশ্ন উঠেছে, একজন ধর্ষক কী করে জামিনে ছাড়া পায়। এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, উত্তরপ্রদেশ গণধর্ষণ মামলার 'কালপ্রিট'দের যদি ঠিক সময়ে শাস্তি হত, তা হলে আজকের এই দিন দেখতে হতো না। উন্নাওয়ের নির্যাতিতার গায়ে যে ভাবে আগুন লাগানো হয়েছে, তাতে 'অত্যন্ত ব্যথিত' তিনি। অপরাধীদের দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করে, শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে তিনি আর্জি জানান। এইসময়

  • সর্বশেষ