শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ পুলিশে বড় নিয়োগ, আবেদন যেভাবে ◈ ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পোস্টাল ভোটিং প্রযুক্তি নিতে চায় নেপাল-শ্রীলঙ্কা ◈ ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ডিএনএ অধিদপ্তরে জনবলসংকট, ৬৪ পদের ৫৯টিই শূন্য ◈ মাইক্রোসফট-অ্যাডোবিসহ মার্কিন ও ভারতীয় ৮ প্রতিষ্ঠানের গ্রিন কার্ড আবেদন স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন ◈ শাহজালাল বিমানবন্দর ঘিরে সক্রিয় ডাকাত চক্রের দৌরাত্ম্য, ভাড়াটে ডাকাত ধরা পড়লেও ধরাছোঁয়ার বাইরে মাফিয়ারা! ◈ সন্দেহের বশে কাউকে বাংলাদেশি বলে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো যাবে না: কলকাতা হাইকোর্টের বিচারক ◈ ডি‌সেম্ব‌রে হাসিনার প্রত্যাবর্তন: আ.লীগকে রুখতে তৃণমূল নেতা‌দের রাজপ‌থে থাকার নি‌র্দেশ বিএনপির  ◈ প্রতিরক্ষা শিল্পে নতুন সম্ভাবনা, দেশে ফ্রিগেটসহ যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের উদ্যোগ ◈ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই বাণিজ্য বাধা দূর করতে বাংলাদেশ-ভারত বৈঠক ◈ ৭ অক্টোবরের পর মধ্যপ্রাচ্যে কার শক্তি বাড়ল, কার কমল? : আলজাজিরার বিশ্লেষণ

প্রকাশিত : ০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯, ০৩:৩৩ রাত
আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯, ০৩:৩৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দগ্ধ অবস্থায় ভারতের উন্নাওয়ের ধর্ষিতা ১ কিলোমিটার দৌড়ে, নিজেই ডাকেন অ্যাম্বুল্যান্স!

রাশিদ রিয়াজ : ​​বৃহস্পতিবার দুপুরে উত্তরপ্রদেশের রায়বরেলির আদালতে ধর্ষণ মামলার শুনানি ছিল। সাক্ষ্য দিতে আদালতেই যাচ্ছিলেন উন্নাওয়ের এই গণধর্ষিতা। সেসময় রাস্তায় তাঁর উপর অতর্কিতে হামলা হয়। যে পাঁচ জন এদিন নির্যাতিতার গায়ে আগুন দেয়, মাস কয়েক আগে তাদেরই গণলালসার শিকার হয়েছিল উন্নাওয়ের এই যুবতী।

শরীরের ৯০ ভাগই তখন পুড়ে গিয়েছে! তবু অদম্য উন্নাওয়ের নির্যাতিতা। সেই অবস্থায়, আগুনে পোড়ার জ্বলন উপেক্ষা করে ১ কিলোমিটার ছুটেছেন নির্যাতিতা। বাঁচতে তাঁকে হবেই। প্রাণপণ চিত্‍‌কার করেছেন। যদি কারও সাহায্য পান। অনেকেরই কানে গিয়েছে সেই আকুল আর্তি। কিন্তু, ওই এক কিলোমিটার পথে, এমন একজনকেও পাননি, যে এসে তাঁর পাশে দাঁড়ায়। অগত্যা নিজেই ওই অবস্থায় ফোন করে অ্যাম্বুল্যান্স ডাকেন। নিজের ফোন নয়, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের কারও একজনের ফোন চেয়ে নেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উত্তরপ্রদেশের রায়বরেলির আদালতে ধর্ষণ মামলার শুনানি ছিল। সাক্ষ্য দিতে আদালতেই যাচ্ছিলেন উন্নাওয়ের এই গণধর্ষিতা। সেসময় রাস্তায় তাঁর উপর অতর্কিতে হামলা হয়। যে পাঁচ জন এদিন নির্যাতিতার গায়ে আগুন দেয়, মাস কয়েক আগে তাদেরই গণলালসার শিকার হয়েছিল উন্নাওয়ের এই যুবতী। সম্প্রতি জামিনে ছাড়া পেয়েছিল অভিযুক্তরা।

স্বভাবতই এদিনের ঘটনার পর সমাজের সর্বস্তরে প্রশ্ন উঠেছে, একজন ধর্ষক কী করে জামিনে ছাড়া পায়। এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, উত্তরপ্রদেশ গণধর্ষণ মামলার 'কালপ্রিট'দের যদি ঠিক সময়ে শাস্তি হত, তা হলে আজকের এই দিন দেখতে হতো না। উন্নাওয়ের নির্যাতিতার গায়ে যে ভাবে আগুন লাগানো হয়েছে, তাতে 'অত্যন্ত ব্যথিত' তিনি। অপরাধীদের দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করে, শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে তিনি আর্জি জানান। এইসময়

  • সর্বশেষ