শিরোনাম
◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি ◈ গঙ্গা চুক্তি নবায়ন ও তিস্তা প্রকল্পে অগ্রগতি: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কৌশলগত বার্তা ◈ কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক: ১০ সেপ্টেম্বর শেষ হবে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন

প্রকাশিত : ০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯, ০৩:৩৩ রাত
আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯, ০৩:৩৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দগ্ধ অবস্থায় ভারতের উন্নাওয়ের ধর্ষিতা ১ কিলোমিটার দৌড়ে, নিজেই ডাকেন অ্যাম্বুল্যান্স!

রাশিদ রিয়াজ : ​​বৃহস্পতিবার দুপুরে উত্তরপ্রদেশের রায়বরেলির আদালতে ধর্ষণ মামলার শুনানি ছিল। সাক্ষ্য দিতে আদালতেই যাচ্ছিলেন উন্নাওয়ের এই গণধর্ষিতা। সেসময় রাস্তায় তাঁর উপর অতর্কিতে হামলা হয়। যে পাঁচ জন এদিন নির্যাতিতার গায়ে আগুন দেয়, মাস কয়েক আগে তাদেরই গণলালসার শিকার হয়েছিল উন্নাওয়ের এই যুবতী।

শরীরের ৯০ ভাগই তখন পুড়ে গিয়েছে! তবু অদম্য উন্নাওয়ের নির্যাতিতা। সেই অবস্থায়, আগুনে পোড়ার জ্বলন উপেক্ষা করে ১ কিলোমিটার ছুটেছেন নির্যাতিতা। বাঁচতে তাঁকে হবেই। প্রাণপণ চিত্‍‌কার করেছেন। যদি কারও সাহায্য পান। অনেকেরই কানে গিয়েছে সেই আকুল আর্তি। কিন্তু, ওই এক কিলোমিটার পথে, এমন একজনকেও পাননি, যে এসে তাঁর পাশে দাঁড়ায়। অগত্যা নিজেই ওই অবস্থায় ফোন করে অ্যাম্বুল্যান্স ডাকেন। নিজের ফোন নয়, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের কারও একজনের ফোন চেয়ে নেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উত্তরপ্রদেশের রায়বরেলির আদালতে ধর্ষণ মামলার শুনানি ছিল। সাক্ষ্য দিতে আদালতেই যাচ্ছিলেন উন্নাওয়ের এই গণধর্ষিতা। সেসময় রাস্তায় তাঁর উপর অতর্কিতে হামলা হয়। যে পাঁচ জন এদিন নির্যাতিতার গায়ে আগুন দেয়, মাস কয়েক আগে তাদেরই গণলালসার শিকার হয়েছিল উন্নাওয়ের এই যুবতী। সম্প্রতি জামিনে ছাড়া পেয়েছিল অভিযুক্তরা।

স্বভাবতই এদিনের ঘটনার পর সমাজের সর্বস্তরে প্রশ্ন উঠেছে, একজন ধর্ষক কী করে জামিনে ছাড়া পায়। এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, উত্তরপ্রদেশ গণধর্ষণ মামলার 'কালপ্রিট'দের যদি ঠিক সময়ে শাস্তি হত, তা হলে আজকের এই দিন দেখতে হতো না। উন্নাওয়ের নির্যাতিতার গায়ে যে ভাবে আগুন লাগানো হয়েছে, তাতে 'অত্যন্ত ব্যথিত' তিনি। অপরাধীদের দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করে, শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে তিনি আর্জি জানান। এইসময়

  • সর্বশেষ