শিরোনাম
◈ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা ◈ ঢাকার যানজট কমাতে ২০ বছরের মহাপরিকল্পনা, বাস্তবায়নেই যত শঙ্কা ◈ বিদ্যুৎসংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসতে চান ব্যবসায়ীরা, মিলল ৫ প্রস্তাব ◈ ছয় মাস ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি, বাড়ছে রহস্য ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন: বিদ্রোহী ঠেকাতে কঠোর বিএনপি, প্রার্থী বাছাইয়ে জনপ্রিয়তা-সততায় নজর ◈ ইরান যুদ্ধে ছয় মাসে বদলে গেছে যে ৬ সমীকরণ ◈ পশ্চিমবঙ্গে শিগগিরই ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল কংগ্রেস: মমতা ◈ নেপালের আকস্মিক বন্যা: বাংলাদেশে কতটা ঝুঁকি, জানালেন বিশেষজ্ঞরা ◈ শনিবার সকাল ৮টা থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না গাজীপুরের যেসব এলাকায় ◈ হরমুজ প্রণালীতে আটকা পড়েছে ৪০০ জাহাজ-ছয় হাজার নাবিক

প্রকাশিত : ১০ অক্টোবর, ২০১৯, ০৪:০৪ সকাল
আপডেট : ১০ অক্টোবর, ২০১৯, ০৪:০৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যত ঝুঁকিই আসুক, মামলা চালিয়ে যাব: আবরারের বাবা

যুগান্তর ডেস্ক : জীবনের যত ঝুঁকি আসুক আমি ছেলে হত্যার মামলা চালিয়ে যাব বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের বাবা বরকতুল্লাহ। বুধবার সকালে কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামে নিজ বাড়িতে তিনি এ সব কথা বলেন।

আবরারের পিতা বলেন, আমি ডিবি পুলিশকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি অমিত সাহার রুমে আবরারকে হত্যা করা হয়েছে এবং তার সহপাঠীরা জানিয়েছেন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আমিত সাহা সরাসরি সম্পৃক্ত। অবশ্যয় মামলায় তাকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, জীবনের যত ঝুঁকি আসুক আমি ছেলে হত্যার মামলা চালিয়ে যাব এবং আসামিদের উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনব।

সরকারের এখন পর্যন্ত পদক্ষেপে সন্তুষ্ট প্রকাশ করে বরকতুল্লাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী জানেন স্বজন হারানোর ব্যথা। তিনি যদি সিসি ফুটেজ দেখেন তাহলে আমার বিশ্বাস আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা দ্রুত সময়ে এবং সর্বোচ্চ শাস্তি পাবে।

প্রসঙ্গত, ভারতের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতা করে শনিবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ফাহাদ। এর জেরে রোববার রাতে শেরেবাংলা হলের নিজের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে ডেকে নিয়ে ২০১১ নম্বর কক্ষে বেধড়ক পেটানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পিটুনির সময় নিহত আবরারকে ‘শিবিরকর্মী’ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা চালায় খুনিরা।

তবে আবরার কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না বলে নিশ্চিত করেছেন তার পরিবারের সদস্যসহ সংশ্লিষ্টরা।

হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ না রাখতে সিসিটিভি ফুটেজ মুছে (ডিলেট) দেয় খুনিরা। তবে পুলিশের আইসিটি বিশেষজ্ঞরা তা উদ্ধারে সক্ষম হন। পুলিশ ও চিকিৎসকরা আবরারকে পিটিয়ে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন।

  • সর্বশেষ