শিরোনাম
◈ ক্রীড়া উপদেষ্টার দেওয়া বক্তব্য আইসিসির সরাসরি কোনো জবাব নয় বলে জানালেন উপ-প্রেস সচিব ◈ নির্বাচন ডাকাতি আর কখনো না ঘটতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ◈ বিতর্কিত তিন নির্বাচন নিয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন জমা ◈ ঢাকায় নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ◈ জাপানে এক লাখ বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য—জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে আকিয়ে আবের সঙ্গে ইউনূসের বৈঠক ◈ শ্রমিকের অধিকার নিজেরা  ছিনিয়ে না নিলে কখনো অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে না: মঈন খান ◈ ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সচিবালয়ে ব্যানার ◈ চার দেশের বাংলাদেশ মিশনের প্রেস সচিবকে দেশে ফিরে আসার নির্দেশ ◈ এমপি সাহেবরা সরকারি বরাদ্দের ৫০ ভাগ নিজেরা রাখে : রুমিন ফারহানা ◈ আইসিসি জানিয়েছে তিন কারণে বাংলাদেশের নিরাপত্তা শঙ্কা বাড়তে পারে: ক্রীড়া উপদেষ্টার প্রতিক্রিয়া (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১০ অক্টোবর, ২০১৯, ০৪:০৪ সকাল
আপডেট : ১০ অক্টোবর, ২০১৯, ০৪:০৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যত ঝুঁকিই আসুক, মামলা চালিয়ে যাব: আবরারের বাবা

যুগান্তর ডেস্ক : জীবনের যত ঝুঁকি আসুক আমি ছেলে হত্যার মামলা চালিয়ে যাব বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের বাবা বরকতুল্লাহ। বুধবার সকালে কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামে নিজ বাড়িতে তিনি এ সব কথা বলেন।

আবরারের পিতা বলেন, আমি ডিবি পুলিশকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি অমিত সাহার রুমে আবরারকে হত্যা করা হয়েছে এবং তার সহপাঠীরা জানিয়েছেন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আমিত সাহা সরাসরি সম্পৃক্ত। অবশ্যয় মামলায় তাকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, জীবনের যত ঝুঁকি আসুক আমি ছেলে হত্যার মামলা চালিয়ে যাব এবং আসামিদের উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনব।

সরকারের এখন পর্যন্ত পদক্ষেপে সন্তুষ্ট প্রকাশ করে বরকতুল্লাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী জানেন স্বজন হারানোর ব্যথা। তিনি যদি সিসি ফুটেজ দেখেন তাহলে আমার বিশ্বাস আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা দ্রুত সময়ে এবং সর্বোচ্চ শাস্তি পাবে।

প্রসঙ্গত, ভারতের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতা করে শনিবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ফাহাদ। এর জেরে রোববার রাতে শেরেবাংলা হলের নিজের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে ডেকে নিয়ে ২০১১ নম্বর কক্ষে বেধড়ক পেটানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পিটুনির সময় নিহত আবরারকে ‘শিবিরকর্মী’ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা চালায় খুনিরা।

তবে আবরার কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না বলে নিশ্চিত করেছেন তার পরিবারের সদস্যসহ সংশ্লিষ্টরা।

হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ না রাখতে সিসিটিভি ফুটেজ মুছে (ডিলেট) দেয় খুনিরা। তবে পুলিশের আইসিটি বিশেষজ্ঞরা তা উদ্ধারে সক্ষম হন। পুলিশ ও চিকিৎসকরা আবরারকে পিটিয়ে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়