প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ দমনে আমরা বিশ্বব্যাপী সুনাম কুড়িয়েছি, বললেন ডিএমপি কমিশনার

বেলাল হোসেন : আসাদুজ্জামান মিয়া একান্ত সাক্ষাতকারে একাত্তর টেলিভিশনকে বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা জনগণ গ্রহণ করুক কিংবা না করুক, সেটা সম্পূর্ণ তাদের এখতিয়ার। আমি ডিএমপি কমিশনার থাকা অবস্থায় বিশেষ করে ঢাকা মহানগরে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক উন্নতি করেছি। আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের কঠোর অবস্থান ছিলো। অনেক সময় অভিযোগ এসেছে, আমরা রাজনৈতিক কৌশল অবলম্বন করেছি, এমনকি হত্যা, গুমসহ নানা অভিযোগ করেছে অনেকেই । কিন্তু এটা মোটেও ঠিক নয়, কারণ ২০১৫ সালের জানুয়ারীতে সারা দেশে একটানা যে নৈরাজ্য হয়েছিলো, তা এদেশের মানুষ জানে। ২০১৩ সালে হেফাজাত যে তা-ব করেছে তা নাগরিকরা দেখেছেন। আমরা শুধুমাত্র সেগুলো কঠোরভাবে প্রতিহত করেছি।

তিনি বলেন, একাদশ নির্বাচনের সময় নয়াপল্টনে পুলিশের ওপর হামলা হয়েছিলো ১৭ জন পুলিশ আহত হয়েছিলো, পুলিশের গাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিলো। সেটাও আমরা আইনের মাধ্যমে কঠোরভাবে মোকাবেলা করেছিলাম। গুম, হত্যা, গায়েবি মামলা ইচ্ছা করলেই দেয়া যায় না। মামলা দেয়ার ক্ষেত্রে , একটি স্থান, একটি ঘটনা, কিছু সাক্ষির প্রয়োজন হয়। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের সাংবিধানিক দায়িত্ব। আর এ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি কেউ বলে, পুলিশ অপকর্ম করে, সেটা গ্রহণযোগ্য নয়। যারা গণতন্ত্রকে ব্যাহত করতে চায়, তারা গায়েবী মামলাসহ পুলিশের বিরুদ্ধে নানা ধরণের অভিযোগের তীর ছুঁড়ছেন।

কমিশনার আরো বলেন, ২০১৮ সালে হেলমেটধারীদের হাতে ১৫-২০ জন সাংবাদিক আহত হয়েছিলো। সেই ঘটনায় আমরাই মামলা করেছি। যা এখনো তদন্তে আছে। কোন কোন মামলা তদন্ত করতে একটু সময় লাগে। আমি আশা রাখি এমামলার বিচারও হবে এটা সময়সাপেক্ষ মাত্র। পুলিশ এবং সাংবাদিক আমাদের দায়িত্ব আমার মতে একই।

তিনি বলেন, দুটো ক্ষেত্রে আমি ব্যর্থ। একটা হলো, থানার মান উন্নতি হলেও কাঙ্খিত পর্যায়ে দৃশ্যমান না করতে পারা। দ্বিতীয়টি হলো সড়কের কাঙ্খিত শৃঙ্খলা ফিরিয়ে না আনতে পারা। তবে আমি বলতে পারি, আমাদের দেশ বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে পুলিশ পানির মধ্যে দাঁড়িয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। দুঃখের বিষয় আমরা এখন পর্যন্ত অটো সিগনাল ব্যবস্থা তৈরি করতে পারিনি। সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব, আমাদের নয়।

আসাদুজ্জামান মিয়া বলেন, আমি ৩২ বছর পুলিশের চাকরিতে আছি। এসময় অনেক পুলিশ সদস্যকে অপরাধে জড়িয়ে যেতেও দেখেছি, তাদের বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তিও হয়েছে।

সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত