শিরোনাম
◈ মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশজুড়ে বাড়তে পারে বৃষ্টি ◈ ‘ভারত কেন প্রতিবেশীদের সঙ্গে শান্তিতে থাকতে পারে না?’ : ইয়েনি শাফাকের প্রতিবেদন ◈ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ছে, দেশে কতটা প্রভাব পড়বে? ◈ ৯ বছরেও প্রত্যাবাসন হয়নি, রোহিঙ্গা সংকটে নতুন কৌশলের আহ্বান ◈ কোচিং সেন্টারে জড়াতে পারবেন না জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যরা: সুপ্রিম কোর্টের পরিপত্র জারি ◈ প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ◈ সম্পাদকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক, যা নিয়ে আলোচনা হলো ◈ ইরানের সব ‘অর্থনৈতিক লাইফলাইন’ ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ◈ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি, দেশে প্রভাব পড়ার শঙ্কা কতটা? ◈ যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসার ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করার প্রস্তাব

প্রকাশিত : ১৩ আগস্ট, ২০১৯, ০৭:৪৩ সকাল
আপডেট : ১৩ আগস্ট, ২০১৯, ০৭:৪৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চামড়ার টাকা পেতে অবশেষে মসজিদের প্রবেশপথে ঘুমে অচেতন শ্রমিকেরা

মৌরী সিদ্দিকা : লালবাগ শাহী মসজিদে প্রবেশপথের সামনের বারান্দা ও সিড়িতে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় কয়েকজন তরুণকে দেখা গেলো গভীর ঘুমে অচেতন। একই স্থানে বসে আছে ঢুলুঢুলু চোখে আরও কয়েকজন। ওরা পোস্তার রাতের শ্রমিক। জাগো নিউজ

সোমবার দুপুর থেকে ওদের কেউ চামড়া আড়তে নামানোর কাজে আবার কেউবা চামড়ায় লবণ লাগানোর কাজে ব্যস্ত ছিলো। রাতভর কাজ করে ভোরে ক্লান্ত শরীর এলিয়ে শুয়ে পড়েছেন মসজিদের বারান্দা ও সিড়িতে। যারা জেগেছিলেন তারা সবাই মজুরির জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

তারা পেশায় কেউ-ই পোস্তার চামড়ার নিয়মিত শ্রমিক নন। কেউ স্যানিটারি মিস্ত্রি, কেউ নির্মাণ শ্রমিক, কেউ রাজমিস্ত্রির যোগালি আবার কেউবা শাকসবজি বিক্রেতা। লেবার সর্দারের মাধ্যমে তারা একদিনের জন্য পোস্তার আড়তে কাজ করতে এসেছেন।

পটুয়াখালীর বাসিন্দা মোহাম্মদ সামিউল নামের এক শ্রমিক জানান, সোমবার সকাল ১১টা থেকে তিনি আড়তে কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত ঘুমাননি।

তিনি আরো জানান, বিভিন্ন আড়তে দু'ধরনের শ্রমিক কাজ করেছেন। একদল শ্রমিক ট্রাক থেকে চামড়া নামিয়ে আড়তে নিয়ে ভাজ করে রেখেছেন। এরা চামড়া প্রতি ২০ টাকা মজুরি পাবেন। আরেকদল চামড়ায় লবণ লাগানোর কাজ করেছেন। তারা চামড়া প্রতি ৪০ টাকা মজুরি পাবেন।

শ্রমিকরা জানান, সোমবার দুপুর থেকে শুরু করে সারারাত ট্রাক থেকে চামড়া নামানো ও চামড়ায় লবণ লাগানোর কাজ করেছেন। সারাদেশের চামড়া পোস্তায় নিয়ে আসায় রাস্তা ভর্তি ট্রাক ছিল।

শামীম নামের এক শ্রমিক জানান, তিনি সোমবার থেকে ভোর পর্যন্ত ১০০টি চামড়ায় লবণ লাগিয়েছেন। কষ্ট হলেও হাজার চারেক টাকা পাবেন ভেবে না ঘুমানোর কষ্ট ভুলে রয়েছেন।

তবে প্রায় সবাই জানালেন, মজুরি কখন পাবেন কেউ জানেন না। মালিকরা টাকা না দিয়েই সকালে বাড়ি গেছেন। দুপুরের দিকে হয়তো মজুরি পেতে পারেন।

  • সর্বশেষ