শিরোনাম
◈ ফেব্রুয়ারি থেকে অক্টোবর, যেভাবে পাল্টে গেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের সমীকরণ ◈ চার দশকের অপেক্ষার অবসান, ২০ নভেম্বর চালু হচ্ছে পাবনা-ঢাকা সরাসরি ট্রেন ◈ সাজেক দখলে মরিয়া দুই পক্ষ, বিপাকে পর্যটন ব্যবসায়ীরা ◈ ২০২৭ সালের জুনে চালু হচ্ছে চট্টগ্রামের প্রথম স্যুয়ারেজ প্রকল্প, উপকৃত হবে ২০ লাখ মানুষ ◈ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ভুলে ২০ লাখ পাঠ্যবই সংশোধনের উদ্যোগ, বাড়ছে ব্যয়ের শঙ্কা ◈ ১৬ ডিসেম্বর থার্ড টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য, জাপানি কনসোর্টিয়ামের ৪ শর্তে আটকে চুক্তি! ◈ এসবিআই ব্যাংকের ৩ লাখ ৮০ হাজার নথি চুরির দাবি হ্যাকারদের, গ্রাহকদের তথ্য ফাঁসের শঙ্কা ◈ তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নভেম্বরে, মোদির সঙ্গে বৈঠকে গুরুত্ব পাবে যেসব ইস্যু: ইন্ডিয়া এম্পায়ারের নিবন্ধ ◈ কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা নয়ন গ্রেপ্তার, আদাবরে আরও অপকর্মের অভিযোগ ◈ পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস চালুর পরিকল্পনা, কলকাতা যেতে সময় লাগতে পারে মাত্র ৬ ঘণ্টা

প্রকাশিত : ৩০ জুলাই, ২০১৯, ০১:৫৯ রাত
আপডেট : ৩০ জুলাই, ২০১৯, ০১:৫৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

একজন ভালো শিক্ষকের যতো গুণ থাকা দরকার, অধ্যাপক ডা. এম এ কাদেরীর মাঝে সবগুলোই ছিলো

ইয়াসমিন : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান বলেছেন, একজন ভালো শিক্ষকের যতো গুণ থাকা দরকার অধ্যাপক ডা. এম এ কাদেরীর মাঝে এর সবগুলোই ছিলো।  তার শিক্ষা দানের পদ্ধতি ছিলো অনুসরণীয় ও অনুকরণীয়।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এম এ কাদেরীর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভায় তিনি একথা বলেন। শহীদ ডা. মিলন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে বাস্তবে রূপ দিতে অধ্যাপক ডা. এম এ কাদেরীর অসামান্য অবদান রয়েছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান বলেন, গুণী শিক্ষক, দক্ষ প্রশাসক ও মানবিক গুণাবলীতে অধ্যাপক ডা. এম এ কাদেরী ছিলেন অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব। শুধু কথায় নয়, বাস্তবেই তার গুণগুলো ধারণ করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল হাসান মিলন বলেন, বহুমাত্রিক গুণের অধিকারী অধ্যাপক ডা. এম এ কাদেরীর জীবনাদর্শ আগামী দিনের পথ চলতে অনুপ্রেরণা দিয়ে যাবে।

সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা.  কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী অধ্যাপক ডা. এম কাদেরী ছিলেন সফল শিক্ষক। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসিডেন্সি কোর্স চালু, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিশ্চিতসহ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভ ও সুন্দর যাত্রায় অধ্যাপক ডা. এম এ কাদেরীর অপরিসীম অবদান রয়েছে।

স্মরণসভায় অন্য বক্তারা বলেন, গুণী শিক্ষক, মহান চিকিৎসক, রোগীর প্রতি অত্যন্ত দরদী মনের অধিকারী ও দক্ষ প্রশাসক হিসেবে অধ্যাপক ডা. এম এ কাদেরীর অবদান জাতি চিরদিন মনে রাখবে। শিক্ষক হিসেবে তিনি তার ছাত্র-ছাত্রীদের অন্তর দিয়ে ভালোবাসতেন, স্নেহ করতেন কিন্তু শিক্ষার মান ও নীতি-আদর্শের কাছে কোনোদিন আপোস করেননি। নৈতিকতা, দেশপ্রেম, দরদী মন, সততা, একাগ্রতা, নিষ্ঠা, ন্যায়পরায়ণতা ছিলো তার। অধ্যাপক ডা. এম.এ কাদেরী ছিলেন চিকিৎসক সমাজসেবক, সৎ রাজনীতিবিদ ও মানব জীবনের জন্য আদর্শ ও অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব।

বক্তারা অধ্যাপক ডা. এম এ কাদেরীর অবদানের কথা উল্লেখ করে তার নামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ভবনের নামকরণ করার দাবি জানান।

সম্পাদনা: অশোকেশ রায়

 

 

  • সর্বশেষ