শিরোনাম
◈ ইরানের হুমকির পর ঘরবন্দি ট্রাম্পপুত্র ব্যারন, কাটছে অন্তর্মুখী জীবন ◈ কনটেইনার পরিবহন বাড়লেও সেরা ১০০ বন্দরে ৬৮তম চট্টগ্রাম ◈ সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা কী এবং কোন পাঁচ বিষয় চ্যালেঞ্জ হতে পারে? ◈ ঢাকার যানজট কমাতে টোল থেকে বাস টার্মিনাল, প্রধানমন্ত্রীর ৮ নির্দেশনা ◈ মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের করণীয়-বর্জনীয় নিয়ে জরুরি নির্দেশনা ◈ ডিবিকে ফোনকল: আমি ভালো হয়ে যাবো, অস্ত্রসহ আমাকে নিয়ে যান ◈ ভ্রমণ আরও সহজ করতে এআই মোডে গুগলের নতুন ফিচার ◈ হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, মোট ৯৬৩ ◈ সরকারের ছয় মাসে ১০ অভিযোগ চরমোনাই পীরের ◈ সব কাজ দ্রুত করা সম্ভব না হলেও সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১০ জুলাই, ২০১৯, ০১:৪৮ রাত
আপডেট : ১০ জুলাই, ২০১৯, ০১:৪৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাংবাদিক মুহম্মদ জাহাঙ্গীর মারা গেছেন

সালেহ্ বিপ্লব : দেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক মুহম্মদ জাহাঙ্গীর ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাইলো ফাইব্রোসেসে (রক্তে ক্যান্সার) আক্রান্ত ছিলেন। দু’দিন যাবত লাইফ সাপোর্টে থাকার পর দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটে ঢাকার গেণ্ডারিয়ার আসগর আলী হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কিছুক্ষণ আগে অপূর্ব জাহাঙ্গীর জানিয়েছেন, তার বাবার মরদেহ হিমঘরে রাখা হয়েছে। সকালে বাসায় নেয়া হবে। এরপর জানাযা ও অন্যান্য বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

জনপ্রিয় টিভি ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আপন ছোটভাই। মুহম্মদ জাহাঙ্গীর ২৫ বইয়ের রচয়িতা। এগুলোর বেশিরভাগই সাংবাদিকতা নির্ভর। তিনি সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট কমিনিউকেশনের নির্বাহী পরিচালক।

তিনি ১৯৫১ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি মিডিয়া বিষয়ক একজন লেখক হিসেবে বাংলাদেশে সুপরিচিত। এ ছাড়াও রাজনীতি ও বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয়ে সংবাদপত্রে নিয়মিত কলাম লিখতেন। নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গির কারনে তিনি সকলের কাছে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হয়ে উঠেন। ঢাকার জাতীয় দৈনিক প্রথম আলাে’ ও চট্টগ্রামের দৈনিক ‘আজাদীতে তিনি নিয়মিত লিখতেন।

তিনি চট্টগ্রাম কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি সক্রিয় ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর ১৯৭০ সালে দৈনিক পাকিস্তানে সাংবাদিকতা পেশায় যোগ দেন। ১৯৮০ সালে তিনি সক্রিয় সাংবাদিকতা ছেড়ে প্রেস ইনষ্টিটিউট অব বাংলাদেশ-এ সাংবাদিক প্রশিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হন।

১৯৯৫ সালে তিনি সেন্টার ফর ডেভলপমেন্ট কম্যুনিকেশন নামে একটি বেসরকারি মিডিয়া সংস্থা গঠন করে এর নির্বাহী পরিচালকর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৮ সাল থেকে বেতার ও ১৯৭৬ সাল থেকে টিভি মিডিয়ার সঙ্গে জড়িত। চলতি বিষয়ধর্মী টক শাের সফল মডারেটর হিসেবে তিনি বিশেষ পরিচিতি অর্জন করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্সসহ এম এ ও সাংবাদিকতায় এম এ ডিগ্রী লাভ করেছেন। তিনি ঢাকার ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস (ইউল্যাব) এর মিডিয়া স্টাডিজ এ্যান্ড জানালিজম বিভাগের খন্ডকালীন অধ্যাপক। সাংবাদিকতা, গণমাধ্যম, রাজনীতি ও অন্যান্য বিষয়ে তার লেখা ও সম্পাদিত বইয়ের সংখ্যা সাতাশটি।

  • সর্বশেষ