প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তামিমের পর লিটনের বিদায়, মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে লড়ছেন মুশফিক (সরাসরি)

আক্তারুজ্জামান : সৌম্য সরকারের (১০) বিদায়ের পরও মনে হচ্ছিল ম্যাচে বাংলাদেশ লড়াই করবে। কিন্তু সাকিব (৪১) ফেরার পর সে সম্ভবনা একটু কমে যায়। আর তামিমের (৬২) বিদায়ের পর যেন ম্যাচটা ছেড়েই দিয়েছে টাইগাররা। কেননা তামিমের দেখানো পথে দ্রুতই হেঁটেছেন আগের ম্যাচের সুপারস্টার লিটন দাস (২০)। এরপর যেন ধুঁকতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। ৩২২ রানের বিশাল লক্ষ্য নিয়ে এখনও লড়ছে স্টিভ রোডসের শিষ্যরা।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে রান তুলেছে ২৬৪। মুশফিক ৭৬ ও রিয়াদ ৪৫ রানে ক্রিজে আছেন।

শেষ ৪ ওভারের কিপ্টে বোলিংয়ে ৪শ করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দিয়েছে ৩৮২ রানের। যে রান তাড়া করে জিততে হলে বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়তে হবে তামিম-সাকিবদের। রান তাড়ার রেকর্ড সামনে নিয়ে খেলতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ দল। ২৩ রানের মধ্যে সাজঘরে ফিরেছেন সৌম্য সরকার। তামিমের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে ফিরে যান বল হাতে আলো ছড়ানো সৌম্য।

কিন্তু টাইগারদের বিপদে পড়তে দেননি তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান জুটি। এরই মধ্যে বাংলাদেশকে শতরানের সংগ্রহ এনে দিয়েছেন এদুজন। ১৮ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ১০২ রান তুলে ক্রিজে ছিল সাকিব-তামিম। মার্কাস স্টোইনিসের ব্লেয়ারে বিভ্রান্ত হয়ে ওয়ার্নারকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাকিব। সাজঘরে যাওয়ার আগে ৪১ বলে মূল্যবান ৪১ রান করেন।

মাত্র ১টি ওভার বাকি ছিলো অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস শেষ হতে। ঠিক তখনই নেমে এলো বৃষ্টি। এর আগে ৪৯ ওভার ব্যাটিং করে ৩৬৮ রানের বিশাল রান তুলেছিল অস্ট্রেলিয়া। বৃষ্টি শেষ হতেই ক্রিজে এলেন দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান অ্যালেক্স ক্যারি ও মার্কাস স্টোইনিস। শেষ ওভারে বল হাতে নিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। রান দিলেন ১৪। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৩৮১ রানের বিশাল সংগ্রহ পেয়েছে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া।

নটিংহ্যাম ট্রেন্টব্রিজের ব্যাটিং সহায়ক পিচটি বড় রানের জন্যে বিশেষ খ্যাতি পেয়েছিলো আগেই। গতকাল বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের প্রথম ইনিংসে সেটার দেখাও মিললো। দুটি বড় পার্টনারশিপেই মূলত বিশাল রানের পুঁজি পেয়েছে অ্যারন ফিঞ্চরা। দুই ওপেনারকে পরাস্ত করতেই ২১ ওভার খেলতে হয়েছে বাংলাদেশের বোলারদের। ওই ওভারে পার্ট টাইম বোলার হিসেবে বল তুলে নেওয়া সৌম্য সরকার ফেরালেন সদ্য অর্ধশত করা অ্যারন ফিঞ্চকে (৫৩)। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরী হয়ে গেছে। ১২১ রান তুলে ফেলেছে ল্যাঙ্গারের শিষ্যরা।

এরপর শুরু ওয়ার্নার-খাজা তাণ্ডব। এ জুটি ছিল আরও ভয়ঙ্কর। প্রায় ২৪ ওভার খেলে এদুজন যোগ করেন আরও ১৯২ রান। ১৬৬ রানে সৌম্যর বলেই ফেরেন ডেভিড ওয়ার্নার। শান্ত মেজাজের উসমান খাজাও যেন শান দেওয়া ব্যাট হাতে নেমেছিলেন। সাকিব-রুবেলদের কচুকাটা করে ৭২ বলে ৮৯ রান করে সৌম্যর তৃতীয় শিকারে ফেরেন।
বিপদ যেন তখনও অপেক্ষা করছিল। গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ক্রিজে নেমে ১০টি বল খেলে নাভিশ্বাস তুলে দিলেন রুবেল হোসেনের। ৫টি বল খেলেই তুলে নেন ২২ রান।

পরে অবশ্য রানের চাকা একটু টেনে ধরেছিল মুস্তাফিজ-সৌম্য। ৪৭, ৪৮, ৪৯ ও ৫০ তম ওভারে রান আসে যথাক্রমে ২, ৫, ৯ ও ১৪। সৌম্যর ৩টি ছাড়াও স্মিথকে দারুণ ফুলটসে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মুস্তাফিজ। সম্পাদনা : মোহাম্মদ রকিব

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত