শিরোনাম
◈ জামায়াত নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোট নিয়ে ১০১ আলেমের তিন আপত্তি ◈ বিটিআরসি কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় আটক ২৮ ◈ মানবাধিকার সংগঠনের চোখে বাংলাদেশে 'মব সন্ত্রাস' উদ্বেগজনক, থামছে না কেন ◈ দেশের স্বার্থে বিএনপি-জামায়াত একসাথে কাজ করবে: জামায়াত আমির  (ভিডিও) ◈ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বাংলা‌দে‌শে আসা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ হলো না কেন? ◈ নেতৃত্ব বদলালেও সার্কের স্বপ্ন শেষ হয়নি: প্রধান উপদেষ্টা ◈ তারেক রহমানের সঙ্গে জামায়াত আমিরের সাক্ষাৎ ◈ তারেক রহমানের সাথে ডাকসু ভিপির সাক্ষাৎ, রাজনীতিতে নিজেদের মধ্যে ভিন্নতা বা বিভাজন থাকাটা গণতান্ত্রিক সৌন্দর্য ◈ বিমানের রেকর্ড মুনাফা: আয় ১১ হাজার কোটি ছাড়াল, লাভ বেড়েছে ১৭৮ শতাংশ ◈ বিটিআরসি ভবনে হামলা, আটক ৩০

প্রকাশিত : ১৭ জুন, ২০১৯, ০৫:০২ সকাল
আপডেট : ১৭ জুন, ২০১৯, ০৫:০২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রুমিনের বক্তব্যে আবারও উত্তাপ সংসদ(ভিডিও)

রুমিন ফারহানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক দাবি করায় এবং সংসদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন করায় রোববার আবারো উত্তপ্ত হয়েছে সংসদ। ১০ মিনিটের বক্তৃতায় তিন দফায় বাধার সম্মুখীন হয়েছেন বিএনপির সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। রুমিন ফারহানা বলেন, তিনি সংসদে কথা বলার জন্য দাঁড়ালেই সরকার দলীয় এমপিরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন।

তিনি বলেন, আমি আমার দলের কথা বলব, তারা তাদের কথা বলবেন। কিন্তু আমি ওঠে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পুরো সংসদ যদি উত্তেজিত হয়ে যায়, যদি মারমুখী হয়ে যায় তাহলে আমি আমার বক্তব্য কীভাবে রাখব? রবিবার বিকেলে একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় এভাবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিবেশ।

রুমিন বলেন, ‘এই সংসদের কেউ কি বলতে পারবেন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত? কেউ বলতে পারবেন না।’ এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে সরকারি দলের সদস্যরা হৈ চৈ করতে থাকেন। একপর্যায়ে ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া তাকে থামিয়ে বলেন, ‘আপনি বাজেটের বাইরে এমন কোনো কথা বলবেন না যাতে সংসদ উত্তপ্ত হয়।’

ব্যারিস্টার রুমিন বলেন, ‘এই সংসদে আসার আগে সংসদ নেতা বলেছিলেন, আমাদের কথা বলতে দেবেন। কিন্তু আমার প্রথম বক্তৃতার দুই মিনিটের এক মিনিটও শান্তিমতো কথা বলতে পারি নাই। একই ঘটনা আজকেও।’ তার বক্তৃতা থামিয়ে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘এমন কথা বলবেন না যাতে বিরোধী পক্ষ উত্তেজিত হয়।’

পুনরায় বক্তব্য শুরু করে রুমিন বলেন, ‘আমরা কথা বলতে পারছি না। আমরা কোন গণতন্ত্রের কথা বলছি? যে গণতন্ত্র কথা বলতে দেয় না, আমাদের কথা বলার সময় বাধা দেওয়া হয়? আমি আমার দলের কথা বলব, তারা তাদের দলের কথা বলবে। আমি দাঁড়াবার সঙ্গে সঙ্গে পুরো সংসদ যদি উত্তেজিত হয়ে যায়, তাহলে কীভাবে কথা বলব।’ পুরো ১০ মিনিটের বক্তৃতায় কয়েক সেকেন্ড শুধু সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনা করেন তিনি। সেই আলোচনায় তিনি বলেন, ‘২০১০-১১ অর্থ বছর থেকে এ পর্যন্ত বাজেট বাস্তবায়ন হয়েছে ৭৬ শতাংশ। সরকারের সক্ষমতা দিন দিন কমছে।’

বক্তৃতার চার মিনিট ৫৬ সেকেন্ডে আবারও বাধা দেওয়া হয় তাকে। এভাবেই তিনি তার ১০ মিনিটের বক্তৃতা শেষ করেন। পরে ডেপুটি স্পিকার তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আপনি বাজেটের বাইরে ও সংসদীয় ভাষার বাইরে যেসব কথা বলেছেন সেসব কথা সংসদীয় প্রসিডিউর থেকে এক্সপাঞ্জ করা হলো’। এর পর বিএনপির সবাই অধিবেশন থেকে বেরিয়ে যান। পরে অবশ্য আবার অধিবেশনে ফেরেন তারা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়