শিরোনাম
◈ বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্কে অন্তঃসত্ত্বা, দেড় লাখ টাকায় নবজাতক বিক্রির অভিযোগ, শিশুসহ উদ্ধার ৪ ঘণ্টায় ◈ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের, ১৯৯৩ সালের ঘটনা ঘিরে বিতর্ক ◈ সীতাকুণ্ডে মহাসড়কে দাঁড়ানো বাসে লরির ধাক্কা, শিশুসহ নিহত ৫ ◈ বিশ্বের সেরা এয়ারলাইনস ভিয়েতনাম ও বিমানবন্দরের খাবার হিথরো! ◈ বগুড়া আদালত চত্বরে তরুণীকে জোর করে গাড়িতে তোলার চেষ্টা, টানাহেঁচড়ায় পরনের পোশাক ছিঁড়ে যায় (ভিডিও) ◈ বঙ্গোপসাগর ঘিরে সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী টোকিও: জাপানের প্রধানমন্ত্রী ◈ কৌশলগত অংশীদারত্বে বাংলাদেশ-জাপান, জ্বালানি-আইসিটি ও গভীর সমুদ্রবন্দরে সহযোগিতা বাড়বে ◈ এএফসি কংগ্রেস নিয়ে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে অভিযোগ ◈ ইয়ামাল-এমবাপেকে পেছনে ফেলে প্রথমবার ব্যালন ডি’অর জিত‌লেন হ‌্যা‌রি কেইন ◈ জামিনে মুক্তি পেয়ে পুরোনো অপরাধে ফিরছেন দাগি আসামিরা

প্রকাশিত : ০১ জুন, ২০১৯, ০৭:১০ সকাল
আপডেট : ০১ জুন, ২০১৯, ০৭:১০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফ্লোরে ঘুমান মাগুরার ডিসি!

ডেস্ক রিপোর্ট : ‘রাজা সীতারাম রায়ের স্মৃতিচিহ্ন ও ৩০০ বছরের প্রাচীন একটি পালঙ্কে ঘুমান মাগুরার জেলা প্রশাসক’ প্রকাশিত এমন খবরকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন ডিসি আলী আকবর। রাজার পালঙ্কে নয়, তিনি ফ্লোরে ঘুমান বলে দাবি করেছেন।

১৬৮৬ সালে সম্রাট আওরঙ্গজেবের কাছ থেকে রাজা উপাধি লাভ করেন সীতারাম রায়। প্রতাপশালী এই রাজা যে পালঙ্কে বিশ্রাম নিতেন সেটি দীর্ঘদিন ধরে মাগুরা জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে রাখা ছিল। নতুন ভবন নির্মাণ এবং সংস্কার কাজের সুবিধার জন্যে এটি বিভিন্ন সময় ট্রেজারি থেকে রেকর্ডরুমের স্তূপে এবং জিমখানার অন্যান্য অব্যবহৃত উপকরণের পাশে জায়গা পেয়েছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, গত ২ ফেব্রুয়ারি রাজা সীতারামের সেই পালঙ্কটি মাগুরার এনডিসি রাজিব চৌধুরীর সহায়তায় জেলা প্রশাসকের বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। ডিসি ওই পালঙ্কে ঘুমান এমন খবর প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পালঙ্কটি দীর্ঘদিন ধরে জেলা প্রশাসকের বাংলোতেই রয়েছে। আমার এটি আনার প্রশ্নই ওঠে না। বরং পালঙ্কটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। তাই আমি মেরামত ও রঙ করিয়েছি।’

পালঙ্কটি কেন জাদুঘরে পাঠানো হয়নি, এ প্রশ্নের উত্তরে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আমার আগের জেলা প্রশাসক প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরকে এটি গ্রহণ করার জন্য লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা এটি গ্রহণ করেনি। এই মূল্যবান সম্পত্তি প্রতœতত্ত্ব বিভাগ গ্রহণ না করলে আমি কি সেটা রাস্তায় ফেলে দেবো? জেলা প্রশাসক হিসেবে পালঙ্কটি সযতেœ সংরক্ষণের স্বার্থেই আমি আমার দায়িত্ব পালন করছি।’

রাজার পালঙ্কে ঘুমানোর প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ছাত্রজীবন থেকেই আমার ফ্লোরে ঘুমানোর অভ্যাস। এখনো আমি ফ্লোরেই ঘুমাই। রাজার পালঙ্কে ঘুমানোর প্রশ্নই ওঠে না।’

সূত্র : ঢাকা টাইমস

  • সর্বশেষ