শিরোনাম
◈ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ শত্রুর বস্তুগত ও অবস্তুগত সব সম্পদ ইরা‌নের নিশানায়: মেজর জেনারেল আব্দুল্লাহি  ◈ ঢাকার চালে ২৭% ও চিড়ায় ৫৫% ক্যান্সার সৃষ্টিকারী আফলাটক্সিন, গবেষণায় মিলল উদ্বেগজনক তথ্য ◈ আগামী চার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের খবর গুজব, কমতে পারে সরবরাহ: পেট্রোবাংলা ◈ মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে বেধড়ক পেটাল কয়েকজন, গ্রেপ্তার ৫ ◈ পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন: মিরপুর-গাজীপুরে সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক, খুলেছে মেট্রো স্টেশন ◈ সীতাকুণ্ডে সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহত, মহাসড়ক ও রেললাইন অবরোধ ◈ গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ ও উৎপাদনে বাধা দিলে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ত্রয়োদশ সংসদে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান, উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের সঙ্গে ডিসেম্বরের রাজনৈতিক যোগসূত্র নেই: তথ্য উপদেষ্টা

প্রকাশিত : ০১ জুন, ২০১৯, ০৭:১০ সকাল
আপডেট : ০১ জুন, ২০১৯, ০৭:১০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফ্লোরে ঘুমান মাগুরার ডিসি!

ডেস্ক রিপোর্ট : ‘রাজা সীতারাম রায়ের স্মৃতিচিহ্ন ও ৩০০ বছরের প্রাচীন একটি পালঙ্কে ঘুমান মাগুরার জেলা প্রশাসক’ প্রকাশিত এমন খবরকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন ডিসি আলী আকবর। রাজার পালঙ্কে নয়, তিনি ফ্লোরে ঘুমান বলে দাবি করেছেন।

১৬৮৬ সালে সম্রাট আওরঙ্গজেবের কাছ থেকে রাজা উপাধি লাভ করেন সীতারাম রায়। প্রতাপশালী এই রাজা যে পালঙ্কে বিশ্রাম নিতেন সেটি দীর্ঘদিন ধরে মাগুরা জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে রাখা ছিল। নতুন ভবন নির্মাণ এবং সংস্কার কাজের সুবিধার জন্যে এটি বিভিন্ন সময় ট্রেজারি থেকে রেকর্ডরুমের স্তূপে এবং জিমখানার অন্যান্য অব্যবহৃত উপকরণের পাশে জায়গা পেয়েছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, গত ২ ফেব্রুয়ারি রাজা সীতারামের সেই পালঙ্কটি মাগুরার এনডিসি রাজিব চৌধুরীর সহায়তায় জেলা প্রশাসকের বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। ডিসি ওই পালঙ্কে ঘুমান এমন খবর প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পালঙ্কটি দীর্ঘদিন ধরে জেলা প্রশাসকের বাংলোতেই রয়েছে। আমার এটি আনার প্রশ্নই ওঠে না। বরং পালঙ্কটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। তাই আমি মেরামত ও রঙ করিয়েছি।’

পালঙ্কটি কেন জাদুঘরে পাঠানো হয়নি, এ প্রশ্নের উত্তরে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আমার আগের জেলা প্রশাসক প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরকে এটি গ্রহণ করার জন্য লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা এটি গ্রহণ করেনি। এই মূল্যবান সম্পত্তি প্রতœতত্ত্ব বিভাগ গ্রহণ না করলে আমি কি সেটা রাস্তায় ফেলে দেবো? জেলা প্রশাসক হিসেবে পালঙ্কটি সযতেœ সংরক্ষণের স্বার্থেই আমি আমার দায়িত্ব পালন করছি।’

রাজার পালঙ্কে ঘুমানোর প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ছাত্রজীবন থেকেই আমার ফ্লোরে ঘুমানোর অভ্যাস। এখনো আমি ফ্লোরেই ঘুমাই। রাজার পালঙ্কে ঘুমানোর প্রশ্নই ওঠে না।’

সূত্র : ঢাকা টাইমস

  • সর্বশেষ