শিরোনাম
◈ ৯ বছরেও প্রত্যাবাসন হয়নি, রোহিঙ্গা সংকটে নতুন কৌশলের আহ্বান ◈ কোচিং সেন্টারে জড়াতে পারবেন না জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যরা: সুপ্রিম কোর্টের পরিপত্র জারি ◈ প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ◈ সম্পাদকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক, যা নিয়ে আলোচনা হলো ◈ ইরানের সব ‘অর্থনৈতিক লাইফলাইন’ ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ◈ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি, দেশে প্রভাব পড়ার শঙ্কা কতটা? ◈ যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসার ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করার প্রস্তাব ◈ এশিয়ার যে দেশ সন্তান জন্ম দিলেই ৬৭ লাখ টাকা দেবে! ◈ প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রীরা অনুপস্থিত থাকলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যারা থাকবেন ◈ এপিবিএনকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দিয়ে আইনের খসড়া অনুমোদন

প্রকাশিত : ০১ জুন, ২০১৯, ০৭:১০ সকাল
আপডেট : ০১ জুন, ২০১৯, ০৭:১০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফ্লোরে ঘুমান মাগুরার ডিসি!

ডেস্ক রিপোর্ট : ‘রাজা সীতারাম রায়ের স্মৃতিচিহ্ন ও ৩০০ বছরের প্রাচীন একটি পালঙ্কে ঘুমান মাগুরার জেলা প্রশাসক’ প্রকাশিত এমন খবরকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন ডিসি আলী আকবর। রাজার পালঙ্কে নয়, তিনি ফ্লোরে ঘুমান বলে দাবি করেছেন।

১৬৮৬ সালে সম্রাট আওরঙ্গজেবের কাছ থেকে রাজা উপাধি লাভ করেন সীতারাম রায়। প্রতাপশালী এই রাজা যে পালঙ্কে বিশ্রাম নিতেন সেটি দীর্ঘদিন ধরে মাগুরা জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে রাখা ছিল। নতুন ভবন নির্মাণ এবং সংস্কার কাজের সুবিধার জন্যে এটি বিভিন্ন সময় ট্রেজারি থেকে রেকর্ডরুমের স্তূপে এবং জিমখানার অন্যান্য অব্যবহৃত উপকরণের পাশে জায়গা পেয়েছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, গত ২ ফেব্রুয়ারি রাজা সীতারামের সেই পালঙ্কটি মাগুরার এনডিসি রাজিব চৌধুরীর সহায়তায় জেলা প্রশাসকের বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। ডিসি ওই পালঙ্কে ঘুমান এমন খবর প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পালঙ্কটি দীর্ঘদিন ধরে জেলা প্রশাসকের বাংলোতেই রয়েছে। আমার এটি আনার প্রশ্নই ওঠে না। বরং পালঙ্কটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। তাই আমি মেরামত ও রঙ করিয়েছি।’

পালঙ্কটি কেন জাদুঘরে পাঠানো হয়নি, এ প্রশ্নের উত্তরে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আমার আগের জেলা প্রশাসক প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরকে এটি গ্রহণ করার জন্য লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা এটি গ্রহণ করেনি। এই মূল্যবান সম্পত্তি প্রতœতত্ত্ব বিভাগ গ্রহণ না করলে আমি কি সেটা রাস্তায় ফেলে দেবো? জেলা প্রশাসক হিসেবে পালঙ্কটি সযতেœ সংরক্ষণের স্বার্থেই আমি আমার দায়িত্ব পালন করছি।’

রাজার পালঙ্কে ঘুমানোর প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ছাত্রজীবন থেকেই আমার ফ্লোরে ঘুমানোর অভ্যাস। এখনো আমি ফ্লোরেই ঘুমাই। রাজার পালঙ্কে ঘুমানোর প্রশ্নই ওঠে না।’

সূত্র : ঢাকা টাইমস

  • সর্বশেষ