শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা, দক্ষিণ আফ্রিকায় চীন, রাশিয়া ও ইরানের যৌথ নৌ মহড়া ◈ কিশোরগঞ্জে হোটেলের লিফটে বরসহ ১০ জন আটকা, দেয়াল ভেঙে উদ্ধার করেছেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ◈ তেহরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এক রাতেই ২০০-র বেশি বিক্ষোভকারী নিহত ◈ মিত্র হারিয়ে কোণঠাসা খামেনি: ভেনেজুয়েলা থেকে তেহরান—ইরানের শাসন কি শেষ অধ্যায়ে? ◈ নির্বাচনের আগে টার্গেট কিলিংয়ের ছোবল, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ান বিগ ব‌্যাশ, রিশাদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে শীর্ষস্থানে হোবার্ট ◈ যুদ্ধবিমান নিয়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তান আলোচনা, প্রতিক্রিয়ায় যা জানাল ভারত (ভিডিও) ◈ টানা ছয় হার কাটিয়ে জয়ের মুখ দেখল নোয়াখালী এক্সপ্রেস ◈ বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা না চাওয়ায় যা বলল ভারত ◈ তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত

প্রকাশিত : ২৯ মে, ২০১৯, ০৩:২২ রাত
আপডেট : ২৯ মে, ২০১৯, ০৩:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সকল নারীর জৈবিক অধিকার নিশ্চিতকরণে এখনও বহুপথ পাড়ি দিতে হবে

নূর মাজিদ : বিশ্বজুড়ে নারীরা এখনও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও একান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে পুরুষের ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল। অনেক সময় নিজেদের জৈবিক চাহিদা এবং সন্তানধারনের সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতাও নেই, বিপুল সংখ্যক নারীর। জীবনসঙ্গী বেঁছে নেয়ার ক্ষেত্রেও পারিপার্শ্বিক চাপের মুখে তারা হার স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছেন। চলতি বছরের এপ্রিলে প্রকাশিত জাতিসংঘের ২০১৯ সালের বিশ্ব জনসংখ্যা বিষয়ক প্রতিবেদনে নারীর এই অবস্থা তুলে ধরা হয়। সূত্র : রিলিফ ওয়েব।

চলতি বছরের প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিলো, ‘আনফিনিশড বিজনেস- দ্য পারস্যুইট অব রাইটস অ্যান্ড চয়েজস ফর অল’ অর্থাৎ মূল প্রতিপাদ্যে সকল লিঙ্গের মানুষের প্রজনন অধিকারে সমতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। প্রতিবেদনটি জানায়, যেখানে নারীরা নিজেদের শরীর নিয়েই সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা রাখেন না, সেখানে অন্যান্য অধিকার নিশ্চিত করা আরো দূরের বিষয়। নারীর জৈবিক ক্ষমতায়ন করতে হলে বিশ্বের সকল দেশের সরকার এবং বেসরকারি সংস্থাকে এখনও বহুদুর্গম পথ পাড়ি দিতে হবে।

অবশ্য এবারের প্রতিবেদনে তিনটি নতুন আঙ্গিক যুক্ত হয়েছে। যা এবারই প্রথম। এগুলো হলো, নারীর সঙ্গী বেঁছে নেয়ার ক্ষমতা, গর্ভ নিরোধ এবং স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার নিশ্চয়তা। এই তিনটি বিষয়কে নারীর জৈবিক ক্ষমতায়নের পরিমাপক হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। যার আওতায় বিশ্বের ৫১টি দেশের নারীর অবস্থান বিশ্লেষণ করা হয়। সেখানে উঠে আসে, এই সকল দেশের ৫৭ শতাংশ নারী নিজেদের ইচ্ছানুযায়ী বিয়ে বা শারীরিক স¤পর্ক স্থাপন করতে সক্ষম হচ্ছেন। এছাড়াও, সূচকে আলোচিত তিনটি বিষয়েও তারা যথেষ্ট স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন। তবে বাকি ৪৩ শতাংশ নারী এখনও এই স্বাধীনতা ভোগ করতে পারছেন না। যেটা সম-অধিকার প্রতিষ্ঠায় একটি বড় মাপের বাঁধা বলে চিহ্নিত করেছে জাতিসংঘের প্রতিবেদন।

দুটি দেশে নারীরা জৈবিক ইস্যুতে সবচাইতে বেশি স্বাধীনতা ভোগ করছেন। এর একটি হলো ফিলিপাইন এবং দ্বিতীয় হলো ইউক্রেন। এ দুটি দেশে ৮১ শতাংশ নারী নিজ শরীরের ব্যাপারে স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। অন্যদিকে সবচাইতে নেতিবাচক অবস্থায় রয়েছেন, উত্তর আফ্রিকার মালি, নাইজার এবং সেনেগালের নারীরা। এই সকল দেশে মাত্র ৭ শতাংশ নারী জৈবিক সিদ্ধান্ত স্বাধীনভাবে নিতে পারছেন।

এই বিষয়ে ইউএনএফপিএ নির্বাহী পরিচালক ড. নাতালিয়া কানিম বলেন, ‘বিশ্বের সকল নারীর নিজ শরীরের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এতে তারা গর্ভধারণ বা গর্ভপাতের মতো বিষয়গুলোও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। জড়াতে পারবেন নিজের পছন্দের সম্পর্কে। এটা নিশ্চিত করতে হলে আমাদের সামনে আরো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়