শিরোনাম
◈ রাজধানীতে মিরপুরে আতশবাজির ফুলকি থেকে ভবনে আগুন ◈ শোকের মাঝেও উৎসব: রাজধানীতে আতশবাজি–ফানুসে নববর্ষ বরণ ◈ যখন শেখ হাসিনার মুক্তি চেয়েছিলেন খালেদা জিয়া ◈ শুরু হলো ইংরেজি নতুন বর্ষ ২০২৬ ◈ নববর্ষের অঙ্গীকার হবে—অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনে জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন: তারেক রহমান ◈ খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তারেক রহমানকে মোদির শোকবার্তা, যা লেখা আছে এতে ◈ বেনাপোল কাস্টমস কমিশনারসহ ১৭ কমিশনার বদলি ◈ বেগম খালেদা জিয়ার কফিন বহন করলেন তিন আলেম: আজহারী, আহমাদুল্লা ও মামুনুল হক ◈ বেগম খালেদা জিয়া: ক্ষমতা ও প্রতিরোধের জীবন ◈ রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকার: ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে ‘গোপন’ বৈঠকের কথা জানালেন জামায়াত আমীর

প্রকাশিত : ২৭ মে, ২০১৯, ১০:১৪ দুপুর
আপডেট : ২৭ মে, ২০১৯, ১০:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দ্বিতীয় মেঘনা- গোমতী সেতু উদ্বোধনের পর দুই ঘণ্টায় ঢাকা থেকে কুমিল্লা

আবু হানিফ : বাংলাদেশের ‘লাইফ লাইন’ হিসেবে পরিচিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দ্বিতীয় মেঘনা-গোমতী সেতু উদ্বোধনের পর মাত্র দুই ঘন্টায় ঢাকা থেকে কুমিল্লা আসা যাচ্ছে। সড়কে নেই কোন যানজট। নেই কোন বিড়ম্বনা। ঈদুল ফিতরে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা এখন যানজটমুক্ত।

কুমিল্লা থেকে ঢাকার যাতায়াত সময় পৌনে দুই ঘণ্টার মতো হলেও কখনো কখনো এ যাত্রায় নয় থেকে দশ ঘণ্টাও লেগে যেত যানজটের করণে। সকালে রওয়ানা দিয়ে বিকালেও পৌঁছা সম্ভব হতোনা। এর কারণ ছিল-অতিরিক্ত যানবাহন আর চার লেনের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দুই লেনের মেঘনা ও গোমতী সেতুর নির্মাণ কাজ।

অবশেষে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা নদীর ওপর নির্মিত দ্বিতীয় মেঘনা সেতু ও কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গোমতী নদীর ওপর নির্মিত দ্বিতীয় গোমতী সেতু উদ্বোদনের পর খুলে দেওয়ায় যানজটমুক্ত সড়কে দুই ঘন্টার মধ্যেই ঢাকা থেকে কুমিল্লা আসা যাচ্ছে বলে জানান চালক এবং যাত্রীরা।

গত ২৫ মে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নবনির্মিত সেতু দুটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এরপরই পাল্টে গেছে এই রুটে যানজটের চিরচেনা দৃশ্য। স্বস্তি ফিরে এসেছে ট্রাফিক পুলিশ, যাত্রী ও চালকদের মাঝে। আগে যেখানে সেতু পার হতে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা সময় লাগতো, এখন সেখানে সময় লাগে ছয় থেকে আট মিনিট।

মেঘনা ও মেঘনা- গোমতী সেতুর প্রকল্প ব্যবস্থাপক শওকত আহমেদ মজুমদার বলেন, বাংলাদেশে এই প্রথম কোনও বড় প্রকল্পের কাজ নির্দিষ্ট সময়ের আগে সম্পন্ন হলো। এটি সম্ভব হয়েছে মূলত দুটি কারণে সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মনিটরিং এবং জাপানের আধুনিক প্রযুক্তি ও তাদের কর্মদক্ষতা প্রয়োগ। এটি দেশের জন্য ও বর্তমান সরকারের জন্য একটি মাইফলক হয়ে থাকবে।

যাত্রী সামসুল হক বলেন, প্রতিটি উৎসবে এ দুটি সেতু পার হতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। গরমে বাসের মধ্যে বসে থাকা অসহ্য যন্ত্রণা। আশা করি, এবার দুর্ভোগ হবে না। মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে পারবেন।
দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে কোথাও কোনো যানজট নেই। টি এম হুদা

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়