শিরোনাম
◈ ৯৪ মিনিটে গোল, সুইসদের বিপক্ষে কাতারের অবিশ্বাস্য ড্র ◈ শান্তিচুক্তি সইয়ের সময়সূচি ঘোষণা ট্রাম্পের, ভিন্ন অবস্থানে ইরান ◈ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত হবে, লবণচাষীরা পাবেন ন্যায্যমূল্য ◈ বাংলাদেশকে স্বনির্ভর ও শিল্পোন্নত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা: মির্জা ফখরুল ◈ ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানোর কৌশল: অর্থনীতির জন্য কতটা ইতিবাচক? ◈ ক্রিকেটার নাঈমের শারী‌রিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে চট্টগ্রামে গে‌লেন বিসিবির ফিজিওরা ◈ ব্রাজিলের এক‌টি গ্রামের অধিকাংশ মানুষ মরক্কোর বিপক্ষে জয় চান না ◈ ইংল্যান্ড দ‌লের বল ও বুটসহ অ‌নেক অনুশীলন সরঞ্জাম চুরি ◈ সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে একটি করে গাছ লাগান: প্রধানমন্ত্রী ◈ বিপ্লবের পর বাস্তবতার মুখে বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা

প্রকাশিত : ২৪ মে, ২০১৯, ০৬:৩৭ সকাল
আপডেট : ২৪ মে, ২০১৯, ০৬:৩৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘৪০ কিলোমিটার হেঁটে স্কুলে গিয়ে ফিরতাম, পাগল ছাড়া কেউ লিখতে পারে না’

ডেস্ক রিপোর্ট  : দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সাক্ষাৎকার প্রকাশের পর তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তবে মন্ত্রী দাবি করেছেন, ওই পত্রিকায় তিনি কোনো সাক্ষাৎকার দেননি। তারা মনগড়া প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

আজ বৃস্পতিবার বিকেলে দৈনিক আমাদের সময় অনলাইনকে মুঠোফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী এ কথা বলেন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আমার বাড়ি থেকে স্কুলের দূরত্ব ৪০ কিলোমিটার। আমি প্রতিদিন ৪০ কিলোমিটার হেঁটে গিয়ে ক্লাস করে আবার ফিরে আসতাম, এটা যদি কেউ সুস্থ মাথায় লেখে, তার কী হওয়া উচিত আমি জানি না। আর হাওর এলাকা সম্পর্কে আইডিয়া নেই, ক্ষেতের আইল দিয়ে হাঁটতে হয়।’

স্কুলে পড়ার সময় হোস্টেলে থাকতেন জানিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, ‘আমার স্কুল ৪০ কিলোমিটার দূরে, এটাতো কোনো অপরাধ না। আমি ওখানে হোস্টেলে থাকতাম। তো হোস্টেল থেকে বাড়ি এসেছি হেঁটে, বাড়ি থেকে হেঁটে হোস্টেলে গেছি।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘তো এর মধ্যে আমি খুঁজেই পেলাম না যে, যারা মন্তব্য করছেন, তারা মিনিমাম এটুকু জ্ঞান করবেন না, এটুকু মাথার মধ্যে কাজ করবে না? অন্য সেন্সেরও দরকার নেই, লেখাপড়ারও দরকার নেই, খুবই কমনসেন্স।’

হাওর এলাকার রাস্তাঘাট সম্পর্কে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, ‘একটা লোকের বাড়ি থেকে স্কুলের দূরুত্ব ৪০ কিলোমিটার হতেই পারে। হাওর এলাকাতে রাস্তাঘাট বলতে কিছু নেই। হাঁটা ছাড়া এখনো কোনো চলাচলের পথ নেই। আমি পড়েছি ১৯৬১ সালে, ৬১ সালে ক্ষেতের আইল ছাড়া কিছু ছিল না। এখনো সেই অবস্থাই আছে। তো এটা তো স্কুলের অপরাধ না, আমারও অপরাধ না। প্রতিদিন ৪০ কিলোমিটার হেঁটে স্কুলে গিয়ে বাড়ি ফিরে আসতাম, পাগল ছাড়া এটা কেউ লিখতে পারে না।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়