শিরোনাম
◈ প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের আমলনামা ◈ বাংলাদেশিদের শ্রমে সমৃদ্ধ গ্রিসের স্ট্রবেরি শিল্প, নেই প্রাপ্য স্বীকৃতি ◈ ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে নতুন ঋণসুবিধা, বিল-রিচার্জে মিলবে ৫ হাজার টাকা ◈ ঋণ সংকোচনে হুমকিতে গ্রামীণ অর্থনীতি, বাড়ছে শঙ্কা ◈ নতুন দায়িত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন ◈ ‘হাসিনা কার্ড’ ঘিরে নতুন টানাপোড়েন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে আস্থার সংকট ◈ দেবিদ্বারে গৃহবধূকে হত্যা: টুকরা টুকরা অংশ উদ্ধার, পাওয়া যায়নি মাথা ও পা ◈ দেশ ও মানুষের কল্যাণে মানবিকতা নিয়ে কাজ করুন: ইউএনওদের প্রধানমন্ত্রী ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে জামায়াত, ১১ দলীয় জোটের একক প্রার্থী চূড়ান্ত হবে রোববার ◈ কানাডায় ভারতীয়দের ওপর কড়াকড়ি, ৬ মাসে বহিষ্কার ৩,৩২৩

প্রকাশিত : ২৪ মে, ২০১৯, ০৬:৩৭ সকাল
আপডেট : ২৪ মে, ২০১৯, ০৬:৩৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘৪০ কিলোমিটার হেঁটে স্কুলে গিয়ে ফিরতাম, পাগল ছাড়া কেউ লিখতে পারে না’

ডেস্ক রিপোর্ট  : দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সাক্ষাৎকার প্রকাশের পর তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তবে মন্ত্রী দাবি করেছেন, ওই পত্রিকায় তিনি কোনো সাক্ষাৎকার দেননি। তারা মনগড়া প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

আজ বৃস্পতিবার বিকেলে দৈনিক আমাদের সময় অনলাইনকে মুঠোফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী এ কথা বলেন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আমার বাড়ি থেকে স্কুলের দূরত্ব ৪০ কিলোমিটার। আমি প্রতিদিন ৪০ কিলোমিটার হেঁটে গিয়ে ক্লাস করে আবার ফিরে আসতাম, এটা যদি কেউ সুস্থ মাথায় লেখে, তার কী হওয়া উচিত আমি জানি না। আর হাওর এলাকা সম্পর্কে আইডিয়া নেই, ক্ষেতের আইল দিয়ে হাঁটতে হয়।’

স্কুলে পড়ার সময় হোস্টেলে থাকতেন জানিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, ‘আমার স্কুল ৪০ কিলোমিটার দূরে, এটাতো কোনো অপরাধ না। আমি ওখানে হোস্টেলে থাকতাম। তো হোস্টেল থেকে বাড়ি এসেছি হেঁটে, বাড়ি থেকে হেঁটে হোস্টেলে গেছি।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘তো এর মধ্যে আমি খুঁজেই পেলাম না যে, যারা মন্তব্য করছেন, তারা মিনিমাম এটুকু জ্ঞান করবেন না, এটুকু মাথার মধ্যে কাজ করবে না? অন্য সেন্সেরও দরকার নেই, লেখাপড়ারও দরকার নেই, খুবই কমনসেন্স।’

হাওর এলাকার রাস্তাঘাট সম্পর্কে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, ‘একটা লোকের বাড়ি থেকে স্কুলের দূরুত্ব ৪০ কিলোমিটার হতেই পারে। হাওর এলাকাতে রাস্তাঘাট বলতে কিছু নেই। হাঁটা ছাড়া এখনো কোনো চলাচলের পথ নেই। আমি পড়েছি ১৯৬১ সালে, ৬১ সালে ক্ষেতের আইল ছাড়া কিছু ছিল না। এখনো সেই অবস্থাই আছে। তো এটা তো স্কুলের অপরাধ না, আমারও অপরাধ না। প্রতিদিন ৪০ কিলোমিটার হেঁটে স্কুলে গিয়ে বাড়ি ফিরে আসতাম, পাগল ছাড়া এটা কেউ লিখতে পারে না।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়