শিরোনাম
◈ চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ শহরে নয়, এবার গ্রামমুখী হতে হবে শিক্ষকদের: শিক্ষামন্ত্রী ◈ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন: চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, সরগরম এফডিসি ◈ সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দেশে বছরে নতুন ক্যান্সার রোগী প্রায় ১ লাখ ৬৭ হাজার, ৪৮৫টি এক্স-রে ও ৩৯৫টি আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন অকেজো ◈ ইরান যুদ্ধ সংক্রান্ত 'জরুরি প্রয়োজনে' কংগ্রেসের কাছে ৮ হাজার ৭০০ কোটি ডলার চাইলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প  ◈ রাতের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ◈ ‘না গিলতে পারছি, না ফেলতে পারছি’ : অর্থমন্ত্রী ◈ তারেক রহমানের চীন সফরে বড় অগ্রগতি, সই হলো ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক ◈ ক্যাশলেস অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ, ১ জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর ◈ চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শুরু, ১৫ সমঝোতা স্মারকে সই করবে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ২২ মে, ২০১৯, ০৭:৫৭ সকাল
আপডেট : ২২ মে, ২০১৯, ০৭:৫৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মোদি হটাও ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ ভারতের বিরোধী দলগুলো, কংগ্রেস

মৌরী সিদ্দিকা : ভারতের চলতি লোকসভা নির্বাচনে কোন দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না- এমনটা আঁচ করতে পেরে বিজেপি’কে ক্ষমতা থেকে হটাতে কংগ্রেস, প্রভাবশালী আঞ্চলিক ও বর্ণভিত্তিক দল এবং কমিউনিস্টসহ বিরোধী দলগুলো একটি নির্বাচন-পরবর্তী জোট গঠনের চেষ্টা করে যাচ্ছে। - সাউথ এশিয়ান মনিটর

এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইড়ু। নাইডু বলেন, ‘শীর্ষ দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আমাদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। আমাদের মূল লক্ষ্য- বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করা। এই মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ‘কোয়ালিশনকে নিরর্থক বলে পাত্তা দিচ্ছে না বিজেপি কিন্তু কোয়ালিশনই হবে ভারতের বাস্তবতা।
কংগ্রেস নেতা গোলাম নবী আজাদ বলেন, ‘আমাদের দল থেকে প্রধানমন্ত্রী করার ব্যাপারে আমরা বিরোধী জোটকে জোর করবো না। কোন আঞ্চলিক দল থেকে প্রধানমন্ত্রী করা হলেও আমরা মেনে নেব।

সাউথ এশিয়ান মনিটরকে আজাদ বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে প্রধান ইস্যু ছিলো ভারতের সেক্যুলার, ফেডারেল ডেমোক্রেসির ধারণা সংরক্ষণ ও অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো দূর করা। তিনি আরো বলেন, বিজেপি রাজনীতির যে ক্ষতি করেছে তা মেরামত করতে চাই।
শুক্রবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপি প্রেসিডেন্ট অমিত শাহ বলেন, আমরা ৩০০’র বেশি আসন পাব। তার পাশে বসা মোদিকে ক্লান্ত মনে হচ্ছিল। তিনি কাউকে প্রশ্ন করতে দেননি।

তবে প্রায় দুই মাস ধরে চলা নির্বাচনকালে বিজেপি’র অন্য সিনিয়র নেতারা দলের সুস্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রাপ্তির ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করেন’
জরিপে বলা হচ্ছে যে, বিজেপি এবার সবচেয়ে বড় রাজ্য উত্তর প্রদেশে অর্ধেক আসন হারাতে পারে। সাইকোলজিস্ট শিবাজী প্রতীম বসু বলেন, ‘তারা যদি শুধু ইউপিতেই ৩৫ থেকে ৪০টি আসন হারায় তাহলে সব মিলিয়ে বিজেপি তার শক্ত ঘাঁটি উত্তর ও পশ্চিম ভারতে ৮০ থেকে ১০০টি আসন হারাতে পারে। পূর্বাঞ্চলে কিছুটা ভালো করলেও বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা ২৭২ আসন পাবে না।’
শুক্রবার ইন্ডিয়া টুডে টিভিতে ভারতের কয়েকটি শীর্ষ জরিপকারী প্রতিষ্ঠান বলে, তবে অনুমিত হচ্ছে ভারতের নির্বাচনকে নিয়ে পূর্বাভাস দেয়া ‘দু:স্বপ্নে’র মতো
প্রেসিডেন্ট রাম নাথ কোবিন্দ সরকার গঠনের জন্য বিজেপিকে প্রথম আমন্ত্রণ জানিয়ে পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের সুযোগ দিতে পারেন।

কংগ্রেস নেতারা বলেন, ‘২০১৪ সালে, মোদি তরঙ্গ তুঙ্গে থাকাকালেও মাত্র ৩১ শতাংশ ভারতীয় বিজেপি’কে ভোট দিয়েছিলো। এবার সেই মোদি তরঙ্গ নেই। ‘সবখানে বিজেপি’র ভোট কমে যাবে, আর বিরোধী দলগুলো ভালো করবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়