শিরোনাম
◈ সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: শুক্রবার থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করবে বিএনপি ◈ কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ◈ গাজীপুরে স্বামীকে পাশের ঘরে আটকে গার্মেন্টসকর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ◈ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর যে জরুরি নির্দেশনা ◈ ভিনিসিউসের চার ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা, এল ক্লাসিকোয় খেলতে পারবেন না ◈ বাংলাদেশের ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না, কাজে লাগানোর আহ্বান নৌমন্ত্রীর ◈ আইএমএফের নতুন ঋণ পেতে শর্ত পূরণে রাজি বাংলাদেশ, যেসব বিষয়ে চলছে আলোচনা ◈ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে ঠিকাদারের হুমকি ‘এক থাপ্পড়ে ঠিক করে দেব’, জবাবে প্রকল্প পরিচালক বলেন ‘আমিও ছাত্রদলের নেতা ছিলাম' ◈ বলিউড অভিনেতা ইমরান খানকে কেন ভারত ছাড়তে বলা হলো, যা বললেন বিজেপির কিরিট সোমাইয়া ◈ প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারে ০.৫% রিবেট দিচ্ছে সরকার, বিল সাশ্রয়ে যেসব সুবিধা পাবেন গ্রাহকরা

প্রকাশিত : ২০ মে, ২০১৯, ০৭:৫৮ সকাল
আপডেট : ২০ মে, ২০১৯, ০৭:৫৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অসুস্থতার কারণে ভোট দিলেননা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, ভিন্ন বিশ্লেষন রাজনৈতিক মহলের

মোহাম্মদ মাসুদ : ফি বছর সপরিবারেই গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হন। এবারই প্রথম ভোটের লাইনে অসম্পূর্ণ পাম অ্যাভিনিউয়ের ভট্টাচার্য পরিবার। বাড়ির কর্তা অসুস্থ’, তাই ভোট দিতে গেলেন না। গৃহকর্ত্রী এবং মেয়ে শেষবেলায় গেলেন নির্ধারিত ভোটকেন্দ্র পাঠভবন স্কুলে। সংবাদ প্রতিদিন

বলা হচ্ছে, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর কথা। চলতি লোকসভা ভোটের শেষ দফায় ভোট কলকাতা দক্ষিণে। এই কেন্দ্রেরই ভোটার বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং তাঁর পরিবার। এবছর বুমুখী হলেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী৷ বিকেলে, ভোট শেষ হওয়ার ঠিক আগে কেন্দ্রে গেলেন তাঁর স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য, মেয়ে সুচেতনা। জানা হল, বুদ্ধদেববাবু অসুস্থ ভোট দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই।

পরিবার সূত্রে যতই বুদ্ধবাবুর অসুস্থতাকে দায়ী করা হোক না কেন, রাজনৈতিক মহলের একাংশ একে অন্যভাবে ব্যাখ্যা করছেন। ২০১১-র বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়ে, ফলপ্রকাশের দিনই মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন। তখনই বোঝা গিয়েছিল, রাজনৈতিক সন্ন্যাসের পথে হাঁটতে চলেছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। দুঁদে রাজনীতিকদের সেই ধারণা পুরোপুরি না মিললেও, সত্যিই প্রত্যক্ষ রাজনীতি থেকে সরেই দাঁড়িয়ে ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী৷ একে একে পলিটব্যুরো, কেন্দ্রীয় কমিটি-সহ সংগঠনের একাধিক দায়িত্ব ছেড়ে দেন। নেহাৎই বয়সের কারণ দেখিয়ে কিন্তু তারপরও ২০১৬-এ দল তাঁকে প্রচার ময়দানে নামিয়েছিল। রাজ্যে ফের বামফ্রন্টকে ক্ষমতায় ফেরানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য৷ সভা, মিছিলে ভিড় একেবারে পাতলা ছিল না।

তারপরেও আদর্শ কমিউনিস্ট হিসেবেই সর্বদা ছিলেন দলের পাশে। সময়ের সঙ্গে শরীর ভেঙে পড়ায় ঘরবন্দি থাকতেই পছন্দ করতেন এবং দিনভর পড়াশোনা নিয়ে থাকতেন। চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে বামেদের মেগা ব্রিগেডে দেখা গিয়েছে দলের অন্যতম শীর্ষনেতাকে। তবে মঞ্চে নয়, ময়দানে গিয়েও বসে ছিলেন গাড়ির ভিতরে। আর অভিজ্ঞ চোখে পর্যবেক্ষণ করছিলেন সমর্থকদের স্বতস্ফূর্ততা।

ভোটব্যাংকের জরাজীর্ণ দশা বেশ টের পেয়েছিলেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ। আর তৃণমূল বিরোধিতায় রাজ্যস্তরে বিজেপির সঙ্গে তলে তলে হাত মেলানোর খবরও কানে পৌঁছেছিল নির্ঘাত। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সম্পর্কে বলেছেন, উনি বিজেপি বিরোধী৷ সবমিলিয়ে, আসন্ন নির্বাচনী ফলাফলের আঁচ এখনই টের পেয়ে গিয়েছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য৷ তাই সেই প্রক্রিয়াতেই অংশ নিলেন না!

  • সর্বশেষ