শিরোনাম
◈ বাংলাদেশসহ সাত দেশের নাগরিকদের জন্য সৌদির নতুন ভিসা সুবিধা, এক বুকিংয়েই মিলবে সব সেবা ◈ ১২ বছর আগের আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচটি কী বার্তা দেয়? ◈ বাংলাদেশ সিরিজের মাঝে জিম্বাবু‌য়ে তিন ফরম্যাটে অধিনায়কের নাম ঘোষণা কর‌লো ◈ বন্যার ভয়াল থাবায় বিপর্যস্ত আট জেলা ◈ কপিল দেবকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য যোগরাজের, এতদিন পরে যুবরাজ সিং‌য়ের বাবাকে জবাব দিলেন ◈ শেষ মুহূর্তের গোলে বেলজিয়ামকে হারিয়ে সেমিফাইনালে স্পেন ◈ আমদানি বাড়ায় ১১ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি ◈ কোয়ার্টার ফাইনালে জমজমাট লড়াই, ১-১ সমতায় বিরতিতে স্পেন-বেলজিয়াম ◈ ইরানে হামলায় পশ্চিমাদের প্রকাশ্য উসকানি ছিল, অভিযোগ রাশিয়ার ◈ বন্যা মোকাবিলায় চট্টগ্রামে সেনাবাহিনী মোতায়েন, স্থাপন করা হয়েছে ৩টি উদ্ধার ক্যাম্প

প্রকাশিত : ১৪ মে, ২০১৯, ০৬:৪৯ সকাল
আপডেট : ১৪ মে, ২০১৯, ০৬:৪৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোহিঙ্গা গণহত্যায় অভিযুক্ত মিয়ানমারের সামরিক কর্মকর্তার কোম্পানির সঙ্গে ২৯ কোটি ডলারের বাণিজ্যচুক্তি করলো ভারতের আদানী গ্রুপ

আব্দুর রাজ্জাক : ভারতের আদানী গ্রুপ মিয়ানমারের যে হোল্ডিং কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করেছে তা দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। আর সশস্ত্র বাহিনীর এই সদস্যের রোহিঙ্গা গণহত্যা ও মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত করেছে জাতিসংঘের তদন্ত দল। গার্ডিয়ান

মিয়ানমারের রাজধানী ইয়াঙ্গুনের কাছে একটি কনটেইনার বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন পেয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বিতর্কিত কলয়া কোম্পানি কারমাইকেল। আর এই কোম্পানিতে ভারতের আদানী গ্রুপের অংশিদারিত্ব রয়েছে। কারমাইকেল যে বন্দরটির উন্নয়ন কাজ করবে তা সশস্ত্র বাহিনীর কোম্পানি মিয়ানমার ইকোনোমিক কর্পোরেশন (এমইসি) এর জমিতেই অবস্থিত। এটি মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনীর অন্যতম আয়ের উৎস।

রোহিঙ্গা গণহত্যা নিয়ে জাতিসংঘের প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী ৩ জনের অন্যতম অস্ট্রেলিয়ার মানবাধিকার কর্মী ও আইনজীবী ক্রিস সিডোতি। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালানোর দায়ে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।’ রোহিঙ্গা গণহত্যায় অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের ওপর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনটি প্রকাশ হয় গতবছর। তাতে মিয়ানমার সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার না করতে পরামর্শ দেয়া হয়। এমনকি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এমন সব কোম্পানির সঙ্গেও বাণিজ্য করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

তিনি আরো বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে কোম্পানিগুলো মিয়ানমারের ওই সেনাদের অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করছে ও তাদের গণহত্যায় অভিযুক্ত জেনারেলদেরও সম্পদশালী করছে।

তবে এই চুক্তির মাধ্যমে না জাতিসংঘ, না অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের কারো নিষেধাজ্ঞাই লংঘন হয়নি বলে দাবি করে আদানি। এমনকি মানবাধিকারের বিষয় বিবেচনায় এই প্রকল্প থেকে সরে যাওয়ার পরামর্শও প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়