শিরোনাম
◈ এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ইতালি, বাংলাদেশে গড়তে চায় এমআরও হাব ◈ রাশিয়ার পর বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের নজর ◈ বুক কাঁপছে আতঙ্কে, তবু থামছে না জীবিকার লড়াই : জীবিকার টানে সৌদি ফিরছেন প্রবাসীরা ◈ রাত গভীর হলেই বাড়ে বিদ্যুতের চাহিদা, ৩ হাজার মেগাওয়াট যাচ্ছে কোথায়? ◈ ঢাকা-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেন মহানগর এক্সপ্রেস, ওঠা যাবে যেসব স্টেশন থেকে ◈ ওয়ান‌ডে সি‌রি‌জে অ‌স্ট্রেলিয়ার কা‌ছে হোয়াইট ওয়াশ বাংলাদেশ নারী দল  ◈ দেশের আট বিভাগে হচ্ছে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব, বাড়বে সাইবার অপরাধ দমনের সক্ষমতা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ভারতের আন্দোলনে পথ দেখিয়েছে বাংলাদেশের তরুণরা: নেহা বোরা (ভিডিও) ◈ যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে বড় পরিবর্তন, মেয়াদ শেষ হলেই বন্ধ কাজের সুযোগ ◈ আগামী ৯ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন

প্রকাশিত : ১৮ এপ্রিল, ২০১৯, ১১:১২ দুপুর
আপডেট : ১৮ এপ্রিল, ২০১৯, ১১:১২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শাবান মাস যেভাবে অতিবাহিত করতেন রাসূল সা.

আল-আমিন : রাসুল সা. শাবান মাসকে তাঁর নিজের মাস হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তিনি শাবান মাসে রোজা পালনের অনেক গুরুত্ব ও ফজিলত বর্ণনা করেছেন। শাবান এমনই ফজিলতপূর্ণ মাস; যে মাসে আল্লাহ তাআলা তাঁর রহমত ও বরকতের মাধ্যমে বান্দার সব চাহিদা পূরণ করেন। আর যে ব্যক্তি এ মাসে প্রবেশ করবে, সে আল্লাহর রহমতের অন্তর্ভূক্ত হবে।

শাবান মাসের ইবাদাত-বন্দেগির মধ্যে রোজার গুরুত্ব বেশি হওয়ায় প্রিয়নবি সা. এ মাসে বেশি বেশি রোজা রাখতেন। শাবানের ০১ তারিখ থেকে ২৭ তারিখ পর্যন্ত রোজা পালনের বিশেষ ফজিলতের কথা বিভিন্ন হাদিসে ও উম্মাহুতুল মুমিনিনগণের বক্তব্যে পাওয়া যায়। হজরত আয়েশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসুলুল্লাহ সা. রোজা রাখতে থাকতেন যাতে আমরা বলতাম যে, তিনি (এ মাসে) আর রোজা ছাড়বেন না; আবার তিনি রোজা ভাঙ্গতে শুরু করতেন, যাতে আমরা বলতাম যে, তিনি (এ মাসে) আর রোজা রাখবেন না। আমি রাসুলুল্লাহ সা. কে রমজান মাস ছাড়া আর কখনো পূর্ণ মাস রোজা রাখতে দেখিনি। আর তাঁকে শাবান মাস ব্যতিত কোনো মাসে এতো বেশি রোজা রাখতেও দেখিনি।

অপর বর্ণনায় এসেছে, তিনি (আয়েশা রা.) বলেছেন, রাসুলুল্লাহ শাবানের পূর্ণ মাসই রোজা রাখতেন। তিনি শাবানের রোজা রাখতেন তবে অল্প কিছুদিন (রাখতেন না)। (বুখারি, মুসলিম, মুসনাদে আহমাদ, বাইহাকি, আবু দাউদ, মিশকাত) হজরত উসামা রা. বলেন, একদা আমি রাসুলুল্লাহ সা. কে এ মাসে (শাবান) বেশি বেশি রোজা রাখার কারণ জিজ্ঞেস করলাম। তিনি উত্তরে বললেন, ‘লোকেরা রজব ও রমজান এ দুই মাসের গুরুত্ব বেশি দেয় এবং রোজাও রাখে। কিন্তু মধ্যবর্তী এ মাসটিকে উপেক্ষা করে চলে। অথচ এ মাসেই বান্দার আমলসমূহ আল্লাহর দরবারে উপস্থিত করা হয়। আর আমার কামনা হলো- আমার আমলসমূহ আল্লাহর দরবারে উপস্থাপন করার সময় আমি রোজা অবস্থায় থাকি। এ কারণেই আমি শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা রাখি। (নাসাঈ, আবু দাউদ)

হজরত আলি রা. থেকে বর্ণিত, রা. ইরশাদ করেন, ‘১৫ শাবানের রাত (১৪ তারিখ দিবাগত রাত) যখন আসে, সে রাতে তোমরা তা ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাও এবং পরদিন রোজা রাখ।’ (ইবনে মাজাহ) প্রিয়নবি সা. বলেছেন, ‘শাবান হচ্ছে আমার মাস, যে কেউ এ মাসে আমাকে সাহায্য করবে আল্লাহ তাআলা তার ওপর বিশেষ রহমত ও বরকত নাজিল করবেন। আর রাসুলুল্লাহ সা. কে সাহায্য করা বলতে তাঁর সুন্নতের ওপর আমল করাকেই বুঝানো হয়েছে।

তিনি শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা পালনের পাশাপাশি ইস্তেগফার ও দরুদ শরিফ পাঠের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘হিজরি বছরের তিনটি মাস তথা রজব, শাবান ও রমজান; এ তিনটি মাসেই অধিক ইস্তেগফার ও দরুদ শরিফ পাঠের সুপারিশ করা হয়েছে। অবশ্য তম্মধ্যে শাবান মাসের ওপর বেশি তাগিদ দেয়া হয়েছে। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা পালন করে রমজানের প্রস্তুতি গ্রহণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

  • সর্বশেষ