প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভিসির পদত্যাগের দাবিতে ফের আন্দোলনে ববি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা

খোকন আহম্মেদ হীরা : বাংলা নববর্ষ বরণ শেষে ফের আন্দোলন শুরু করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। ভিসির পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ও আট দফা দাবিতে শিক্ষক সমিতি পৃথকভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।

ভিসির পদত্যাগ অথবা ছুটিতে যাওয়ার বিষয়ে লিখিত আকারে না পাওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ভিসি বিরোধী চলমান আন্দোলনের ২১তম দিন সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের একাডেমিক ভবনের নিচ তলায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা ভিসির পদত্যাগ অথবা পূর্ণ মেয়াদে ছুটিতে যাওয়ার দাবি জানিয়ে বিভিন্ন ধরনের শ্লোগান দিতে থাকেন। এদিকে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান ধর্মঘট পালন করেছেন শিক্ষকরা। আট দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ববি শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

চলমান আন্দোলনের বিষয়ে ববি’র আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম বলেন, বাঙালির প্রাণের উৎসব হলো নববর্ষ বরণ অনুষ্ঠান। এ জন্য ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন আমাদের আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত ছিলো। তবে আমরা বৈশাখ বরণে যেসব কর্মসূচি পালন করেছি তার মাধ্যমেও ভিসি’র পদত্যাগ জানানো হয়েছে। এটিকে আন্দোলনের একটি অংশ বলা যায়।

তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখের একদিন পরে ভিসির পদত্যাগ বা পূর্ণ মেয়াদে ছুটির দাবিতে পুনরায় আন্দোলন কর্মসূচি পালন শুরু করা হয়েছে। তবে দেশবাসী এখনো বৈশাখী উন্মাদনায় রয়েছে। তাদের কথা ভেবে আমরা সড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে না গিয়ে আপাতত আগের মতো ক্যাম্পাসে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে যৌক্তিক ও তাদের আন্দোলনের সাথে একাত্বতা প্রকাশ করে ববি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু জাফর মিয়া বলেন, ববির শিক্ষকরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম এবং অব্যবস্থাপনার শিকার হচ্ছেন। আমরা আমাদের আট দফা যৌক্তিক দাবি আদায়ে দু’ঘণ্টা করে অবস্থান ধর্মঘট পালন করছি। দাবি না মানা হলে আরও বড় ধরনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের বাদ দিয়ে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের কর্মসূচির আয়োজন করেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি। এর প্রতিবাদ করায় শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে গালি দেন ভিসি। এজন্য ২৬ মার্চ থেকেই তার পদত্যাগ দাবিতে লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে আসছেন শির্ক্ষার্থীরা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত